
ব্যারাকপুরে গত বিধানসভা ভোটে টানটান লড়াই ছিল। বিজেপি এই কেন্দ্রে এগিয়ে থাকবে বলেই মনে করছিলেন বিশেষজ্ঞরা। যদিও ফলাফলে দেখা যায় তৃণমূলই এখানে এগিয়ে রয়েছে। এখন দেখার আগামিদিনে পরিস্থিতি ঠিক কোন দিকে পৌঁছে যায়। উত্তর ২৪ পরগনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি বিধানসভা কেন্দ্র হল ব্যারাকপুর। এটা হল জেনারেল ক্যাটাগরির সিট। এই কেন্দ্রটির মধ্যে রয়েছে একাধিক শিল্পকেন্দ্র। পাশাপাশি এই শহরটির এক বিরাট ঐতিহ্য রয়েছে। ২০০৮ সালের ডিলিমিটেশন রেকমেন্ডেশনের উপর ভিত্তি করেই এই কেন্দ্রটি তৈরি হয়। এটা ২০১১ সালে প্রথম নির্বাচন হয় এখানে। এই কেন্দ্রটির মধ্যে পড়ে ব্যারাকপুর এবং টিটাগড় মিউনিসিপ্যালিটি। পাশাপাশি এটি কলকাতা মেট্রোপলিটন ডেভেলপমেন্ট অথারিটির অধীনে রয়েছে শিল্পাঞ্চল। ...
ব্যারাকপুরে গত বিধানসভা ভোটে টানটান লড়াই ছিল। বিজেপি এই কেন্দ্রে এগিয়ে থাকবে বলেই মনে করছিলেন বিশেষজ্ঞরা। যদিও ফলাফলে দেখা যায় তৃণমূলই এখানে এগিয়ে রয়েছে। এখন দেখার আগামিদিনে পরিস্থিতি ঠিক কোন দিকে পৌঁছে যায়। উত্তর ২৪ পরগনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি বিধানসভা কেন্দ্র হল ব্যারাকপুর। এটা হল জেনারেল ক্যাটাগরির সিট। এই কেন্দ্রটির মধ্যে রয়েছে একাধিক শিল্পকেন্দ্র। পাশাপাশি এই শহরটির এক বিরাট ঐতিহ্য রয়েছে। ২০০৮ সালের ডিলিমিটেশন রেকমেন্ডেশনের উপর ভিত্তি করেই এই কেন্দ্রটি তৈরি হয়। এটা ২০১১ সালে প্রথম নির্বাচন হয় এখানে। এই কেন্দ্রটির মধ্যে পড়ে ব্যারাকপুর এবং টিটাগড় মিউনিসিপ্যালিটি। পাশাপাশি এটি কলকাতা মেট্রোপলিটন ডেভেলপমেন্ট অথারিটির অধীনে রয়েছে শিল্পাঞ্চল। প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই তৃণমূল কংগ্রেস এই কেন্দ্রে আধিপত্য বজায় রেখেছে। তৃণমূলের শীলভদ্র দত্ত ২০১১ প্রথম নির্বাচনে জিতেছিলেন। সেই ভোটে তিনি সিপিআইএম-এর মধুসূদন সামন্তকে ৩৬,১২৩ ভোটে হারিয়ে দেন। আবার ২০১৬ তিনি সিপিআইএম-এর দেবাশিস ভৌমিকের থেকে ৭,৩১৯ ভোটে এগিয়ে ছিলেন। শুধু তাই নয়, ২০২০ সালে বিজেপিতে চলে যান শীলভদ্র দত্ত। তার জায়গায় ২০২১ সালের ভোটে প্রার্থী হন রাজ চক্রবর্তী। তিনি ২০২১ সালে বিজেপির চন্দ্রমণি শুক্লাকে ৯২২২ ভোটে হারিয়ে দেন। ব্যারাকপুরের রাজনীতিতে বামেদের পতন খুব তাড়াতাড়ি হয়েছে। এখানে সিপিআইএম এর ভোট শেয়ার ২০১৬ সালে ছিল ৩৫.১৬ শতাংশ। তবে ২০২১ সালে সেই ভোট নেমে যায় ১০.৮৯ শতাংশে। আর বামেদের এই নেমে আসার ফলেই এই কেন্দ্রে বেড়েছে বিজেপির প্রভাব। ২০১৬ সালে তারা ২০.২৩ শতাংশ ভোট থেকে ২০২৪ সালে ৪১.৫২ শতাংশে পৌঁছে গিয়েছিল। প্রসঙ্গত, ব্যারাকপুরে ২০২১ সালে ২১৫,৩৩৬ জন মোট ভোটার ছিল। ২০১৯ সালে ২০৭,৩৮৫ এবং ২০১৬ সালে ২০১,২৩১ ভোটার ছিল। এখানে মুসলিম সম্প্রদায়ের ভোট রয়েছে প্রায় ১৭.৮ শতাংশ। এটি একটি সম্পূর্ণ শহুরে আসন। এখানে ভোটারদের ভোটদানের হার ধারাবাহিকভাবে কমেছে। ২০১১ সালে ৭৭.৮২ শতাংশ থেকে ২০১৬ সালে ৭১.৭৪ শতাংশে, ২০১৯ সালে ৭১.৪১ শতাংশে এবং ২০২১ সালে আরও কমে ৬৮.৮৫ শতাংশে নেমে এসেছে৷ ব্যারাকপুর ব্রিটিশ ভারতের ইতিহাসে প্রাচীনতম ব্রিটিশ সেনানিবাসগুলির একটি। ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহের কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই জায়গা। মঙ্গল পান্ডের নেতৃত্বে বিদ্রোহ গড়ে ওঠে। আবার ১৯ শতকের শেষের দিকে এবং ২০ শতকের গোড়ার দিকে এলাকাটিতে উল্লেখযোগ্য নগরায়ন ও শিল্পায়ন হয়। এখানে তৈরি হয় একের পর এক পাটকল, অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরি। পাশাপাশি এখানকার রেল পরিষেবাকেও উন্নত করা হয়। শহরটি হুগলি নদীর পূর্ব তীরে অবস্থিত। দ্রুত নগরায়ন হওয়া সত্ত্বেও এখানে সবুজের দেখা মেলে। পাশাপাশি এখানে আপনি ব্রিটিশ যুগের একাধিক বিল্ডিং দেখতে পারবেন। এই কেন্দ্রে একাধিক পাটকল রয়েছে। পাশাপাশি ম্যানফাকচারিং ইউনিট এখানকার অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এলাকাটি শিয়ালদা-রানাঘাট রেললাইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন। এছাড়া এখান থেকেই এগিয়ে গিয়েছে বিটি রোড। এই রাস্তাই কলকাতার সঙ্গে শহরটিকে জুড়ে দিয়েছে। ব্যারাকপুর মধ্য কলকাতা থেকে ২৫ কিমি দূরে অবস্থিত। দম দম এখান থেকে ১৭ দূরে। আর জেলার সদর বারাসত রয়েছে ২২ কিমি দূরে। এছাড়া এখান থেকে খুব সহজেই গঙ্গার ওপাড়ে শ্রীরামপুর পৌঁছে যাওয়া যায়। কী হতে পারে? বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ২০১৬ সালে এখানে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে তৃণমূল। সাম্প্রতিক ভোটে একটা স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছে এখানে বিজেপি এবং তৃণমূল একই রকম পরিস্থিতিতে রয়েছে। তাদের ক্ষমতা এখানে একই। এমন পরিস্থিতিতে বিদেশি আশা করতে পারে তারা এ বার নিজেদের ভোট সংখ্যা বাড়িয়ে নেবে। দখল করবে এই আসন। আবার ও দিকে তৃণমূলও এই আসন নিয়ে আশাবাদী হতেই পারে। তাই এখন দেখার ঠিক কোন দিকে জল গড়ায়।
Chandramani shukla
BJP
Debasish bhowmick
CPI(M)
Nota
NOTA
Tapash sarkar
BSP
Kumar bishal yadab
IND
Debasish bhowmick
CPM
Amitava roy
BJP
Nota
NOTA
Tapas sarkar
BSP
Shyam sundar shaw (lali)
CPIM
Brahmdeo gupta
IND