Advertisement

কমিশনের কড়া নির্দেশ! পুর প্রশাসন পদে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নয়, সরতে হবে ফিরহাদদের

ইতিমধ্যেই রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিয়ে পুরনিগম ও পৌরসভার প্রশাসক হিসাবে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সরানোর নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সোমবার সকাল ১০টার মধ্যে নির্দেশ কার্যকর করতে হবে এমনটাই জানান হয়েছে। নির্বাচন নিরপেক্ষভাবে করতেই কমিশনের এই সিদ্ধান্ত বলে সূত্রের খবর।

নির্বাচন নিরপেক্ষভাবে করতেই কমিশনের এই সিদ্ধান্ত বলে সূত্রের খবর।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 21 Mar 2021,
  • अपडेटेड 10:47 AM IST
  • পুরনিগম ও পুরসভার প্রশাসক মণ্ডলীতে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের রাখা যাবে না
  • এমনই নির্দেশ জারি করল নির্বাচন কমিশন
  • সোমবার সকাল ১০টার মধ্যে নির্দেশ কার্যকর করতে হবে

ভোটমুখী বাংলায় এবার নির্বাচন কমিশনের কড়া পদক্ষেপ। আদর্শ আচরণবিধি যতদিন কার্যকর থাকছে ততদিন
পুরনিগম ও পুরসভার প্রশাসক মণ্ডলীতে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের রাখা যাবে না, এমনই নির্দেশ জারি করল নির্বাচন কমিশন। অর্থাৎ কমিশনের নির্দেশ জারি হলে ফিরহাদ হাকিম, কৃষ্ণা চক্রবর্তীরা ভোট চলাকালীন কলকাতা বা বিধাননগর পুরসভার প্রশাসক হিসেবে কাজ করতে পারবেন না।

ইতিমধ্যেই রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিয়ে পুরনিগম ও পৌরসভার প্রশাসক হিসাবে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সরানোর নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সোমবার সকাল ১০টার মধ্যে নির্দেশ কার্যকর করতে হবে এমনটাই জানান হয়েছে। নির্বাচন নিরপেক্ষভাবে করতেই কমিশনের এই সিদ্ধান্ত বলে সূত্রের খবর। 

প্রসঙ্গত গত বছরই বিজেপি দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের কাছে রাজ্যের মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়া পুরনিগম ও পুরসভাগুলিতে প্রশাসক পদ থেকে তৃণমূলের নেতাদের সরানোর দাবি তোলে। বিজেপি নেতৃত্বর দাবি মেনে নিল নির্বাচন কমিশন। 

কমিশনের নির্দেশ, রাজ্যের মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে নগরোন্নয়ন সচিব ও কর্মিবর্গ সচিবকে নিয়ে তৈরি একটি কমিটি এই পুরসভা ও পুরনিগমগুলির প্রশাসনের কাজ দেখাশোনার জন্য সরকারি অফিসারদের নিয়োগ করবে। প্রসঙ্গত পশ্চিমবঙ্গের মোট ১৩৫টি পুরনিগম ও পুরসভার মধ্যে ১২৫টির মেয়াদ ২০২০ সালের এপ্রিল-মে মাসেই শেষ হয়ে গিয়েছে। গত এপ্রিল থেকে রাজ্যের ১১২ টি পুরসভায় ভোট হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির জেরে নির্বাচন করা যায়নি।

ফলে মেয়দ উত্তীর্ণ পুরনিগম ও পুরসভা প্রশাসক বসানোর সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য সরকার। সংশ্লিষ্ট পুরনিগম ও পুরসভার নির্বাচিত মেয়র, চেয়ারম্যান, মেয়র পারিষদকেই ফের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ করা হয়। এর বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টে মামলা হলেও আদালত প্রশাসকদের সরানোর নির্দেশ দেয়নি। যদিও ভোটের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত তাৎপর্যপূর্ণ মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

Advertisement

Read more!
Advertisement

RECOMMENDED

Advertisement