Advertisement

West Bengal Assembly Election 2026: '১৫ বছর ধরে মার খেয়েছি...', বিজেপির জয়ে আনন্দে কাঁন্না এক কর্মীর

১৫ বছরের তৃণমূল সরকারের পতনের পর স্বাভাবিকভাবেই আবেগে ভাসছেন বিজেপি নেতা কর্মীরা। পশ্চিমবঙ্গে ২৯৩টি আসনের ভোট গণনা চলছে। এখন পর্যন্ত পাওয়া প্রবণতা অনুযায়ী, বিজেপি ২০৩টি আসনে এগিয়ে রয়েছে, অন্যদিকে মমতা ব্যানার্জীর তৃণমূল কংগ্রেস ৮৪টি আসনে এগিয়ে আছে। কংগ্রেস দুটি আসনে এগিয়ে রয়েছে। এদিকে, বাংলার পশ্চিম বর্ধমানে বিজেপির জয়ের পর এক কর্মী আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন।

বিজেপির জয়ে এক কর্মী আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। (ছবি: আইটিজি)বিজেপির জয়ে এক কর্মী আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। (ছবি: আইটিজি)
অনুপম মিশ্র
  • কলকাতা,
  • 04 May 2026,
  • अपडेटेड 7:53 PM IST

১৫ বছরের তৃণমূল সরকারের পতনের পর স্বাভাবিকভাবেই আবেগে ভাসছেন বিজেপি নেতা কর্মীরা। পশ্চিমবঙ্গে ২৯৩টি আসনের ভোট গণনা চলছে। এখন পর্যন্ত পাওয়া প্রবণতা অনুযায়ী, বিজেপি ২০৩টি আসনে এগিয়ে রয়েছে, অন্যদিকে মমতা ব্যানার্জীর তৃণমূল কংগ্রেস ৮৪টি আসনে এগিয়ে আছে। কংগ্রেস দুটি আসনে এগিয়ে রয়েছে। এদিকে, বাংলার পশ্চিম বর্ধমানে বিজেপির জয়ের পর এক কর্মী আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন।

পশ্চিম বর্ধমান জেলায় বিজেপির জয়ের পর এক কর্মী কান্নায় ভেঙে পড়েন। পশ্চিম বর্ধমান জেলার বারাবানি আসনে বিজেপির জয়ের পর এক দলীয় কর্মী কান্নায় ভেঙে পড়েন। এদিকে, এক বিজেপি কর্মী বলেন, 'প্রতিটি নির্বাচনের পর তৃণমূল কর্মীরা আমাদের মারত। আমরা ১৫ বছর ধরে মার খাচ্ছি।' নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বিজেপি ২০০টি আসনে এগিয়ে আছে। অন্যদিকে, ২০১১ সাল থেকে বাংলায় ক্ষমতায় থাকা মমতা ব্যানার্জীর তৃণমূল কংগ্রেস এবার ৯০টিরও কম আসনে নেমে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য যে, এই প্রথমবার বাংলায় বিজেপি সরকার গঠন করবে। ২০২১ সালের নির্বাচনে বিজেপি ভালো ফল করলেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। গত নির্বাচনে বিজেপি ৭৭টি আসন জিতেছিল। এর আগে বিজেপির ভোট শতাংশ ছিল ৩৮ শতাংশ, কিন্তু এবার তাদের ভোট শতাংশ বেড়ে ৪৫ শতাংশের বেশি হয়েছে।

বিভিন্ন জায়গা থেকে ইতিমধ্যেই হিংসার খবর আসছে। বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূলের পার্টি অফিস আক্রান্ত। কোথাও ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে পার্টি অফিস, কোথাও আবার ধরেছে আগুন। গননাকেন্দ্রে মার খেতে হয়েছে নোয়াপাড়া কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যকে। গগনা কেন্দ্রে আক্রমণের মুখে পড়তে হয়েছে ব্যারাকপুরের তৃণমূল প্রার্থী রাজ চক্রবর্তীকেও। যদিও বিজেপি নেতারা সমর্থক ও কর্মীদের শান্ত থাকার আবেদন জানিয়েছেন। তবুও বেশকিছু জায়গায় অশান্তি কোনওভাবেই এড়ানো যায়নি। 

Read more!
Advertisement
Advertisement