Advertisement

নির্বাচন

ব্যঙ্গ-কটাক্ষে, ছড়া-ছন্দে দেওয়াল লিখন, দেখুন সেরা ১০

Aajtak Bangla
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 18 Apr 2026,
  • Updated 12:38 PM IST
  • 1/10

ভোটের দামামা বেজে উঠতেই রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে দেওয়াল দখলের লড়াই। আর মাত্র কয়েকদিন পর প্রথম দফার ভোট। 

  • 2/10

তার আগেই লাল, সবুজ, গেরুয়া রঙে রঙিন হয়ে উঠছে শহর থেকে গ্রাম। প্রচারের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হিসেবে ফের সামনে এসেছে ছড়া-ছন্দে ভরা দেওয়াল লিখন।
 

  • 3/10

কলকাতার যাদবপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকায় এখন নজর কাড়ছে এই সৃজনশীল প্রচার। 

  • 4/10

পাটুলি-বৈষ্ণবঘাটা, সাঁপুইপাড়া, মণ্ডলপাড়া, সব জায়গাতেই ছন্দ মিলিয়ে লেখা স্লোগানে ভরে উঠেছে দেওয়াল। শুধু যাদবপুর নয়, রাজ্যের প্রায় প্রতিটি জেলাতেই দেওয়ালজুড়ে ছড়ার ছড়াছড়ি।
 

  • 5/10

কোথাও ব্যঙ্গ, কোথাও কটাক্ষ, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করতেই তৈরি হচ্ছে এইসব ছড়া। যেমন, ‘তোমার দলে অমিত-মোদি, নেতায়-নেতায় ভারী, আমার দলে একলা দুর্গা, পঁয়ষট্টির নারী।’

  • 6/10

আবার অন্য এক দেওয়ালে লেখা, ‘পদ্মফুলে দিলে ছাপ, ঘরে ঢুকবে কেউটে সাপ।’ সরকারি প্রকল্প নিয়েও ছড়া তৈরি হয়েছে—‘আগে পেতাম ১০০০, এখন ১৫০০ পাই, তাই তৃণমূলকেই চাই... বাংলা নিজের মেয়েকে চায়।’
 

  • 7/10

এই ধরনের রঙিন, ছন্দময় দেওয়াল লিখন শুধু রাজনৈতিক বার্তাই দেয় না, পথচলতি মানুষকেও থামিয়ে দেয়। রাজনীতিতে অনাগ্রহী অনেক মানুষও এই সৃজনশীলতা উপভোগ করেন। 

  • 8/10

শুধু প্রার্থীর নাম নয়, দেওয়ালে জায়গা পাচ্ছে স্লোগান, কার্টুন, এমনকি ছোট কবিতাও।
 

  • 9/10

বাংলার ভোট সংস্কৃতিতে দেওয়াল লিখনের ইতিহাসও দীর্ঘদিনের। বিখ্যাত ব্যঙ্গকার দাদাঠাকুর-এর ছড়াতেও তার ছাপ পাওয়া যায়, যেখানে ভোটের রাজনীতিতে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপের ব্যবহার স্পষ্ট।

  • 10/10

সেই ঐতিহ্য আজও বহমান। একসময় স্টেনসিল আর আলকাতরার ছাপ দিয়ে শুরু হলেও, ষাটের দশক থেকে দেওয়াল লিখনে আসে রঙ, ক্যালিগ্রাফি আর শিল্পের ছোঁয়া।
 

Advertisement
Advertisement