Advertisement

মারা গেলেন দীর্ঘায়ু মহিলা, শেষ নিঃশ্বাস ১৩৫ বছরে

সাধারণ জীবনযাপন করতেন তিনি। সময়ে খাবার খেতেন। প্রতিদিন রোদে গা গরমও করার শখ ছিল তাঁর। এত বয়স হলেও নাতি-নাতনিদের সামলাতেন সেয়তি।

চিনের দীর্ঘায়ু মহিলার মৃত্যু। চিনের দীর্ঘায়ু মহিলার মৃত্যু।
Aajtak Bangla
  • শিনজিয়াং,
  • 18 Dec 2021,
  • अपडेटेड 11:45 PM IST
  • মারা গেলেন চিনের সবচেয়ে বয়স্ক মহিলা অলিমিহান সেয়তি।
  • তাঁর বয়স হয়েছিল ১৩৫ বছর।
  • জন্ম হয়েছিল ১৮৮৬ সালের ২৫ জুন।

মারা গেলেন চিনের সবচেয়ে বয়স্ক মহিলা অলিমিহান সেয়তি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১৩৫ বছর। শনিবার স্থানীয় প্রশাসন তাঁর মৃত্যু নিশ্চিত করেছে। জানা গিয়েছে, শিনজিয়াং উইঘুর প্রদেশের একটি গ্রামে থাকতেন সেয়তি। তাঁর জন্ম হয়েছিল ১৮৮৬ সালের ২৫ জুন। এই এলাকায় প্রত্যেকেই দীর্ঘায়ু হন। প্রবীণ সকলের বয়স কম-বেশি ৯০ বছরের অধিক। 

সংবাদ সংস্থা শিনহুয়ার প্রতিবেদনের দাবি, ২০১৩ সালে 'চায়না অ্য়াসোসিয়েশন অব গেরেনটোলজি অ্যান্ড জেরিয়াট্রিকস'-এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী দেশের সবচেয়ে প্রবীণ নাগরিক ছিলেন অলিমিহান সেয়তি। তাঁর দীর্ঘায়ু হওয়ার কারণ কী? কীভাবে সুস্থ থাকতেন? সেয়তির পরিজনরা জানিয়েছেন, সাধারণ জীবনযাপন করতেন তিনি। সময়ে খাবার খেতেন। প্রতিদিন রোদে গা গরমও করার শখ ছিল তাঁর। এত বয়স হলেও নাতি-নাতনিদের সামলাতেন সেয়তি। বয়সের কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিজনরা। 

শতোর্ধ্বের মৃত্যু

বৃহস্পতিবার মৃত্যু হয়েছে অলিমিহান সেয়তির। আমৃত্যু কোনও রোগবালাই ছিল না তাঁর। রোদে থাকতেন। জীবনের প্রতিটা মুহূর্ত আনন্দে কাটাতেন। চিনের এই কোমবসরিক শহরটি দীর্ঘায়ুদের জায়গা হিসেবে পরিচিত। এখানে সকলেই প্রায় ১০০ বছর বাঁচেন। ৯০ বছরের প্রচুর মানুষ দেখা যায়। 

দীর্ঘায়ুদের শহর

কোমবসরিক শহরে ষাটোর্ধ্বদের চিকিৎসা, বার্ষিক  শারীরিক পরীক্ষা বিনামূল্যে দেওয়া হয়। প্রতি মাসে ভাতাও পান। তাছাড়াও বহু সুযোগসুবিধা পান তাঁরা। 

Read more!
Advertisement
Advertisement