Advertisement

Suvendu Adhikari: 'মমতা কো হারানা জরুরি হ্যায়,' মোদীর নির্দেশেই ভবানীপুরে লড়ছেন শুভেন্দু

'মোদীজি নির্দেশ দিয়েছেন, তুমকো লড়না পড়েগা দোনো স্থান সে। মমতা কো হারানা জরুরি হ্যায়।' খোদ প্রধানমন্ত্রীর 'অ্যাসাইনমেন্ট নিয়েই এবার রণক্ষেত্রে অবতীর্ণ হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।

খোদ প্রধানমন্ত্রীর 'অ্যাসাইনমেন্ট নিয়েই এবার রণক্ষেত্রে অবতীর্ণ হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।খোদ প্রধানমন্ত্রীর 'অ্যাসাইনমেন্ট নিয়েই এবার রণক্ষেত্রে অবতীর্ণ হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 19 Mar 2026,
  • अपडेटेड 3:01 PM IST
  • প্রধানমন্ত্রীর 'অ্যাসাইনমেন্ট নিয়েই এবার রণক্ষেত্রে অবতীর্ণ হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।
  • বৃহস্পতিবার ভবানীপুরে নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে এমনটাই বললেন। 
  • এদিন বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ ভবানীপুর থানায় পৌঁছে যান শুভেন্দু।

'মোদীজি নির্দেশ দিয়েছেন, তুমকো লড়না পড়েগা দোনো স্থান সে। মমতা কো হারানা জরুরি হ্যায়।' খোদ প্রধানমন্ত্রীর 'অ্যাসাইনমেন্ট নিয়েই এবার রণক্ষেত্রে অবতীর্ণ হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার ভবানীপুরে নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে এমনটাই বললেন। নন্দীগ্রামের পর এবার খাস কলকাতায় মুখ্যমন্ত্রীকে পরাস্ত করাই তাঁর লক্ষ্য, তাওস্পষ্ট করে দিলেন। তাঁর  কথায়, 'পার্টির নির্দেশ দিয়েছে, মোদীজি আশীর্বাদ দিয়েছেন, তাই আমি দাঁড়িয়েছি। অতএব কোনও ইস্যু নেই। আমি জিতবই। প্রধানমন্ত্রী তারপর আমাকে বলে দেবেন কী করতে হবে।'

ভবানীপুর থানায় শুভেন্দু 
এদিন বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ ভবানীপুর থানায় পৌঁছে যান শুভেন্দু। সঙ্গে ছিলেন বিজেপি নেতা তাপস রায়ও। বেশ কিছুক্ষণ থানার আধিকারিকদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠকের পর বেরিয়ে আসেন। সরাসরি পুলিশি 'অতিসক্রিয়তা' নিয়ে তোপ দেগে তিনি বলেন, 'আমি বলে গেলাম, এগুলো করবেন না। পুলিশের অপব্যবহার করবেন না। আমার কাছে সব রেকর্ড আছে।'

শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি, 'আমি এখানে প্রার্থী। আমি স্বাধীনভাবে চলাফেরা করব। যেখানে পুলিশ বাধা দেবে, সেখানেই গাড়ি ঘুরিয়ে থানায় এসে ধরনায় বসব। এখানে ফ্রি মুভমেন্ট হবে, ফ্রি পলিটিক্স হবে। ওনারা ওনার কথা বলবেন, আমি আমার কথা বলব। শেষ পর্যন্ত জনতা যা গ্রহণ করবে, সেটাই ফাইনাল।'

'মুক্তির অপেক্ষায় ভবানীপুর'
এদিন সকালে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অলিগলিতে নির্বাচনী প্রচার সারেন বিজেপি প্রার্থী। প্রচারের ফাঁকে সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ শোনেন। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তাঁর দাবি, 'এখানকার মানুষ মুক্তি চায়। বাজার-দোকানদার থেকে সাধারণ মানুষ; সবাই আমাকে বলছেন যে ওঁর (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) এবং ওঁর পরিবারের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন তাঁরা। মানুষ চাইছেন বাঁচতে, আর তাঁদের বাঁচাতেই আমি এসেছি।'

নিজের জয়ের ব্যবধান নিয়েও অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী শুভেন্দু। তাঁর দাবি, কোনও চ্যালেঞ্জ নেই। অন্তত ২৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে তিনি জিতবেন। নন্দীগ্রামের স্মৃতি উসকে দিয়ে শুভেন্দু বলেন, 'ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বনাম শুভেন্দু অধিকারী হওয়ার পর নন্দীগ্রামে যে প্রার্থী দেওয়া হয়েছে, তাতে সেখানেও জয় নিশ্চিত। আর এই আসনে (ভবানীপুর) আমি মুখ্যমন্ত্রীকে দ্বিতীয়বার হারাব।'

Advertisement

ভবানীপুরে মমতা বনাম শুভেন্দুর এই দ্বৈরথ শেষ পর্যন্ত কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে গোটা বাংলা।

Read more!
Advertisement
Advertisement