Advertisement

ভবানীপুরে 'অনিচ্ছুক'দের বুথে আনায় জোর, ভোটের হার ৬০ থেকে ৮০ শতাংশ করার টার্গেট বিজেপির

ভবানীপুরে আসন্ন নির্বাচনে মূল লড়াই এখন আর শুধু প্রচারে সীমাবদ্ধ নয়, ভোটারদের বুথমুখী করাই হয়ে উঠেছে সবচেয়ে বড় কৌশল। একদিকে তৃণমূল কংগ্রেস বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসংযোগ বাড়াতে চাইছে, অন্যদিকে বিজেপি জোর দিচ্ছে ভোটের দিন মানুষকে ঘর থেকে বের করে এনে ভোট দেওয়ানোর ওপর।

প্রচারে শুভেন্দু অধিকারী।-ফাইল ছবিপ্রচারে শুভেন্দু অধিকারী।-ফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 11 Apr 2026,
  • अपडेटेड 10:43 AM IST
  • ভবানীপুরে আসন্ন নির্বাচনে মূল লড়াই এখন আর শুধু প্রচারে সীমাবদ্ধ নয়, ভোটারদের বুথমুখী করাই হয়ে উঠেছে সবচেয়ে বড় কৌশল।
  • একদিকে তৃণমূল কংগ্রেস বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসংযোগ বাড়াতে চাইছে, অন্যদিকে বিজেপি জোর দিচ্ছে ভোটের দিন মানুষকে ঘর থেকে বের করে এনে ভোট দেওয়ানোর উপর।

ভবানীপুরে আসন্ন নির্বাচনে মূল লড়াই এখন আর শুধু প্রচারে সীমাবদ্ধ নয়, ভোটারদের বুথমুখী করাই হয়ে উঠেছে সবচেয়ে বড় কৌশল। একদিকে তৃণমূল কংগ্রেস বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসংযোগ বাড়াতে চাইছে, অন্যদিকে বিজেপি জোর দিচ্ছে ভোটের দিন মানুষকে ঘর থেকে বের করে এনে ভোট দেওয়ানোর ওপর।

বিজেপির প্রচারের মূল লক্ষ্য সেইসব এলাকায় ভোটদানের হার বাড়ানো, যেখানে ঐতিহ্যগতভাবে তাদের সমর্থন রয়েছে। চক্রবেড়িয়া, অ্যালেনবি রোড, বাকুলবাগানের মতো এলাকায় দলটি নিজেদের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে দেখছে। দলীয় কর্মীদের বিশ্বাস, এই এলাকাগুলিতে যদি ভোটের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো যায়, তবে অন্যত্র ঘাটতি পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিজেপির কর্মীরা বিশেষভাবে তাঁদের টার্গেট করছেন, যাঁরা সাধারণত ভোট দিতে আসেন না। বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাঁদের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে, আগেরবার কেন ভোট দেননি তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। কেউ অসুস্থ বা চলাফেরায় অক্ষম হলে ভোটের দিনে হুইলচেয়ার বা অন্যান্য সহায়তার আশ্বাসও দেওয়া হচ্ছে।

এক বিজেপি নেতার কথায়, 'সাধারণত ভবানীপুরে ভোটদানের হার প্রায় ৬০ শতাংশের আশেপাশে থাকে। আমরা যদি সেটাকে ৮০ শতাংশে নিয়ে যেতে পারি, তাহলে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ডে আমরা বড় ব্যবধানে এগিয়ে যেতে পারব, যা তৃণমূলের অগ্রগতি রুখতে সাহায্য করবে।'

অনেক ভোটারই জানিয়েছেন, তাঁরা লোকসভা নির্বাচনে অংশ নিলেও বিধানসভা নির্বাচনে আগ্রহ কম দেখান। সেই প্রবণতা বদলাতেই বিজেপির এই বিশেষ উদ্যোগ।

এই কেন্দ্রে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখোমুখি হচ্ছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। সিপিএম প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন শ্রীজীব বিশ্বাস। ইতিমধ্যেই শুভেন্দু একাধিকবার ভবানীপুর সফর করেছেন, যদিও মমতা এখনও সেখানে প্রচারে নামেননি।

ভবানীপুর কেন্দ্রটি কলকাতা পুরসভার আটটি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত, এবং সবকটিতেই তৃণমূলের কাউন্সিলর রয়েছেন। তবে বিজেপির দাবি, কিছু ওয়ার্ডে তারা ভালো অবস্থানে থাকলেও ৭৭ এবং ৮২ নম্বর ওয়ার্ডে এখনও পিছিয়ে রয়েছে। ৮২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম বর্তমানে কলকাতা বন্দর কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী হিসেবেও প্রচারে ব্যস্ত।

Advertisement

বিজেপির কৌশল অনুযায়ী, কলকাতা পোর্টে শক্ত প্রার্থী দাঁড় করিয়ে ফিরহাদ হাকিমকে সেখানে ব্যস্ত রাখা গেলে ভবানীপুরের কিছু ওয়ার্ডে তারা সুবিধা পেতে পারে। 

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের উপনির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই কেন্দ্র থেকে রেকর্ড ব্যবধানে জয়ী হয়েছিলেন। তবে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ভবানীপুর অংশে তৃণমূলের লিড অনেকটাই কমে যায়, যা এবারের লড়াইকে আরও তীব্র ও অনিশ্চিত করে তুলেছে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement