
Remove Dandruff : শীত (Winter) পড়লেই ত্বক শুষ্ক (Dry Skin) হয়ে যায়। বাতাসে আর্দ্রতা (Humidity) কমতে থাকে। ফলে শরীরের চামড়ার সঙ্গে মাথার চামড়াও উঠতে থাকে। ফলে খুশকির (Dandruff) সমস্যা বেড়ে যায়। বিশেষ করে যাঁদের খুশকির প্রবণতা আছে, তাঁদের শীত পড়তে না পড়তেই মাথায় খুশকির সমস্যা জাঁকিয়ে বসে। যাঁদের ত্বক তেলতেল, তাঁদের খুশকির সমস্যা সবচাইতে বেশি হয়। তবে এই সময় তেলা ত্বক ছাড়াও খুশকির সমস্যার মুখে পড়েন অনেকেই।
খুশকি থেকে বাঁচতে অনেকেই বাজার থেকে বিজ্ঞাপনের ফাঁদে নানা রকম শ্যাম্পু কিনে আনেন ও ব্যবহার করেন। তবে সেই শ্যাম্পু ব্যবহার করলে চটজলদি খুশকি চলে গেলেও দীর্ঘমেয়াদে যে ফল পাওয়া যায় সেরকমটা একেবারেই নয়। প্রথম কয়েকদিন খুশকি না থাকলেও কয়েকদিন পর থেকে আবার একই সমস্যা ঘুরে ফিরে আসে। খুশকির সমস্যা হলে চুলও বেশি করে পড়তে শুরু করে। অল্পেই চুল চিটচিটে হয়ে যায়। তাই খুশকি তাড়াতে হলে কোনও রাসায়নিক ওষুধ বা পণ্য বাদ দিয়ে ঘরোয়া পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন। তাতে ভাল কাজ হবে। কোনও রকম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও হবে না।
১. আদা আর লেবুর রস (Ginger and Lemon Juice)
লেবু আর আদার রস একসঙ্গে মিশিয়ে নিয়ে তা মাথায় লাগিয়ে নিন। এরপর কিছুক্ষণ শুকোতে সময় দিন। তারপর শ্যাম্পু করে নিন।
২. টকদই (Sour Curd)
ভাল করে টকদই ফেটিয়ে নিন। এবার তা চুলের গোড়ায় লাগিয়ে রাখুন অন্তত ১৫ মিনিট রাখুন। এরপর মাথা শুকিয়ে গেলে ভাল করে শ্যাম্পু করে ধুয়ে নিন।
৩. ভিনিগার (Vinegar)
খুশকির সমস্যায় খুব ভাল কাজ করে অ্যাপেল সিডার ভিনিগার। অ্যাপেল সিডার ভিনিগারের সঙ্গে জল মিশিয়ে নিন। এবার তা মাথায় লাগিয়ে রাখুন আধঘন্টা। মাথায় তা শুকিয়ে গেলে তারপর শ্যাম্পু করে ধুয়ে নিন।
৪. বেকিং সোডা (Baking Soda)
বেকিং সোডার সঙ্গে একটু জল মিশিয়ে চুলের গোড়ার আঙুল দিয়ে ভাল করে লাগিয়ে নিন। সোডা শুকিয়ে গেলে তা জল দিয়ে ধুয়ে নিন। সপ্তাহে তিন দিন করে এই পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন। খুশকি দূর হবে।
এই সবগুলোই করতে পারলে সবচেয়ে ভাল, বা কোনও একটি বা দুটি পদ্ধতি সুবিধামতো অবলম্বন করে দেখতে পারেন, আপনার চুলে খুশকি আর ফিরবে না।