
তৃণমূল সাংসদ তথা অভিনেত্রী নুসরত জাহানের পদত্যাগের দাবি তুললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর অভিযোগ, নুসরত সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন, তাই তাঁর পদত্যাগ করা উচিত।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি বসিরহাটের সাংসদ নুসরত দাবি করেছেন, তিনি অবিবাহিত। তুরস্কে নিখিলের সঙ্গে তাঁর 'বিবাহের' যে অনুষ্ঠান হয়েছিল সেটি বৈধ নয়। যদিও নুসরতের এই বয়ানের আগে থেকেই জল্পনা শুরু হয়েছিল যে, তাঁর নিখিল জৈনর সঙ্গে সম্পর্কে চিড় ধরছে। দুজনে একসঙ্গে থাকেনও না। নুসরত তাঁর বয়ানে এই জল্পনাকে সত্যি বলে স্বীকার করে নেন।
এদিকে নুসরতের এই বয়ান সামনে আসার পর হইচই পড়ে যায় রাজ্য রাজনীতিতে। বিজেপি নুসরতের তীব্র সমালোচনা করে। তাদের তরফে অভিযোগ করা হয়, লোকসভার সাংসদ হিসেবে শপথ নেওয়ার সময় নিজেকে বিবাহিত বলে উল্লেথ করেছিলেন নুসরত। আবার লোকসভার ওয়েবসাইটে নুসরত সংক্রান্ত যে তথ্য রয়েছে সেখানেও তাঁকে বিবাহিত দেখানো হয়েছে। তাহলে কীভাবে নিজেকে অবিবাহিত দাবি করছেন ওই সাংসদ? গতকাল নুসরতের বিবাহ বিতর্ক ইস্যুটি লোকসভার স্পিকারের কাছে পাঠান বিজেপির উত্তরপ্রদেশের সাংসদ সংঘামিত্রা মৌর্য। তারপরই আজ নুসরতের পদত্যাগের দাবি জানালেন দিলীপ ঘোষ।
আজ মুরলিধর সেন লেনে দলীয় কার্যালয়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে শ্রদ্ধা জানিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন দিলীপবাবু। সেখানে বলেন, 'সিঁদুর পরে, নিজেকে বিবাহিত দাবি করে দেশবাসীর সঙ্গে প্রতারণা করেছেন নুসরত। তাঁর লোকসভা থেকে অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত।'
সম্প্রতি জন বার্লা ও সৌমিত্র খাঁ, উত্তরবঙ্গ ও জঙ্গলমহলকে আলাদা রাজ্য করার দাবি তুলেছেন। তা নিয়ে আজ ফের দিলীপ ঘোষ বলেন, ওই দুই সাংসদের সঙ্গে একমত নয় দল। জঙ্গলমহল ও উত্তরবঙ্গের সাধারণ মানুষ কেন্দ্রের পরিষেবা পাচ্ছেন না। সরকার তাঁদের বঞ্চিত করে রেখেছে। সেই কারণেই ওই দুই সাংসদ বাধ্য হয়ে এসব বলেছেন।