Advertisement

কেন্দ্রীয় বাহিনীর ‘অতিসক্রিয়তা’? আটকে দেওয়া হল শশী পাঁজাকে

ঘটনাটি ঘটে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে, যেখানে কলকাতা উত্তরের সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রের ইভিএম-সহ স্ট্রং রুম রাখা হয়েছে কড়া নিরাপত্তায়। নিয়ম অনুযায়ী, প্রার্থী বা তাঁর অনুমোদিত এজেন্টরা নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত প্রবেশ করতে পারেন। তবে সেই নিয়ম কার্যকর করতে গিয়ে অতিরিক্ত কড়াকড়ির অভিযোগ উঠেছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে।

Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 02 May 2026,
  • अपडेटेड 1:23 PM IST
  • স্ট্রং রুম চত্বরে প্রবেশ ঘিরে সাময়িক উত্তেজনা তৈরি হল কলকাতায়।
  • শ্যামপুকুর কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী শশী পাঁজাকে পরিচয়পত্র দেখানো সত্ত্বেও প্রথমে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

স্ট্রং রুম চত্বরে প্রবেশ ঘিরে সাময়িক উত্তেজনা তৈরি হল কলকাতায়। শ্যামপুকুর কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী শশী পাঁজাকে পরিচয়পত্র দেখানো সত্ত্বেও প্রথমে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

ঘটনাটি ঘটে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে, যেখানে কলকাতা উত্তরের সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রের ইভিএম-সহ স্ট্রং রুম রাখা হয়েছে কড়া নিরাপত্তায়। নিয়ম অনুযায়ী, প্রার্থী বা তাঁর অনুমোদিত এজেন্টরা নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত প্রবেশ করতে পারেন। তবে সেই নিয়ম কার্যকর করতে গিয়ে অতিরিক্ত কড়াকড়ির অভিযোগ উঠেছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে।

শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ স্ট্রং রুম চত্বরে পৌঁছন শশী পাঁজা। সেখানে কর্তব্যরত এক কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান তাঁকে আটকে দেন। তিনি নিজের পরিচয়পত্র দেখান এবং প্রার্থী হিসেবে পরিচয় দেন, তবুও তাঁকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। এতে কিছুক্ষণের জন্য উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়।

পরে কলকাতা পুলিশের এক আধিকারিক ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি সামাল দেন। তিনি বিষয়টি পরিষ্কার করে দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট জওয়ানের ভুল ভাঙে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

এই ঘটনাকে ঘিরে ভোট-পরবর্তী নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement