Advertisement

লাইফস্টাইল

Best Tourist Destinations: তাজপুর-মন্দারমনি ভুলে যান, ভরা বৃষ্টিতেও এগুলোই বেড়ানোর সেরা ঠিকানা

Aajtak Bangla
Aajtak Bangla
  • 09 Jul 2026,
  • Updated 5:03 PM IST
  • 1/9

বর্ষা মানেই অনেকের কাছে ঘরে বসে থাকা। তবে কলকাতার খুব কাছেই এমন বেশ কয়েকটি জায়গা রয়েছে, যেখানে বৃষ্টিভেজা সবুজ প্রকৃতির মাঝে কয়েক ঘণ্টা কাটিয়ে মন ভালো করে নেওয়া যায়। সঙ্গে স্থানীয় সুস্বাদু খাবার, গরম চা আর পকোড়ার স্বাদ তো রয়েছেই। 

  • 2/9

 শহরের যানজট, জলজট আর ব্যস্ততা থেকে সাময়িক মুক্তি চাইলে এই বর্ষায় কলকাতার কাছাকাছি সাতটি জায়গা হতে পারে আদর্শ উইকএন্ড গেটওয়ে।

  • 3/9

রায়চক, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: হুগলি নদীর তীরে অবস্থিত রায়চক তার নদীসংলগ্ন রিসর্ট এবং মনোরম পরিবেশের জন্য জনপ্রিয়। বর্ষার সবুজে ঘেরা বিলাসবহুল রিসর্টগুলি দম্পতি, পরিবার কিংবা শান্ত পরিবেশে উইকএন্ড কাটাতে ইচ্ছুক পর্যটকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ। কীভাবে যাবেন: কলকাতা থেকে প্রায় ৫৫ কিলোমিটার দূরে। সড়কপথে পৌঁছতে সময় লাগে প্রায় ২ ঘণ্টা।

  • 4/9

বকখালি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: বর্ষায় সমুদ্রের সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে বকখালি হতে পারে আদর্শ গন্তব্য। দিঘা, মন্দারমণি বা তাজপুরের তুলনায় এখানে ভিড় অনেক কম। সাদা বালির দীর্ঘ সমুদ্রসৈকত ফ্রেজারগঞ্জ পর্যন্ত বিস্তৃত। চারপাশে ঝাউবনের সারি, দীর্ঘ হাঁটা এবং শান্ত পরিবেশে সূর্যাস্ত উপভোগ করার জন্য বকখালি বিশেষভাবে জনপ্রিয়। কীভাবে যাবেন: কলকাতা থেকে প্রায় ১৪৫ কিলোমিটার দূরে। এনএইচ-১২ ধরে সড়কপথে পৌঁছতে সময় লাগে প্রায় ৫ ঘণ্টা।

  • 5/9

 টাকি, বসিরহাট: ইছামতী নদীর তীরে অবস্থিত টাকি বর্ষাকালে এক অন্যরকম রূপ ধারণ করে। নদীতে নৌবিহার এখানকার অন্যতম আকর্ষণ। কাছেই রয়েছে গোলপাতার ম্যানগ্রোভ অরণ্য, যা ‘মিনি সুন্দরবন’ নামে পরিচিত। এছাড়াও পুরনো জমিদারবাড়ি, ঐতিহ্যবাহী প্রাসাদ এবং প্রাচীন মন্দিরও ঘুরে দেখা যায়। কীভাবে যাবেন: কলকাতা থেকে প্রায় ৭৫ কিলোমিটার দূরে। সড়কপথে পৌঁছতে সময় লাগে প্রায় ২ ঘণ্টা।

  • 6/9

মাইথন, আসানসোল: বরাকর নদীর উপর নির্মিত মাইথন বাঁধ পূর্ব ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রকৌশল নিদর্শন। এখানে নৌবিহারের পাশাপাশি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রথম ভূগর্ভস্থ জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রও ঘুরে দেখা যায়। কীভাবে যাবেন: কলকাতা থেকে প্রায় ২৩১ কিলোমিটার দূরে। এনএইচ-১৯ ধরে পৌঁছতে সময় লাগে প্রায় সাড়ে ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা।

  • 7/9

গড়চুমুক, হাওড়া: একদিনের ছোট্ট সফরের জন্য গড়চুমুক একটি দারুণ বিকল্প। গাদিয়াড়ার কাছে হুগলি ও দামোদর নদীর সঙ্গমস্থলে অবস্থিত এই জায়গায় গঙ্গা বিতান কমপ্লেক্সে থাকলে নদীর শান্ত পরিবেশ এবং বিস্তীর্ণ সবুজের সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। কীভাবে যাবেন: কলকাতা থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে। উলুবেড়িয়া হয়ে সড়কপথে পৌঁছতে সময় লাগে প্রায় ২ থেকে আড়াই ঘণ্টা।

  • 8/9

গড়পঞ্চকোট, পুরুলিয়া: পঞ্চকোট পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত গড় পাঁচকোট বর্ষাকালে আরও বেশি আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। প্রাচীন দুর্গ ও মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ, সবুজ পাহাড় এবং জঙ্গলের সৌন্দর্য পর্যটকদের মুগ্ধ করে। পাহাড়ের উপর থেকে পাঞ্চেত বাঁধ ও জলাধারের মনোরম দৃশ্যও উপভোগ করা যায়। কীভাবে যাবেন: কলকাতা থেকে প্রায় ২৫০ কিলোমিটার দূরে। গাড়িতে পৌঁছতে সময় লাগে প্রায় ৫ ঘণ্টা।

  • 9/9

বিহারীনাথ পাহাড়, বাঁকুড়া: বাঁকুড়া জেলার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ বিহারীনাথ পাহাড়ের উচ্চতা প্রায় ১,৪৮০ ফুট। চারপাশে ঘন শালবন, পাহাড়ের গায়ে মেঘের আস্তরণ এবং বর্ষায় ছোট ছোট ঝরনার স্রোত এই জায়গার সৌন্দর্য কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়। পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত প্রাচীন শিবমন্দিরও দর্শনীয়। কীভাবে যাবেন: কলকাতা থেকে প্রায় ২৪০ কিলোমিটার দূরে। সড়কপথে পৌঁছতে সময় লাগে প্রায় ৪ থেকে সাড়ে ৪ ঘণ্টা।

Advertisement
Advertisement