Advertisement

Suvendu Adhikari: মমতা বলে থাকেন, এবার পাল্টা মমতাকেই 'গদ্দার' বললেন শুভেন্দু, কেন?

এখনও ডিনার বাকি, ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ আর স্ন্যাক্স হয়েছে। SIR সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট প্রকাশ প্রসঙ্গে মন্তব্য শুভেন্দু অধিকারীর। বিজেপি এবার ১৭৭-টি আসন দখল করবে বলে দাবি করেন বিরোধী দলনেতা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সবচেয়ে বড় 'গদ্দার' বলেও দাবি করেন। বুধবার রামনগর বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির মনোনীত প্রার্থী চন্দ্র শেখর মণ্ডলের সমর্থনে কর্মীসভা করেন শুভেন্দু। এরপর পটাশপুরেও একটি সভা করেন।

শুভেন্দু অধিকারী-মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়শুভেন্দু অধিকারী-মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
Aajtak Bangla
  • রামনগর,
  • 25 Mar 2026,
  • अपडेटेड 1:54 PM IST

এখনও ডিনার বাকি, ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ আর স্ন্যাক্স হয়েছে। SIR সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট প্রকাশ প্রসঙ্গে মন্তব্য শুভেন্দু অধিকারীর। বিজেপি এবার ১৭৭-টি আসন দখল করবে বলে দাবি করেন বিরোধী দলনেতা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সবচেয়ে বড় 'গদ্দার' বলেও দাবি করেন। বুধবার রামনগর বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির মনোনীত প্রার্থী চন্দ্র শেখর মণ্ডলের সমর্থনে কর্মীসভা করেন শুভেন্দু। এরপর পটাশপুরেও একটি সভা করেন।

SIR সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট প্রকাশ প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, "ব্রেকফাস্টে ৫৮ লাখের নাম বাদ গেছে, লাঞ্চে গেছে ৬০ লাখের, এখনও ডিনার বাকি, সন্ধেয় লিকার চা আর চিনা বাদামের সঙ্গে ১৪ লক্ষের নাম বাদ গেছে। আরও বাকি ২৮ লক্ষ।" সেইসঙ্গে দাবি করেন, "এবার বিজেপির ভোট ১৭৭-র নীচে নামবে না। গতবার বলেছিলাম নন্দীগ্রামে এসেছিন হারিয়ে পাঠাব, এবারে ভবানীপুরে আপনাকে হারাব।"

মঙ্গলবার ভবানীপুরের রিটার্নিং অফিসারকে সরিয়ে সেই জায়গায় নিয়ে আসা হয় সুরজিৎ রায়কে। তার নিয়োগ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। আপত্তি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনে চিঠি দেয় তৃণমূল। তাঁদের অভিযোগ, নতুন আরও (RO) শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ। এই নিয়ে প্রবল চাপানউতোর মমতা-শুভেন্দুর। 

এ প্রসঙ্গে মমতাকে নিশানা করে শুভেন্দুর দাবি, "কাল বলেছেন আমার নাম না করে, গদ্দারের একজন বিডিওকে ভবানীপুরের আরও (RO) করা হয়েছে। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় গদ্দারের নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে রাজনৈতিক পরিচয় দিয়েছেন রাজীব গান্ধী। তার আগে টিকিট দিয়েছিলেন প্রয়াত সুব্রত মুখোপাধ্যায়। কংগ্রেস ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দিয়েছিল,এরপর ভারতরত্ন অটল বিহারী বাজপেয়ী আশ্রয় দিয়েছিলেন। নইলে আপনার রাজনীতি করা বেরিয়ে যেত। কংগ্রেস তারপর অটলজির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। আর উনি বলেন আমার বলে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছি। নন্দীগ্রামের মানুষের আত্মবলিদানের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। নাহলে দিদি থেকে দিদিমা হয়ে যেতেন।"
 

Read more!
Advertisement
Advertisement