'ওরে বাবা লেংচে মরি, পালিয়ে যাওয়ার রাস্তা ধরি', ছদ্মবেশী সিনেমার গানটি নিশ্চয়ই সকলের মনে আছে। পুজোয় নতুন জুতো পরে ঘুরতে বেরিয়ে লাইনটি আরও বেশি করে মনে পড়ে, তাই না।
ঘেমে-নেয়ে লাইন দিয়ে কুস্তি করে পছন্দসই জুতো কেনার পর পুজোয় পায়ের উপর বার্ষিক অত্যাচার সম্পর্কে বাঙালি মাত্রেই জানবেন। অনেকে হাঁটতে না পেরে বাহনে চেপে সটান বাড়িতে ঢুকে পড়েন।
কিন্তু এ বার নিশ্চিন্তে নতুন জুতো পরে ঘুরুন। পায়ে ফোস্কা না পরার গ্যারান্টি দিচ্ছি আমরা।
কখনও ভেবে দেখেছেন, পুরানো জুতো পরলে ফোস্কা পড়ে না কেন? কারণ জুতোর আকার আপনার পায়ের মাপ অনুযায়ী বদলে যায়। যার ফলে অবাঞ্ছিত ঘষা লাগে না।
নতুন জুতোর ক্ষেত্রে এমনটা হওয়ার সম্ভাবনা নেই। কারণ সেই জুতোটি একটা গড়পড়তা মাপে তৈরি হয়ে থাকে। তাই জুতো কেনার পর প্রথম প্রথম পরলে তাতে ফোস্কা পরার সম্ভাবনা অনেকটাই বেশি থাকে।
তা হলে দেখে নিন কী কী করলে নতুন জুতো আপনাকে রাস্তায় কাঁদাবে না। বরং নতুন পোশাকের সঙ্গে লাগসই জুতো পরে আরামে ঘোরাফেরা-খাওয়াদাওয়া করতে পারবেন।
প্রথমত, পুজোর আগে ২-৩ বার ট্রায়াল দিয়ে নিন। ধারে কাছে কোথায় পরে যান। দেখে নিন সম্ভাব্য ফোস্কা কোথায় কোথায় পড়তে পারে। জুতোয় সেই জায়গায় কোনও তেল বা তেলযুক্ত ক্রিম মাখিয়ে রাখুন।
পরের বার যখন আবার সেই জুতো পরবেন পায়ের সেই জায়গাগুলিতেও ক্রিম লাগিয়ে নেবেন।
পা ঢাকা জুতোর ক্ষেত্রে পায়ে মোজা পরে ঘরেই ২-৩ দিন হেঁটে দেখুন। যদি পায়ে খুব চাপ মনে হয়, তবে বেশ কিছু খবরের কাগজ জুতোর মধ্যে ঢুকিয়ে রাখুন পরার আগে অন্তত ২৪ ঘণ্টা।
এতে জুতো খানিকটা ছেড়ে যাবে। তবুও পরার আগে প্রথমবার পায়ে ভালো করে ক্রিম মেখে নিন।
তা হলে এবার নিশ্চিন্তে পুজোয় আড্ডা মারুন, ঘুরে বেড়ান। জুতো আপনাকে ডিসটার্ব করবে না।