Advertisement

"কৃষি বিল মানুষকে ধ্বংস করে দেবে", তীব্র অভিযোগ সিদ্দিকুল্লার

"কৃষি বিল (Farmer Bill) ভারতবর্ষের মানুষকে ধ্বংস করে দেবে।" কৃষি বিলের সমালোচনায় এমনটাই মন্তব্য করলেন রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী (Siddiqullah Chowdhury)। তিনি বলেন, "ভারতবর্ষের ৯৫ কোটি মানুষ কৃষি এবং কৃষকের সঙ্গে বিভিন্নভাবে যুক্ত। কৃষকরা খাদ্য উৎপাদন করেন তবেই ১৩০ কোটি মানুষ খেতে পান। কৃষি আইন নিয়ে জবরদস্তি করলে বিদেশ থেকে খাবার আনতে হবে। এটা ভারতের সংবিধানকে আহত করেছে। ভারতের গণতন্ত্রকে আহত করেছে। মূল্যবোধকে শেষ করে দিয়েছে। দয়া মায়া  নেই, শুধু জেদ।" রাজ্যের মন্ত্রী আরও বলেন, "সুপ্রিম কোর্ট দুবার জানিয়েছে যাঁরা আন্দোলন করছেন দেশের জন্য, খাদ্যের জন্য তাঁদের ওপর পুলিশ চড়াও হতে পারবে না।"  

সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী
Aajtak Bangla
  • জলঙ্গি,
  • 10 Jan 2021,
  • अपडेटेड 6:55 PM IST
  • "কৃষি বিল গণতন্ত্রকে আঘাত করেছে"
  • অভিযোগ সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর
  • ১৩ তারিখ কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে অবস্থান

"কৃষি বিল (Farmer Bill) ভারতবর্ষের মানুষকে ধ্বংস করে দেবে।" কৃষি বিলের সমালোচনায় এমনটাই মন্তব্য করলেন রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী (Siddiqullah Chowdhury)। তিনি বলেন, "ভারতবর্ষের ৯৫ কোটি মানুষ কৃষি এবং কৃষকের সঙ্গে বিভিন্নভাবে যুক্ত। কৃষকরা খাদ্য উৎপাদন করেন তবেই ১৩০ কোটি মানুষ খেতে পান। কৃষি আইন নিয়ে জবরদস্তি করলে বিদেশ থেকে খাবার আনতে হবে। এটা ভারতের সংবিধানকে আহত করেছে। ভারতের গণতন্ত্রকে আহত করেছে। মূল্যবোধকে শেষ করে দিয়েছে। দয়া মায়া  নেই, শুধু জেদ।" রাজ্যের মন্ত্রী আরও বলেন, "সুপ্রিম কোর্ট দুবার জানিয়েছে যাঁরা আন্দোলন করছেন দেশের জন্য, খাদ্যের জন্য তাঁদের ওপর পুলিশ চড়াও হতে পারবে না।"  

এই প্রসঙ্গে সিদ্দিকুল্লা আরও জানান, কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে আগামী ১৩ তারিখ বর্ধমানের গলসির কাছে ২ নম্বর জাতীয় সড়কে অবস্থান বিক্ষোভ করা হবে। সেখানে হাজার হাজার মানুষের জমায়েত হবে বলে আশাপ্রকাশ করেন তিনি। এমনকি সেই কর্মসূচিত খিচুড়ি রান্না করে বিতরণ করা হবে বলে বলেও জানান মন্ত্রী। 

প্রসঙ্গত কেন্দ্রের কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে গত নভেম্বর মাস থেকে দিল্লি সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছেন কৃষকরা। ইতিমধ্যেই সরকারের সঙ্গে বেশ কয়েক দফা বৈঠকও হয়েছে কৃষকদের। প্রতিবারেই কৃষি আইন বাতিলের দাবি জানিয়েছেন কৃষকরা। যদিও এই বিষয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সমাধান সূত্র পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে ইতিমধ্যেই আন্দোলনের পাশে দাঁড়িয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের বৈঠকে আন্দোলনকে সমর্থন জানানোর সিদ্ধান্তও গৃহিত হয়েছে। আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে কেন্দ্রের কাছে আইন বাতিলের আবেদন জানিয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালও। এছাড়াও কৃষক আন্দোলনের পাশে দাঁড়িয়েছেন সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের মানুষজন। 

 

Advertisement
Read more!
Advertisement

RECOMMENDED

Advertisement