Advertisement

Suvendu Adhikari: নন্দীগ্রামের বিডিও ভবানীপুরে, মমতার অভিযোগে শুভেন্দুর খোঁচা ‘হারের আতঙ্ক’

শুভেন্দু বলেন 'মমতা ব্যানার্জির এত ভয় কেন। নিজের বাড়ি নিজের জায়গা। যেখানে তিনি ৪০ বছর ধরে রাজনীতি করছেন বলে গলা বাজিয়ে বলেন। হারের আতঙ্ক থেকে এধরণের কথা বলছেন। ভবানীপুর বিজেপির জায়গা। তথাগত রায় সেখানে লিড দিয়েছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জেনে রাখা উচিত, কাচের ঘরে বসে ঢিল ছোড়া উচিত নয়। মমতা আর চুরি করতে পারবেন না।'

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারী।-কোলাজমমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারী।-কোলাজ
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 24 Mar 2026,
  • अपडेटेड 6:14 PM IST
  • ভোটের আবহে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ভবানীপুর।
  • এই কেন্দ্রে মুখোমুখি লড়াই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারীর।

ভোটের আবহে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ভবানীপুর। এই কেন্দ্রে মুখোমুখি লড়াই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারীর। যেকারণে শুধু রাজ্য নয়, গোটা দেশের নজর এখন এই কেন্দ্রের দিকে।

মঙ্গলবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। তিনি অভিযোগ করেন, কমিশন নিরপেক্ষভাবে কাজ করছে না। নাম না করে শুভেন্দুকে নিশানা করে তিনি বলেন, নন্দীগ্রামের বিডিওকে ভবানীপুরে আনা হয়েছে ‘গদ্দারের নিজের লোক’ বলেই।

পাশাপাশি, একাধিক প্রশাসনিক আধিকারিকের বদলি নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর দাবি, সম্প্রতি ৭৩ জন রিটার্নিং অফিসার বদল করা হয়েছে। এর আগে মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, ডিজি-সহ বহু আইএএস ও আইপিএস অফিসারকে রাজ্যের বাইরে পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে, এই অভিযোগের পাল্টা জবাব দিতে দেরি করেননি শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপি দফতরে সাংবাদিক সম্মেলন করে তিনি বলেন, 'প্রত্যেকটা আরও বা ইত্যাদি যা চেঞ্জ হয়েছে, তাদের মধ্যে ৮০ শতাংশই মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে নির্দেশে কাজ করেছেন। এমন আরও-দের নাম আমি বলে দিতে পারি, যারা মমতার বিভিন্ন মন্ত্রীর পিএস হিসেবে কাজ করেছেন।'

শুভেন্দু আরও বলেন 'মমতা ব্যানার্জির এত ভয় কেন। নিজের বাড়ি নিজের জায়গা। যেখানে তিনি ৪০ বছর ধরে রাজনীতি করছেন বলে গলা বাজিয়ে বলেন। হারের আতঙ্ক থেকে এধরণের কথা বলছেন। ভবানীপুর বিজেপির জায়গা। তথাগত রায় সেখানে লিড দিয়েছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জেনে রাখা উচিত, কাচের ঘরে বসে ঢিল ছোড়া উচিত নয়। মমতা আর চুরি করতে পারবেন না।'

সব মিলিয়ে, ভবানীপুরে রাজনৈতিক তরজা ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। ভোট যত এগোচ্ছে, ততই বাড়ছে পারস্পরিক আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণের মাত্রা।
 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement