আচমকা হড়পা বানে ভয়াবহ পরিস্থিতি নেপালে। বুধবার সকাল ৯টা নাগাদ বাড়তে থাকে ভোতেকোশি নদীর জলস্তর। আচমকা কিছু বুঝে ওঠার আগেই হুড়মুড় করে গ্রামে ঢুকে পড়ে জল। ভেসে যায় বহু ঘর-বাড়ি, গাড়ি, এমনকি ব্রিজও। (ছবি সৌজন্যে - রয়টার্স)
ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ৮ জনের। পাশাপাশি নিখোঁজ প্রায় ৩০০ জন। সূত্রের দাবি এরমধ্যে ১০০-র বেশি লোক ভারতীয়।
(ছবি সৌজন্যে - রয়টার্স)
কাঠমান্ডু থেকে প্রায় ১২৫ কিমি দূরে অবস্থিত উত্তর নেপালের রাসুয়া জেলায় এই হড়পা বানের তান্ডব দেখা গিয়েছে। এই জেলার মধ্যে দিয়েই বয়ে গেছে ভোতেকোশি নদী। বুধবার সকালেই কোনও পূর্বাভাস ছাড়াই আচমকা নদীর জলস্তর বৃদ্ধি পায়। যা মুহূর্তে পার ছাপিয়ে দুর্যোগের সৃষ্টি করে। (ছবি সৌজন্যে - PTI)
যদিও এত জল কীভাবে আচমকা চলে এল তা এখনও স্পষ্ট নয়। নেপালের বন্যা বিভাগের তরফে বলা হয়েছে, রাসুয়ায় ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে এই হড়পা বান আসেনি। যদিও স্যাটেলাইট ছবিতে তিব্বত অংশে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত দেখা গিয়েছে। তিব্বত থেকেই আচমকা জল চলে এসেছি কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
(ছবি সৌজন্যে - PTI)
সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া নানা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, নদীর জল গ্রামের মধ্যে দিয়ে প্রচণ্ড বেগে বয়ে যাচ্ছে, ফলে মুহূর্তে ভেসে যাচ্ছে ঘর-বাড়ি। আর একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, বন্যার জলের তীব্রতায় একটি সেতু ভেসে যাচ্ছে। সব মিলিয়ে ভয়াবহ চিত্র রাসুয়ায়।
উত্তর গয়া গ্রাম পুরসভার অ্যাসিস্টান্ট সেক্রেটারি চামেলি গুরুং জানিয়েছেন,স্যাফ্রুবেসি, বেতাবতী, মাইলুং, সল্লেতার এবং শান্তি বাজার সহ প্রায় এক ডজন বসতি ভয়াবহ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
(ছবি সৌজন্যে - রয়টার্স)
সরকারের তরফে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নদীর তীরবর্তী বাসিন্দাদের অতিরিক্ত সতর্ক থাকতে হবে এবং পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে হবে। নদী তীরবর্তী রাস্তাগুলিতো গাড়ি চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
(ছবি সৌজন্যে - PTI)
অতীতে দেখা গিয়েছে, নেপালের এমন বন্যার ভয়াবহ প্রভাব পড়েছে এদেশেও। বিশেষ করে বিহার নিয়ে চিন্তা শুরু হয়েছে। কারণ, ভোতেকোশি নদী ত্রিশূলী নদীতে মিলিত হয়েছে, যা আবার গন্ডক নদী রূপে ভারতে প্রবেশ করেছে। ফলে সতর্ক রয়েছে বিহারের ওই নির্দিষ্ট এলাকার জেলা প্রসাসনগুলি।
(ছবি সৌজন্যে - PTI)