Advertisement

Suvendu Adhikari: বাংলায় BJP কীভাবে ২২০ আসন পাবে? উত্তর মালদার অঙ্ক দিয়ে বোঝালেন শুভেন্দু

বিধানসভায় ২২০ আসন কীভাবে? চাঁচলের সভায় ছক কষে দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। উত্তর মালদাকেই 'আদর্শ' হিসাবে তুলে ধরলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। শুক্রবার বিজেপি মালদা উত্তর সাংগঠনিক জেলার ডাকে ‘পরিবর্তন সংকল্প সভা’ ছিল চাঁচলে। 

শুক্রবারের সভায় শুভেন্দু অধিকারী।শুক্রবারের সভায় শুভেন্দু অধিকারী।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 02 Jan 2026,
  • अपडेटेड 4:17 PM IST
  • বিধানসভায় ২২০ আসন কীভাবে? চাঁচলের সভায় ছক কষে দিলেন শুভেন্দু অধিকারী।
  • উত্তর মালদাকেই 'আদর্শ' হিসাবে তুলে ধরলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।
  • শুক্রবার বিজেপি মালদা উত্তর সাংগঠনিক জেলার ডাকে ‘পরিবর্তন সংকল্প সভা’ ছিল চাঁচলে।

বিধানসভায় ২২০ আসন কীভাবে? চাঁচলের সভায় ছক কষে দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। উত্তর মালদাকেই 'আদর্শ' হিসাবে তুলে ধরলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। শুক্রবার বিজেপি মালদা উত্তর সাংগঠনিক জেলার ডাকে ‘পরিবর্তন সংকল্প সভা’ ছিল চাঁচলে। সেখান থেকেই ভোটের অঙ্ক কষলেন তিনি। এদিন শুভেন্দুর বক্তব্যে বারবার উঠে আসে উত্তর মালদার প্রসঙ্গ। তিনি বলেন, এই রাজ্যে দু’টি জায়গায় সবচেয়ে বড় জোট হয়েছে হিন্দুদের। একটি উত্তর মালদা। তাঁর দাবি, সেখানে ৮৫ শতাংশ হিন্দু পদ্মফুলে ভোট দিয়েছে। সেই উদাহরণ টেনেই তিনি বলেন, 'গোটা রাজ্যে যদি উত্তর মালদাকে দেখে সনাতনীরা একটু এগিয়ে আসেন, তা হলে বিজেপি শুধু ২০০ নয়, ২২০টি আসনে জিতবে।'

চাঁচলের সভায় শুভেন্দু অধিকারী।

শুভেন্দু আরও বলেন, 'আর একটি জায়গায় হিন্দু ভোট একজোট হয়েছিল ২০২১ সালে। নন্দীগ্রামে।' তাঁর দাবি, সেই বছর ৬৫ শতাংশ হিন্দু এক হয়েছিল। তাতে তিনি প্রায় ২,০০০ ভোটে জিতেছিলেন। '২০২৪ সালে নন্দীগ্রামে হিন্দু ভোট হয় ৭২ শতাংশ। সেই নির্বাচনে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ১,২০০ ভোটে লিড পান,' বলেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, 'আর ৩ মাস পরের ভোটে ওখানেও উত্তর মালদার মতো ৮৫ শতাংশ হিন্দু পদ্মফুলে ভোট দেবে। বিজেপি যাকে দাঁড় করাবে, তিনি ২০ হাজার ভোটে জিতবেন।'

তবে পরিসংখ্যান বলছে, বাস্তব ছবি এতটা সহজ নয়। ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটের ফলাফল থেকে মোড় ঘোরানে বেশ কঠিন চ্যালেঞ্জ। সেবার নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছিল ২১৩টি আসন। বিজেপি জিতেছিল ৭৭টি। তৃণমূলের ভোট শতাংশ ছিল ৪৭.৯৪। বিজেপির ভোট শতাংশ ছিল ৩৮.১৩। জোটের দিকে গিয়েছিল ৮.৬ শতাংশ ভোট।

অর্থাৎ, তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে প্রায় ১০ শতাংশ ভোটের ফারাক রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ফারাকের পিছনে একাধিক কারণ রয়েছে। প্রথমত, মুসলিম ভোট না পাওয়া। তার উপর দক্ষিণবঙ্গে খারাপ ফল। বুথ ধরে রাখতে না পারা। সব মিলিয়ে ২০২৬ এর লড়াই বিজেপির জন্য সহজ হবে না।

এই ১০ শতাংশ ফারাক মিটবে কীভাবে? সেই প্রশ্নও উঠছে। বিজেপির দাবি, আসলে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে ভোটের পার্থক্য মাত্র ৩ থেকে ৪ শতাংশ। সেই ফারাক মিটে যাবে SIR-এর মাধ্যমে। এদিনের সভাতেও SIR নিয়ে মুখ খোলেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, ভুয়ো ভোটার রাখতেই তৃণমূল SIR এর বিরোধিতা করে এসেছে। ফলে এই ভোটারের নাম বাদ গেলেই এই ব্যবধান কমবে বলে দাবি গেরুয়া শিবিরের। তাতে বিজেপি এগিয়ে যেতে পারে বলেই তাদের বক্তব্য।

Advertisement

তবে পরিস্থিতি যা-ই হোক, ১০ শতাংশের ব্যবধান পূরণ করা বিজেপির পক্ষে আপাতত বড় চ্যালেঞ্জ। বর্তমানে বিজেপিকে অনেকেই উত্তরবঙ্গের দল বলেই দেখছেন। কারণ তাদের অধিকাংশ আসন এসেছে উত্তরবঙ্গ থেকে। ২০২১ সালেও বিজেপি উত্তরবঙ্গেই বেশি আসন জেতে। দক্ষিণবঙ্গে ফল খারাপ। সেখানে ভোট শতাংশও কম। বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্ধমান, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর ২৪ পরগনা, কলকাতা, নদিয়া, বীরভূম থেকে উল্লেখযোগ্য ভোট না পেলে জয় পাওয়া কঠিন।

Read more!
Advertisement
Advertisement