
পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার মহকুমাস্তরের শহর কান্দি। জেনারেল ক্যাটাগরির এই আসনটি বহরমপুর লোকসভার অন্তর্গত। নির্বাচনী এলাকাটি কান্দি পুরসভা, কান্দি ব্লক ও বহরমপুর ব্লকের সাটুই চৌরিগাছা গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে তৈরি। ১৯৫১ সালে প্রতিষ্ঠিত কান্দি বিধানসভা মোট ১৯টি নির্বাচনের সাক্ষী থেকেছে। তার মধ্যে রয়েছে ২০১৯ সালের উপনির্বাচনও। বর্তমান বিধায়ক অপূর্ব সরকারের দলত্যাগের কারণে সেই কেন্দ্রে উপনির্বাচন হয়েছিল। আসনটি দীর্ঘদিন ধরে কংগ্রেসের ঘাঁটি ছিল। মোট ১৪ বার জিতেছেন কংগ্রেস প্রার্থীরা। দুবার জিতেছেন নির্দল প্রার্থী, একবার সিপিআই ও একবার তৃণমূল কংগ্রেস। ২০২১ সালে এই আসনে খাতা খোলে তৃণমূল কংগ্রেস। অপূর্ব সরকার ২০০৬ সালে প্রথমবার ওই আসন থেকে জেতেন। সেবার তাঁর নিকট...
পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার মহকুমাস্তরের শহর কান্দি। জেনারেল ক্যাটাগরির এই আসনটি বহরমপুর লোকসভার অন্তর্গত। নির্বাচনী এলাকাটি কান্দি পুরসভা, কান্দি ব্লক ও বহরমপুর ব্লকের সাটুই চৌরিগাছা গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে তৈরি। ১৯৫১ সালে প্রতিষ্ঠিত কান্দি বিধানসভা মোট ১৯টি নির্বাচনের সাক্ষী থেকেছে। তার মধ্যে রয়েছে ২০১৯ সালের উপনির্বাচনও। বর্তমান বিধায়ক অপূর্ব সরকারের দলত্যাগের কারণে সেই কেন্দ্রে উপনির্বাচন হয়েছিল। আসনটি দীর্ঘদিন ধরে কংগ্রেসের ঘাঁটি ছিল। মোট ১৪ বার জিতেছেন কংগ্রেস প্রার্থীরা। দুবার জিতেছেন নির্দল প্রার্থী, একবার সিপিআই ও একবার তৃণমূল কংগ্রেস। ২০২১ সালে এই আসনে খাতা খোলে তৃণমূল কংগ্রেস। অপূর্ব সরকার ২০০৬ সালে প্রথমবার ওই আসন থেকে জেতেন। সেবার তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সিপিআই-এর আব্দুল হামিদকে পরাজিত করেন ২৬৩২ ভোটে। অধীর চৌধুরীর সমর্থনে লড়েছিলেন অপূর্ব। কারণ, বহরমপুরের সাংসদ কংগ্রেস প্রার্থী অতীশচন্দ্র সিংহের বিরোধিতা করেছিলেন। তবে নির্বাচনে জেতার পর অপূর্ব ফের কংগ্রেসে যোগ দেন। ২০১১ ও ২০১৬ সালে কংগ্রেসের টিকিটে জেতেন। দুবার যথাক্রমে তিনি সিপিআইয়ের আইনাল হক ও তৃণমূলের শান্তনু সেনকে হারান। তবে ২০১৯ সালে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন। ফলে উপনির্বাচন হয়। তাতে জয়ী হন কংগ্রেসের শফিউল আলম খান। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূলের গৌতম রায়কে ২১ হাজারেরও বেশি ভোটে হারতে হয়। এদিকে ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে ওই আসনের সমীকরণ সম্পূর্ণ বদলে যায়। আগেরবার তৃণমূলের টিকিটে দাঁড়ানো গৌতম রায় বিজেপির প্রার্থী হয়ে যান। তৃণমূল প্রার্থী করে সেই অপূর্ব সরকারকেই। তিনি ফের জেতেন। এবার ব্যবধান হয় ৩৮ হাজারেরও বেশি ভোট। সেই প্রথমবার ওই আসনে কংগ্রেস তৃতীয় স্থানে শেষ করে। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোট পর্যন্ত কান্দি বিধানসভায় ভালো লিড পেত কংগ্রেস। তবে ২০২৪ সালে এই আসনে শাসকদলের প্রার্থী ইউসুফ পাঠান কংগ্রেসকে পিছনে ফেলে দেন। ওই প্রাক্তন ক্রিকেটার অধীর চৌধুরীর থেকে ১২ হাজার ৯৫৫টি বেশি ভোট পান। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের সময় কান্দি বিধানসভা কেন্দ্রে নিবন্ধিত ভোটার ছিলেন ২৫০,৬৭৫ জন। ২০২১ ও ২০১৯ সালে ছিল যথাক্রমে ২৩৮,৯৭৩ এবং ২২৪,৩৭১। মোট ভোটারের মধ্যে প্রায় ৫০ শতাংশ মুসলিম। তপশিলি জাতি ও উপজাতি যথাক্রমে ১৭ ও ২ শতাংশ। কান্দি বিধানসভা মূলত গ্রামীণ। শহরাঞ্চলের ভোটার মাত্র ১৯ শতাংশ। ভোটারদের উপস্থিতিও এখানে তুলনামূলকভাবে বেশি। ২০১১ সালে ৮০.৭৫ শতাংশ, ২০১৬ সালে ৭৬.৭৫ শতাংশ, ২০১৯ সালে ৭৭.৬৫ শতাংশ, ২০২১ সালে ৭৮.১৬ শতাংশ এবং ২০২৪ সালে ৭৫.৮২ শতাংশ ভোট পড়েছিল। কান্দি ঐতিহাসিক শহর। পাশ দিয়ে বয়ে গিয়েছে ভাগীরথী ও ময়ূরাক্ষী নদী। অঞ্চলটি পলিমাটিতে সমৃদ্ধ। তাই চাষ এখানকার প্রধান পেশা। কান্দিতে ভালো পাট চাষ হয়ে থাকে। স্থানীয় অর্থনীতি চাষের উপরই নির্ভরশীল। এই অঞ্চলে স্বাস্থ্যকেন্দ্র, স্কুল, স্থানীয় সরকার অফিস, বাজার এবং আজিমগঞ্জ-কাটোয়া লাইনে একটি রেলওয়ে স্টপের মতো মৌলিক শহুরে সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। কান্দি থেকে জেলা সদর দপ্তর বহরমপুর সড়ক পথে যুক্ত। দূরত্ব প্রায় ১৯ কিলোমিটার। রাজ্যের রাজধানী কলকাতা প্রায় ২১৪ কিলোমিটার দূরে। নিকটবর্তী অন্যান্য শহরগুলির মধ্যে রয়েছে কাটোয়া, আজিমগঞ্জ, রঘুনাথগঞ্জ ইত্যাদি। কান্দিতে প্রায় ৫০ শতাংশ মুসলিম ভোটার। ফলে এই কেন্দ্রটি দখল করা বিজেপির জন্য কঠিন। যদিও ২০২৪ সালের লোকসভায় বিজেপি এই আসন থেকে তুলনামূলক ভালো ফল করেছিল। যদি কংগ্রেস ও তৃণমূলের মধ্যে ভোট ভাগাভাগি হয় তাহলে বিজেপি সুবিধা পেলেও পেতে পারে। এখানে লড়াই বেশি হওয়ার সম্ভাবনা কংগ্রেস ও তৃণমূলের মধ্যে। তবে বিজেপিকেও সম্পূর্ণ ফেলে দেওয়া যাবে না।
Goutam roy
BJP
Shafiul alam khan (bonu)
INC
Nota
NOTA
Syed azizur hossain(nashim)
IND
Sufal bagdi
IND
Sher alam
JSTDVPMTP
Sukhen haldar
SUCI
Bodon das
IND
Dr. santanu sen
AITC
Binay bhusan das
BJP
Nota
NOTA
Gokul hazra
IND
Sandip roychowdhury
IND
Majibur rahaman shaikh
IUML
Sujay mondal
MPOI
Sukhen haldar
SUCI
Manirul islam
CPI(ML)(L)