২১ জুন, রবিবার কলকাতার রেড রোডে আয়োজিত হল আন্তর্জাতিক যোগ দিবস। খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপস্থিতিতে কলকাতাই ছিল এদিন সারা দেশের মানুষের কাছে আগ্রহের শহর।
রবিবার সকাল ৬টা বেজে ২৫ মিনিটেই রেড রোডের মঞ্চে উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী। অন্যদিকে, ঠিক সকাল ৬টায় রেড রোডে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, "যোগ সব বয়সের মানুষের জন্য, শুধু বয়স্কদের জন্য নয়। যোগ মানুষকে সারাজীবন ধরে তাদের শরীর ও মন সম্পর্কে জানতে শেখায়।"
পাশাপাশি মোদী বলেন, '২১ জুন পৃথিবীর একাংশে সবথেকে লম্বা দিন। কিন্তু যোগ দিবস হিসেবে মান্যতা পাওয়ার পরে তাঁর গুরুত্ব আরও বেড়ে গিয়েছে। যোগ সবাইকে জুড়ে দেয়। এখন ২১ জুন বিশ্বের সবচেয়ে বড় পার্বণে পরিণত হয়েছে। যোগ দিবস পালনে কলকাতায় আসতে পেরে আমার নিজেকে ভাগ্যবান মনে হচ্ছে।'
প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ,‘যোগ আমাদের সুস্থ জীবনযাপনে সাহায্য করে। যোগ মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রেখে শারীরিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার মার্গ দেখায়। ৭০ বছর বয়সে ৫০ বছর বয়সের অনুভূতি দেয়। জীবনশৈলীতে ভারসাম্য আনে। যোগের কথা গীতাতেও শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন। যোগকে কোনও একদিনের অনুষ্ঠানের মধ্যে সীমিত রাখা উচিত নয়। একে আমাদের জীবনের অঙ্গ করে নিতে হবে। সমাজ সুস্থ থাকলে দেশও সুস্থ থাকবে।’
মোদীর কথায়, 'সুস্থ বার্ধক্যের জন্য যোগ, এই থিমটি সব বয়সের মানুষের জন্য প্রাসঙ্গিক। শুধু বয়স্কদের জন্য নয়, তরুণ থেকে শিশু প্রত্যেকের জীবনেই যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।'
বক্তব্য রাখার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিজে অংশ নেন যোগ ব্যায়ামে। কখনও স্ট্রেচিং থেকে শুরু করে কোমর ও হাতের ব্য়ায়ামও করেন PM।
তবে তিনি যে শুধু যোগাভ্যাস করলেন তা নয়। সেখানে উপস্থিত থাকা ব্যক্তিদের যোগ-অনুশীলন ঘুরে ঘুরে দেখেন। অনেকের অনুশীলন আবার সংশোধনও করে দেন।
মোদীর মতে, 'নিয়মিত যোগাভ্যাস মানুষের শরীর ও মনের সামগ্রিক উন্নতি ঘটায় এবং সুস্থ, সক্রিয় ও ইতিবাচক জীবনযাপনের পথ দেখায়। নিয়মিত যোগাভ্যাস শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের পথ দেখায়।'