
গতকাল সকালেই কলকাতা এসে পৌঁছে গিয়েছেন এটিকে মোহনবাগান (ATK Mohun Bagan) কোচ জুয়ান ফেরান্দো (Juan Ferrando)। আর বুধবার গভীর রাতে এসে পৌঁছেছেন হুগো বুমোস (Hugo Boumous)। বৃহস্পতিবার বিকেলের দিকে মোহনবাগান মাঠে চলে আসেন দুই জনেই। আর শুক্রবার মোহনবাগান দিবসের দিনে অনুশীলনে নেমে পড়েছেন এটিকে মোহনবাগান ফুটবলাররা। অনুশীলনে দেখা গিয়েছে প্রীতম কোটাল, প্রণয় হালদার, লিস্টন কোলাসোদের।
তবে শুক্রবার পুরো দমে অনুশীলন শুরু করেনি সবুজ-মেরুন। হাল্কা গা ঘামিয়ে জিম করতে চলে যান প্রীতমরা। শনিবার বিকেল থেকে পুরোদমে অনুশীলন শুরু করে দেবে এটিকে মোহনবাগান। ডুরান্ড কাপ দিয়েই মরশুম শুরু করার কথা এটিকে মোহনবাগানের। এরপর তারা এএফসি কাপে অংশ নেবে। সঙ্গে রয়েছে কলকাতা লিগও। তবে এবারের ডুরান্ড কাপ যে স্পেশাল তা শহরে পা দিয়ে জানিয়েছেন জুয়ান। তিনি বলেন, ''গত মরশুমে ডুরান্ড খেলেছি এফসি গোয়ার হয়ে। প্রচুর মানুষ খেলা দেখতে আসেন। এই টুর্নামেন্টের দারুণ ঐতিহ্য রয়েছে। সমস্ত ম্যাচই খুব গুরুত্বপূর্ণ।''
আরও পড়ুন: চন্দ্রবিন্দুর গান-প্রীতি ম্যাচ, মোহনবাগান দিবসে এলাহি আয়োজন, কী কী চমক?
এই মরশুম যে সহজ হবে না তাও জানেন দিচ্ছেন ফেরান্দো। তবুও সমস্ত ট্রফিই জিততে চান তিনি। এটিকে মোহনবাগানের কোচ বলেন, ''এই বছরে প্রচুর ম্যাচ রয়েছে। আমাদের সবটাই খেলতে হবে। কারণ সমস্ত ম্যাচ, সমস্ত টুর্নামেন্ট খুব গুরুত্বপূর্ণ। এবারের মরশুমটা বেশ কঠিন হবে। তবুও সমস্ত টুর্নামেন্ট জিততে চাই।'' প্রসঙ্গত, গত দুই বছরে একটাও টুর্নামেন্ট জিততে পারেনি এটিকে মোহনবাগান।
১৬ আগস্ট ক্রীড়াপ্রেমী দিবসের দিনে ডার্বি দিয়েই মরশুম শুরু হওয়ার কথা থাকলেও ডার্বি পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন জানিয়েছে ইমামি ইস্টবেঙ্গল। মূলত চুক্তি দেরীতে হওয়ায় দল গঠনের প্রক্রিয়া এখনও শুরুই করতে পারেনি লাল-হলুদ। এর মধ্যে ডার্বি হলে লজ্জার মুখে পড়তে হবে ইস্টবেঙ্গলকে। সেই কারণেই এই ডার্বি পিছিয়ে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন প্রাক্তন ফুটবলাররা। তবে এই আবেদনে ডুরান্ডের আয়োজকরা সাড়া দেবেন কি না তা এখনই বলা যাচ্ছে না।
আরও পড়ুন: সন্দেশকে ছাড়ল ATK মোহনবাগান, এবার কোথায়?
তবে পড়শি ক্লাবের উদ্দেশ্যে কটাক্ষ শোনা যাচ্ছে মোহনবাগান সচিব দেবাশিস দত্তের গলায়। তিনি বলেন, ''আসলে ওরা ভয় পেয়েছে।'' ব্যাকফুটে থাকলেও দমতে রাজি নন ইস্টবেঙ্গল কর্তা দেবব্রত সরকারও। তিনি বলেন, ''সঠিক সময় আমরা এর উত্তর দেব।'' ৯০ মিনিটের লড়াইয়ে ফলাফল কী হবে তা সময় বলবে। তবে মরশুম শুরু আগেই যে কথার লড়াই শুরু হয়ে গেল দুই প্রধানের তা বলাই যায়।