
সোমবার, ৪ মে, গণনা স্থগিত থাকবে ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের। সেখানের ২৮৫টি বুথেই পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। শনিবার বিবৃতি জারি করে কমিশন জানিয়েছে, আগামী ২১ মে ফলতায় পুনর্নির্বাচন হবে। গণনা হবে ২৪ মে। কিন্তু কোন কোন কারণে এই পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত?
মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল বলেন, 'ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের একাধিক বুথ থেকে বড়সড় কারচুপির অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। নির্বাচনী আধিকারিকদের রিপোর্ট যাচাই করে এবং ম্যারাথন মিটিংয়ের পর কমিশন গোটা বিধানসভা কেন্দ্রেরই পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।' তিনি আরও জানিয়েছেন, ফলতায় গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচের নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়েছে।
কী কী কারণে পুনর্নির্বাচন?
নির্বাচন কমিশন উল্লেখ করেছে,
> মিডিয়া রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, একাধিক বুথের EVM-এ টেপ লাগানো ছিল।
> বুথ ক্যাপচার
> ভোটারদের ভয় দেখানো
> EVM ট্যাম্পারিং
> ১৭০, ১৭১, ৬, ২২, ২৩৫ এবং ১৭৭ নম্বর বুথ পরিদর্শন করেছেন কমিশনের পর্যবেক্ষক।
> একাধিক বুথ নিয়ে অভিযোগ দায়ের হয়েছে কমিশনের কন্ট্রোল রুমে।
> একাধিক বুথে নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীতে অযথা উপস্থিতি।
> একাধিক বুথের ভিডিও রেকর্ডিং পাওয়া যায়নি। তার মধ্যে রয়েছে ৭৮, ৮০, ১৪৪, ১৬০, ২২৭, ২২৮, ২২৯, ২৩৩, ২৩৪, ২৩৫, ২৩৬, ২৩৭ নম্বর বুথ।
> বুথের ভিতর অযাচিত লোকের উপস্থিতি দেখা গিয়েছে ২৩৮, ২৩৯, ২৪০, ২৪১, ২৪২, ২৪৩, ২৪৪, ২৪৬, ২৪৮, ২৪৯, ২৫০, ২৫১, ২৫২, ২৫৩, ২৫৪, ২৫৫, ২৫৬, ২৫৭, ২৫৮, ২৫৯, ২৬০, ২৬১ নম্বর বুথে।
> দীর্ঘ সময় ধরে ভিডিও ফুটেজ মিসিং ছিল ৭৮, ৮০ এবং ১৮২ নম্বর বুথে।
> ভোটারদের হয়ে ভোট দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে ১৬০ নম্বর বুথে।
> দুপুর ৩টে ৪১ মিনিট পর্যন্ত কোনও রেকর্ডিং পাওয়া যায়নি ২২৯ নম্বর বুথে।
> বুথের ভিতর অযাচিত লোকের উপস্থিতি পাওয়া গিয়েছে ১৪৪, ২২৭ এবং ২৩১ নম্বর পোলিং স্টেশনে।
> অন্যের হয়ে ভোট দেওয়ার অভিযোগ ২৪৫ নম্বর বুথে।
> ২৪৭ নম্বর বুথে একজন ব্যক্তি বারবার গিয়ে ভোট দিয়েছেন।
> ২২৪ নম্বর বুথে পোলিং এজেন্ট গিয়ে ভোট দিয়েছেন।
> ১৮২ নম্বর বুথে ভুয়ো ভোটারের উপস্থিতি ধরা পড়েছে।
> ১০, ৭৬, ৭৭, ৯৯, ১০০, ১১৮, ১৩৮, ১৪০, ১৪৬, ১৫৬, ১৬৫, ১৮৬, ১৯৩, ২১৮ নম্বর বুথগুলিতে রিটার্নিং অফিসারের বিরুদ্ধে নালিশ।