Advertisement

Suvendu Adhikari: ভবানীপুরে কত শতাংশ ভোট পড়লে জিতবেন শুভেন্দু? নিজেই জানিয়ে দিলেন

হাই প্রোফাইল কেন্দ্র ভবানীপুরে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। আজ সেখানে চলছে ভোট। আর এ দিন দুপুরে মমতা গড়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিজের জয়ের বার্তা দিলেন শুভেন্দু। 

শুভেন্দু অধিকারীশুভেন্দু অধিকারী
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 29 Apr 2026,
  • अपडेटेड 2:10 PM IST
  • হাই প্রোফাইল কেন্দ্র ভবানীপুরে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী
  • আজ সেখানে চলছে ভোট
  • এ দিন দুপুরে মমতা গড়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিজের জয়ের বার্তা দিলেন শুভেন্দু

হাই প্রোফাইল কেন্দ্র ভবানীপুরে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। আজ সেখানে চলছে ভোট। আর এ দিন দুপুরে মমতা গড়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিজের জয়ের বার্তা দিলেন শুভেন্দু। 

কী বললেন শুভেন্দু? 
আজ দুপুরে শুভেন্দু জানান, মোটামুটি ৮০ শতাংশ ভোট পড়লেই তিনি জিতে যাবেন। আর ভোট যদি ৯০ শতাংশ ভোট পড়ে, তাহলে ভাল মার্জিনে জেতা যাবে। পাশাপাশি তিনি দাবি করলেন, ৭৭ নম্বর ওয়ার্ড ছাড়া সব জায়গাতেই লিড থাকবে তাঁর। 

তিনি বলেন, '৭৭ নম্বর ওয়ার্ডে ওরা (তৃণমূল) যা করছিল, তা বন্ধ করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ওদের সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে গিয়েছে।' 

ফলতার বিষয়ে অমিত শাহকে ফোন করেছিলেন
এ দিন সকালে ফলতার ইভিএম-এ বিজেপি প্রার্থীর নামের জায়গায় টেপ লাগান হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। আর এই বিষয়টা নিয়েই আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে শুভেন্দু অধিকারী ফোন করেছিলেন বলে নিজেই জানিয়েছেন। তখন শাহ তাঁকে পশ্চিমবঙ্গের সিইও-এর সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দিয়েছেন বলে জানান তিনি। 

শুভেন্দুকে ঘিরে উত্তপ্ত ভবানীপুর
এ দিন সকাল থেকেই বুথে বুথে ঘুরছেন শুভেন্দু অধিকারী। প্রথমে কোনও সমস্যার মুখেই তাঁকে পড়তে হয়নি। 

তবে বেলা গড়াতেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে থাকে। এ দিন জয় হিন্দ ভবনের সামনে শুভেন্দু পৌঁছতেই তাঁকে ঘিরে 'জয় বাংলা' স্লোগান দেওয়া হয়। পাশাপাশি দেওয়া হয় 'চোর চোর' স্লোগানও। এই সময় উত্তপ্ত হতে থাকে পরিস্থিতি। বিজেপির কর্মীরাও পাল্টা 'জয় শ্রীরাম' স্লোগান দিতে থাকে। এই সময় তৃণমূলের জমায়েতের দিকে তেড়েও যেতে দেখা যায় পশ্চিমবঙ্গের বিদায়ী বিরোধী দলনেতাকে। 

এই সময়ই গাড়িতে উঠে একের পর এক ফোন করতে থাকেন শুভেন্দু। তাঁকে দ্রুত ফোর্স পাঠানোর কথা বলতেও শোনা যায়। এরপরই সেখানে পৌঁছে যায় বিরাট সংখ্যায় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। তারা জমায়েতের উপর লাঠিচার্জ শুরু করে। তারপর ধীরে ধীরে শান্ত হয়ে যায় পরিস্থিতি। 

Advertisement

এই সময় তিনি অভিযোগ করেন, বহিরাগতরা তাঁর উপর আক্রমণ চালিয়েছে। তিনি ফোন করে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আসার কথা জানিয়েছেন। এমনকী কমিশনেও অভিযোগ করেছেন বলে জানান। 


 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement