Advertisement

ফের প্রশাসনিক পদে রদবদল, এবার ডেপুটি CEO-কে সরাল নির্বাচন কমিশন

রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের আগে ফের প্রশাসনিক পদে রদবদল। এবার ডেপুটি চিফ ইলেক্টোরাল অফিসারকে সরাল নির্বাচন কমিশন। ওই পদে ছিলেন সুব্রত পাল।

ফাইল ছবি ফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 30 Mar 2026,
  • अपडेटेड 7:47 PM IST
  • রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের আগে ফের প্রশাসনিক পদে রদবদল
  • এবার ডেপুটি চিফ ইলেক্টোরাল অফিসারকে সরাল নির্বাচন কমিশন

রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের আগে ফের প্রশাসনিক পদে রদবদল। এবার ডেপুটি চিফ ইলেক্টোরাল অফিসারকে সরাল নির্বাচন কমিশন। ওই পদে ছিলেন সুব্রত পাল। তাঁকে সেই পদ থেকে সরিয়ে স্বাস্থ্য দফতরে বদলি করা হয়েছে। তাঁর জায়গায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের অতিরিক্ত সচিব পদে থাকা রাহুল নাথকে যুগ্ম  সিইও পদে নিয়োগ করা হয়েছে। 

এছাড়াও ১৯৯৮ ব্যাচের WBCS অফিসার নরেন্দ্রনাথ দত্তকে শ্রম দফতরের অতিরিক্ত সচিব করে পাঠানো হয়েছে। ২০০০ ব্যাচের সুপ্রিয় দাসকে খাদ্য এবং প্রক্রিয়াকরণ ও উদ্যানপালন বিভাগের অতিরিক্ত সচিব করে পাঠানো হয়েছে। ২০০৪ ব্যাচের মিঠু দত্তকে সংখ্যালঘু বিষয়ক এবং মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের যুগ্ম সচিব করে পাঠানো হল।

নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপ ভোটের প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। গত কয়েকদিন ধরেই রাজ্যে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ পদে বদলির নির্দেশ দিয়ে এসেছে কমিশন। যার প্রতিবাদ করেছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। 

এর আগে, ১৮ মার্চ নির্বাচন কমিশন রাজ্যের ১০ জন আইপিএস আধিকারিককে বদলির নির্দেশ দেয়। এদের মধ্যে ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল (ডিআইজি) এবং ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজি) পদমর্যাদার অফিসারদের পাশাপাশি বিধাননগর ও শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনাররাও ছিলেন। 

এরপর ২৫ মার্চ পূর্ব মেদিনীপুর জেলার জেলাশাসক ও জেলা নির্বাচন আধিকারিককে সরিয়ে দেওয়া হয়। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন ২০০৭ ব্যাচের আইএএস অফিসার নিরঞ্জন কুমার। নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়, ভোটের কাজে নিয়োগের জন্য প্রস্তুত করা ডাটাবেসে কিছু চুক্তিভিত্তিক কর্মীর নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এই পদক্ষেপ। 

নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তি

পাশাপাশি, ২৯ মার্চ রাজ্যের ৮৩ জন ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসার (বিডিও)-কেও সরিয়ে দেয় নির্বাচন কমিশন। নন্দীগ্রাম ১ ও ২ নম্বর ব্লকের বিডিও-সহ একাধিক আধিকারিকের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ ওঠায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে সূত্রের খবর।

মালদায় তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগের ভিত্তিতে চারটি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য নিযুক্ত পুলিশ পর্যবেক্ষক জয়ন্ত কান্তকে সরিয়ে দেওয়া হয়। অভিযোগ ছিল, তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে বিহারের বিজেপি নেতাদের ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। তাঁর পরিবর্তে বিহার ক্যাডারের আইপিএস অফিসার হৃদয় কান্তকে নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। 
 

Advertisement
Read more!
Advertisement
Advertisement