
নির্বাচনের ময়দানে হঠাৎই তাঁর নাম সামনে এসেছিল। তৃণমূল কংগ্রেস তুফানগঞ্জ থেকে প্রার্থী করেছিল বাংলা দলের এই প্রাক্তন পেসারকে। শিবশঙ্কর পাল সেই লড়াইয়ে হেরে গেলেও, ডাক পেলেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের বয়সভিত্তিক ক্রিকেট ক্যাম্পের কোচিংয়ের দায়িত্ব। ৯ মে রাজ্যে নতুন সরকার শপথ নেবে। আর তার ঠিক পরের দিন তরুণ বোলারদের নিয়ে কাজ শুরু করবেন বাংলার ম্যাকো।
তুফানগঞ্জ শিবশঙ্করের জন্মভিটে। কিন্তু তৃণমূলের প্রতীকে ভোটে লড়ে জিততে পারেননি। বিজেপি প্রার্থী মালতী রাভা রায়ের বিরুদ্ধে ২৬৪৫৭ ভোটে হারেন শিবশঙ্কর। তাঁর প্রাপ্ত ভোট ছিল ৯৬০৬৮। গতবার এই বিধানসভার বিধায়ক ছিলেন বিজেপি’র মালতী রাভা রায়। এবারও তিনিই জয়ী হয়েছেন। তৃণমূলের ভরাডুবির পর এবার নতুন কাজ পেয়ে গেলেন শিবশঙ্কর।
ন্যাশানাল ক্রিকেট অ্যাকাডেমির প্রধান ভিভিএস লক্ষ্মণের তত্ত্বাবধানে কাজ করবেন তিনি। বিসিসিআইয়ের অধীনে বিভিন্ন জায়গায় ক্রিকেট ক্যাম্প হয়। সেখানে পুরুষদের অনূর্ধ্ব-১৬ এলিট ক্যাম্পের বোলিং কোচ হচ্ছেন শিবশঙ্কর। ১১ মে থেকে ৬ জুন পর্যন্ত রাজস্থানের জয়পুরে এই ক্যাম্প চলবে। ১০ মের মধ্যে জয়পুরে যোগ দেবেন বাংলার প্রাক্তন ক্রিকেটার। ফেসবুকে শিবশঙ্কর লিখেছেন, ‘নতুন দায়িত্ব, নতুন শুরু, একই রকম খিদে।’
পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে ভারতের এ দলে নিয়মিত খেলেছেন। ২০০৪-০৫ সালে ভারতের অস্ট্রেলিয়া সফরের দলে ছিলেন তিনি। তবে কোনও দিন জাতীয় দলে খেলা হয়নি। এর আগে মিজোরামের অনূর্ধ্ব-২৩ দল ও বাংলার মহিলা দলের কোচিংও করেছেন। বাংলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিভাবান বোলারদের তুলে আনার ক্ষেত্রে একটা বড় ভূমিকা নিয়েছেন শিবশঙ্কর।
তুফানগঞ্জের বিধায়ক না হতে পারলেও, তিনি তুফানগঞ্জের মানুষের জন্য কাজ করে যাবেন বলে জানিয়েছেন প্রাক্তন ক্রিকেটার। গত মরসুমে বাংলার সিনিয়র দলের সহকারী কোচ ছিলেন ম্যাকো। এবার কোচ নিয়োগ করতে চেয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল CAB। সেখানেও আবেদন করেছেন শিবশঙ্কর। তাঁর আশা সুযোগ পাবেন বাংলা দলের কোচের পদে কাজ করার।