Advertisement

"মতুয়া, নমঃশূদ্রদের সব কাগজ ও অধিকার দেওয়া হবে", ভোটের আগে বড় প্রতিশ্রুতি মোদীর

বাংলার দ্বিতীয় দফা নির্বাচন শুরু হতে বাকি আর মাত্র হাতে গোনা তিন দিন। তার আগে মতুয়াভূমে জনসভা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ঠাকুরনগরের এই জনসভা থেকে মতুয়া ও নমঃশূদ্রদের আশ্বস্ত করলেন নমো।

ঠাকুরনগর থেকে মতুয়াদের আশ্বাসবাণী মোদীরঠাকুরনগর থেকে মতুয়াদের আশ্বাসবাণী মোদীর
Aajtak Bangla
  • বনগাঁ,
  • 26 Apr 2026,
  • अपडेटेड 3:39 PM IST
  • মতুয়াভূমে জনসভা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
  • ঠাকুরনগরের এই জনসভা থেকে মতুয়া ও নমঃশূদ্রদের আশ্বস্ত করলেন নমো।
  • শরণার্থীদের ভারতীয়দের মতোই সমান অধিকার, ঘোষণা মোদীর।

বাংলার দ্বিতীয় দফা নির্বাচন শুরু হতে বাকি আর মাত্র হাতে গোনা তিন দিন। তার আগে মতুয়াভূমে জনসভা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ঠাকুরনগরের এই জনসভা থেকে মতুয়া ও নমঃশূদ্রদের আশ্বস্ত করলেন নমো। 

এদিন প্রধানমন্ত্রী বলেন, "শরণার্থী পরিবারগুলিকে আমরা নিজেদের দায়িত্ব মনে করি। আপনাদের সুখ, দুঃখের কথা ভাবা আমাদের দায়িত্ব। সেই কারণে CAA আইন নিয়ে আসা হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হল এত বছর আপনাদের জন্য কেন এই কাজ করা হয়নি?" 

শরণার্থীদের ভারতীয়দের মতোই সমান অধিকার

মোদী বলেন, "আমি মতুয়া, নমঃশূদ্র ও অন্য শরণার্থী পরিবারকে বলতে চাই, আপনাদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। স্থায়ী ঠিকানা পাবেন। একজন ভারতীয়ের যা যা কাগজ ও অধিকার থাকে, আপনাদেরও সেই সব অধিকার থাকবে। এটা মোদীর গ্যারান্টি।"

এরপরেই TMC-কে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী। মোদী প্রশ্ন করেন, "তৃণমূল CAA-র বিরোধিতা করেছে। যারা প্রকাশ্যে CAA-এর বিরোধিতা করছে, তাঁরা কি মতুয়াদের ভালো চাইতে পারে?" তিনি বলেন, "যদি কেউ TMC-কে ভোট দেওয়ার কথা ভাবেন, তাহলে আপনারা পূর্ব পুরুষদের মনে দুঃখ দেওয়ার মতো কাজ করছেন।"

অনুপ্রবেশকারীদের হুঙ্কার নরেন্দ্র মোদীর

জনসভা থেকে অনুপ্রবেশকারীদেরও হুঙ্কার দেন নমো। তিনি বলেন, "বনগাঁ থেকে ডঙ্কার চোটে অনুপ্রবেশকারীদের সতর্ক করছি, যারা অবৈধ ভাবে বাংলায় এসেছে, যারা নকল ডকুমেন্টস দিয়ে এসেছে, তাঁরা ২৯ এপ্রিলের আগে বাংলা আর ভারত ছেড়ে দিক। নইলে ৪ মে-র পর অনুপ্রবেশকারীদের তাড়ানো হবে।"

অন্যদিকে, এদিন প্রধানমন্ত্রী জনসভার শুরুতে বলেন,  "৪-৫ বছর আগে সীমান্তের ওপারে ওরাকান্দি যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল। সেখানে মতুয়াদের সঙ্গে দেখা হয়। ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে প্রথম গিয়েছিলাম। মন্দিরে পুজো করেছিলাম। বড়মার আশীর্বাদ যখন নিতে গেছিলাম, তার মমতা বিভোর করেছিল। এই আত্মীয়তা ভুলব না। আজ ঠাকুরবাড়িতে পুজো-অর্চনার সুযোগ পেয়েছি। শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর, শ্রী শ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর ও বড়মাকে প্রণাম জানাই। এই পুণ্য অনুভূতি চিরকাল আমার সঙ্গে থাকবে।"

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement