Advertisement

Babar Azam: MMS-কাণ্ডের পরেও বিন্দাস বাবর, ট্যুইটারে লিখলেন...

একের পর এক সমস্যায় পড়তে হচ্ছে পাকিস্তান (Pakistan) অধিনায়ক বাবর আজমকে (Babar Azam)। ঘরের মাঠে টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজ হারের পর বাবরের অধিনায়কত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে দিয়েছিল। এর মধ্যেই যুক্ত হয়েছে একটি ভিডিও ক্লিপ। একটি ব্যক্তিগত ভিডিও ক্লিপ ট্যুইটারে আলোড়ন সৃষ্টি করে। অনেকেই দাবি করতে থাকেন ভিডিওতে যাকে দেখা গিয়েছে তিনি আসলে বাবর। 

বাবর আজমবাবর আজম
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 17 Jan 2023,
  • अपडेटेड 12:58 PM IST
  • এমএমএস কান্ডে জড়ালেন বাবর
  • ব্যক্তিগত ভিডিও ফাঁস

একের পর এক সমস্যায় পড়তে হচ্ছে পাকিস্তান (Pakistan) অধিনায়ক বাবর আজমকে (Babar Azam)। ঘরের মাঠে টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজ হারের পর বাবরের অধিনায়কত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে দিয়েছিল। এর মধ্যেই যুক্ত হয়েছে একটি ভিডিও ক্লিপ। একটি ব্যক্তিগত ভিডিও ক্লিপ ট্যুইটারে আলোড়ন সৃষ্টি করে। অনেকেই দাবি করতে থাকেন ভিডিওতে যাকে দেখা গিয়েছে তিনি আসলে বাবর। 

অনেকেই যদিও বাবরের সমর্থনেও কথা বলেছেন। তবে এই গোটা ঘটনায় এখনও কোনও মন্তব্য করেননি পাক অধিনায়ক। তবে সোমবার একটি ট্যুইট করেন বাবর।  কুল লুকের একটি ছবি শেয়ার করেছেন। টুইটারে এই ছবি শেয়ার করেছেন পাকিস্তান দলের অধিনায়ক বাবর। এই ছবিতে বাবরকে একটি নদীর তীরে বসে থাকতে দেখা যায়। পোস্টে আরও লিখেছেন, 'খুশি হতে বেশি কিছু লাগে না।' এ নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে কয়েকজন ব্যবহারকারী বাবরের সুস্থতার আশাও ব্যক্ত করেছেন। 

বাবরের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ

এর আগে পাকিস্তান অধিনায়কের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছিল। লাহোরের এক মহিলা হামিজা মুখতার এ বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বাবর তাঁকে ধর্ষণ করেছেন। তাঁকে গর্ভপাত করাতেও বাধ্য করেছেন বলে অভিযোগ। 

হামিজা ও বাবর একসাথে স্কুলে পড়তেন

হামিজা বলেন, 'বাবর আর আমি একই স্কুলে পড়তাম। আমরা একই এলাকায় থাকতাম। তিনি আমাকে প্রস্তাব দিয়েছেন এবং আমি তা  গ্রহণ করেছি। তখন তিনি ক্রিকেট খেলা শুরু করেননি।

হামিজা আরও বলেন, 'বাবর ২০১৪ সালে জাতীয় দলে নির্বাচিত হয়। এরপর থেকেই ধীরে ধীরে ওর আচরণ পরিবর্তন হতে থাকে। পরের বছর বাবরকে বিয়ের জন্য অনুরোধ করলেও সে আবারও তা এড়িয়ে যায়। ২০১৫ সালে, আমি বাবরকে জানিয়েছিলাম যে, আমি গর্ভবতী। বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়ায় আমি বাড়িতে ফিরেতে পারিনি। বাবরের গর্ভপাত করাতে বাধ্য করে।' গুরুতর অভিযোগ সামনে আসতে থাকলেও বাবর বা পাক বোর্ড এখনও কোনও সিদ্ধান্তের কথা জানায়নি।  

Advertisement
Read more!
Advertisement
Advertisement