scorecardresearch
 

মন্ত্রীর গাড়ি লক্ষ্য করে পটকা-বাজি! 'খুনের চেষ্টা চলছে' কান্নায় ভেঙে পড়লেন এই নেতা

রবিবার কোভিলপট্টিতে একটি নির্বাচনী প্রচারে অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছিলেন তামিলনাড়ুর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী। সেই সময়ই তাঁর গাড়ির পিছনে পটকা ফাটানোর অভিযোগ ওঠে। মন্ত্রীর দাবি তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করেই এই কাণ্ডটি ঘটানো হয়। যদিও 'ভাগ্যক্রমে' তাঁর গাড়িটি অনেকটাই এগিয়ে যাওয়াতে বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পান।

Advertisement
নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানানো হয়েছে।
হাইলাইটস
  • মন্ত্রীর গাড়ির পিছনে পটকা ও বাজি ফাটানোকে ঘিরে চক্রান্তের অভিযোগ উঠল
  • তামিলনাড়ুর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী কাদম্বুর রাজু অভিযোগ করেছেন
  • এএমএমকে দলের কর্মীরা তাঁর গাড়ির পিছনে পটকা ফাটিয়ে তাঁকে 'খুন করার চেষ্টা' করেছে

বিধানসভা ভোটের আগে ফের উত্তপ্ত হল তামিলনাড়ু রাজনীতি। মন্ত্রীর গাড়ির পিছনে পটকা ও বাজি ফাটানোকে ঘিরে চক্রান্তের অভিযোগ উঠল। তামিলনাড়ুর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী কাদম্বুর রাজু অভিযোগ করেছেন যে এবারের নির্বাচনেও তাঁর জয়ের প্রত্যাশা দেখে এএমএমকে দলের কর্মীরা তাঁর গাড়ির পিছনে পটকা ফাটিয়ে তাঁকে 'খুন করার চেষ্টা' করেছে।

রবিবার কোভিলপট্টিতে একটি নির্বাচনী প্রচারে অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছিলেন তামিলনাড়ুর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী। সেই সময়ই তাঁর গাড়ির পিছনে পটকা ফাটানোর অভিযোগ ওঠে। মন্ত্রীর দাবি তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করেই এই কাণ্ডটি ঘটানো হয়। যদিও 'ভাগ্যক্রমে' তাঁর গাড়িটি অনেকটাই এগিয়ে যাওয়াতে বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পান। যেভাবে পটকা ফাটানো হয় তাতে সহজেই তাঁর গাড়িতে আগুন লেগে প্রাণহানি হতে পারত বলে তিনি দাবি করেছেন।

ঠিক কী জানিয়েছেন তিনি?

মন্ত্রী কাদম্বুর রাজু বলেন, "আমি অপ্রয়োজনীয় সমস্যা এড়াতে নির্বাচনী প্রচারের কাজে আমার গাড়িতে একাই যাত্রা করেছিলাম। সেই সময় তারা (এএমএমকে কর্মীরা) আমার গাড়িটিকে হঠাৎ তাদের গাড়ি দিয়ে আটকে দিয়েছিল। তারপরে তারা আমার গাড়ির ঠিক পাশেই একটি ৫ হাজার পটকার মালা ফাটিয়েছিল। ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি ছিল। আমার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তারা ইচ্ছে করে পটকা ফাটিয়েছিল। আমার গাড়িটিতে আরেকটু হলেই আগুন লেগে যেত। অল্পের জন্য প্রাণহানি হওয়া থেকে বেঁচে ফিরেছি।"

এদিকে গোটা বিষয়টি নিয়ে এআইআইডিএমকে ইউনিয়ন সচিব নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দায়ের করেছেন। যদিও এই ঘটনার পর পুলিশ ভিড় নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকায় এ মামলায় এখনও পর্যন্ত কারওকে গ্রেফতার করা হয়নি। এদিকে, এএমএমকে'র কর্মীদের বিরুদ্ধে করা অভিযোগ সম্পর্কে এখনও কিছু মন্তব্য করেনি।

Advertisement
Advertisement