পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে তুঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর প্রস্তুতি। আগামী ২৯ এপ্রিল ১৪২ আসনে ভোট।
রাজ্যে প্রায় ২.৫ লক্ষ কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান মোতায়েন করা হয়েছে। প্রতিটি বুথে কড়া নজরদারি রাখা হচ্ছে।
প্রথম দফায় বিক্ষিপ্ত হিংসার ঘটনার পর আরও সতর্ক নির্বাচন কমিশন। দ্বিতীয় দফাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা জোরদার।
কলকাতা থেকে সীমান্ত; সব জায়গাতেই টানটান উত্তেজনা। শহর ও গ্রাম মিলিয়ে বড় চ্যালেঞ্জ প্রশাসনের সামনে।
এই দফায় ভবানীপুরের মতো হাই-প্রোফাইল আসনও রয়েছে। ফলে রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র।
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। অনুপ্রবেশ ও পাচার ঠেকাতে কড়া ব্যবস্থা।
সুন্দরবনের মতো নদী ও জলাভূমি এলাকায় বাড়তি বাহিনী মোতায়েন। দুর্গম এলাকায় ভোট করানোই বড় চ্যালেঞ্জ।
সংবেদনশীল বুথগুলো চিহ্নিত করে সেখানে অতিরিক্ত ফোর্স রাখা হয়েছে। যাতে কোনও গন্ডগোল না হয়।
BSF ও অন্যান্য বাহিনী একসঙ্গে কাজ করছে সীমান্ত এলাকায়। টহল ও নজরদারি চলছে ২৪ ঘণ্টা।
২০০টি ‘মার্কসম্যান’ বুলেটপ্রুফ গাড়ি মোতায়েন করা হয়েছে। যেকোনও হিংসা মোকাবিলায় প্রস্তুত বাহিনী।
এই বিশেষ গাড়ি গুলি ও বিস্ফোরণ থেকেও সুরক্ষা দেয়। কঠিন পরিস্থিতিতে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে সাহায্য করে।
প্রথমবার এত সংখ্যায় মহিলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। শহর এলাকায় তাঁদের বিশেষ ভূমিকা থাকবে।
ভোটের পরও হিংসা ঠেকাতে ৫০০ কোম্পানি বাহিনী থাকবে রাজ্যে। লক্ষ্য একটাই—শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন।