যাদবপুর সংসদীয় এলাকার মধ্যেই পড়ে বারুইপুরে। সেই বারুইপুরে নাবালিকাকে গণধর্ষণ ও খুনের মতো মর্মান্তিক ঘটনার দুদিন পরে বারুইপুর গেলেন ওই এলাকার সাংসদ সায়নী ঘোষ। একেবারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো সাজেই সায়নীকে দেখা গেল। নীল পাড়, সাদা শাড়ি ও পায়ে হাওয়াই চটি। প্রথমেই যাদবপুরের সাংসদ সায়নী ঘোষকে আটকে দেওয়া হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভ দেখান। তাঁর সংসদীয় এলাকা হওয়া সত্ত্বেও কেন সায়নী দু দিন পর গেলেন, সেই প্রশ্ন তুলেই তাঁকে আটকে দেওয়া হয়। এক ব্যক্তি বলেন, ‘দু-দিন পর কি মুখ দেখতে এসেছেন? এতদিন কোথায় ছিলেন? প্রথমে এলেন না কেন?’ গো ব্যাক স্লোগানের মুখেও পড়তে হয় সায়নীকে। পরে তাঁকে ও কাকলি ঘোষদস্তিদারকে ঢুকতে দেওয়া হয়। বাইরে বেরিয়ে সায়নী বলেন, 'আমি কথা বলে যা বুঝলাম, এই ঘটনার পিছনে বৃহত্তর নেক্সাস আছে। মূল থেকে উৎখাত করতে হবে। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। মুখ্যমন্ত্রী যথেষ্ট সেন্সিটিভ, তাঁর সঙ্গে এই নিয়ে কথা বলব।'