
কয়েকদিন আগেই প্রার্থী তালিকা পছন্দ না হওয়ায় দল ছেড়েছিলেন কেরলের প্রদেশ মহিলা কংগ্রেসের সভানেত্রী লতিকা সুভাষ। এবার তাঁর পথেই হাঁটলেন কেরল কংগ্রেসের সহ সভাপতি কেসি রোসাকুট্টি। গত বিধানসভায় সুলতান বাথরে থেকে বিধায়ক হয়েছিলেন রোসাকুট্টি। তিনি কেরলের মহিলা কমিশনেরও চেয়ারপার্সেন। দলের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে একেবারেই খুশি ছিলেন না রোসাকুট্টি। সেই কারণেই দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
জানা যাচ্ছে দলের প্রাথমিক সদস্যপদও ছেড়ে দিয়েছেন রোসাকুট্টি। আসন্ন কেরল বিধানসভা ভোটে তিনি ক্ষমতাশীন এলডিএফ জোটের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন। রোসাকুট্টি বলেন,"দীর্ঘ চিন্তাভাবনার পর এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দলে যা ঘটছে তাতে আমি হতাশ। সেই কারণেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত।" রোসাকুট্টি জানিয়েছেন, ৩৭ বছরেরও বেশি লময় ধরে তিনি দলের সেবা করেছেন। সুলতান বাথরের বিদায়ী বিধায়কের অভিযোগ দল মেয়েদের প্রতি বিরূপ মনোভাব নিয়ে চলছে। যা বরদাস্ত করা যায় না।
এদিকে গত ১৫ মার্চ কেরল কংগ্রেসের সভানেত্রী লক্ষ্মী সুভাষও দল থেকে পদত্যাগ করেন। প্রার্থী হওয়ার টিকিট না পেয়ে দল ছাড়েন কেরলে প্রদেশ মহিলা কংগ্রেসের সভানেত্রী লতিকা সুভাষ। তবে এখানেই থামেননি ক্ষুব্ধ লতিকা। মহিলা কংগ্রেসের সভানেত্রী হিসাবে পদত্যাগ করার পাশাপাশি মাথাও মুড়িয়েছেন। জানিয়েছিলেন, দলের বিরুদ্ধে এটাই তাঁর তীব্র প্রতিবাদ। লতিকা সুভাষের দল ছাড়ার পর একই পথে হাঁটেন কেরল প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সচিব রমনী পি নায়ার। দলত্যাগ করেন ২৩ টি জেলার একাধিক কর্মকতা। কংগ্রেসের এই ডামাডোলের পরিস্থিতির মধ্যে আগামী ৬ এপ্রিল কেরলের ১৪০ আসনে ভোট হতে চলেছে। ফল প্রকাশ হবে ২ মে।