Advertisement

Suvendu Adhikari: ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে প্রার্থী শুভেন্দুই, একুশের মতো ছাব্বিশেও হাইভোল্টেজ লড়াই

আজ অর্থাত্‍ সোমবার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বিজেপি। একাধিক চমক রয়েছে প্রার্থী তালিকায়। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভবানীপুর আসনে শুভেন্দু অধিকারী দাঁড়াবেন। সেই শুভেন্দু, যিনি ২০২১ সালে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১৯৫৬ ভোটে হারিয়েছিলেন। শুভেন্দু যে ভবানীপুরে প্রার্থী হতে পারেন, তার একাধিক ইঙ্গিত আগে থেকেই মিলছিল।

শুভেন্দু অধিকারী বনাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়শুভেন্দু অধিকারী বনাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 16 Mar 2026,
  • अपडेटेड 5:35 PM IST

২০২১ সালেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বনাম শুভেন্দু অধিকারী। ২০২৬ সালেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বনাম শুভেন্দু অধিকারী। দুই ভোটে ট্যুইস্ট হল, এ বারের বিধানসভা ভোটে নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুরেও দাঁড়াচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু যে ভবানীপুরেও দাঁড়াবেন, তা আগেই জানিয়েছিল bangla..ajtak.in। 

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভবানীপুর আসনে শুভেন্দু অধিকারী দাঁড়াবেন

আজ অর্থাত্‍ সোমবার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বিজেপি। একাধিক চমক রয়েছে প্রার্থী তালিকায়। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভবানীপুর আসনে শুভেন্দু অধিকারী দাঁড়াবেন। সেই শুভেন্দু, যিনি ২০২১ সালে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১৯৫৬ ভোটে হারিয়েছিলেন। শুভেন্দু যে ভবানীপুরে প্রার্থী হতে পারেন, তার একাধিক ইঙ্গিত আগে থেকেই মিলছিল। কারণ, শুভেন্দু নিজেই বারবার হুঁশিয়ারি দিচ্ছিলেন,'নন্দীগ্রামে হারিয়েছি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ভবানীপুরেও হারাব।'

বস্তুত, ২০২১ সালে শুভেন্দু অধিকারীর আসনে প্রার্থী হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিজের আসন ভবানীপুর ছেড়ে নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়েছিলেন। শুভেন্দুও এবার মমতার আসনে লড়ছেন। তবে নিজের আসন ছেড়ে নয়। নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর, দুটি আসনেই তিনি লড়ছেন। এতে একটি বিষয় স্পষ্ট, ভবানীপুরে যদি তিনি কোনও ভাবে জিতে যান, তাহলে বিজেপি-র অন্যতম জায়ান্ট কিলার হয়ে যাবেন। এমনকী যদি বিজেপি ক্ষমতায় আসে, তাহলে মুখ্যমন্ত্রী পদের জোরাল মুখ হয়ে উঠবেন তিনি। আবার যদি হেরে যান, তাহলেও বিজেপি যদি প্রধান বিরোধী দল থাকে, তাহলেও শুভেন্দুর বিধানসভায় জায়গা পাকা। কারণ, নন্দীগ্রাম শুভেন্দুর গড় হিসেবেই পরিচিত।

শুভেন্দু কী বলেছিলেন প্রার্থী হওয়া নিয়ে?

শুভেন্দু যে ভবানীপুরে দাঁড়াবেন, তা আগেই বোঝা গিয়েছিল। রবিবার শুভেন্দুকে এই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, 'আমার ভাবার কিছু নেই। ভারতীয় জনতা পার্টিতে ব্যক্তিগতভাবে কিছু হয় না। এটা পিসি-ভাইপোর পার্টি নয়। এখানে ব্যক্তির সিদ্ধান্ত হয় না। এখানে সমষ্টিগত সিদ্ধান্ত হয়। ভারতীয় জনতা পার্টি আমায় না লড়ালেও ঠিক আছে, লড়তে দিলেও ঠিক আছে। আর আমাকে জিজ্ঞেস করলে বলব, আমি নন্দীগ্রামেই লড়ব। তারপর বিজেপি যদি বলে এটা করতে হবে, ওটা করতে হবে, তাই হবে। নন্দীগ্রামের সঙ্গে আমার আত্মিক সম্পর্ক। আমাকে যদি লড়তেই হয় তাহলে নন্দীগ্রাম রেখেই আমি অন্য কিছু ভাবতে পারি।'

Advertisement

'নন্দীগ্রামে হারিয়েছি, এবার ভবানীপুরেও হারাব'

কিন্তু ভবানীপুরকে যে তিনি টার্গেট করেছেন, তা আগেই ইঙ্গিত মিলেছিল। ভবানীপুর ভোটে কড়া টক্কর দিতে বিশেষ ওয়াররুম গড়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। এই অফিস থেকে গোটা বিধানসভার ভোট পরিচালনার কাজকর্ম চলছে। কলকাতা পুরসভার ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের ৮/১বি চক্রবেড়িয়া রোডের (দক্ষিণ) একটি বাড়ির নীচের তলায় তৈরি করা হয়েছে এই ওয়ার রুম। ৭০ নম্বর ওয়ার্ডেই কেন ওয়াররুম? এখানেও নেপথ্যে গেরুয়া ভোটব্যাঙ্ক। এই ৭০ নম্বর ওয়ার্ডে গতবার সবচেয়ে বেশি লিড ছিল বিজেপির। একাধিক জনসভা থেকে শুরু করে সংবাদমাধ্যম, শুভেন্দু বলছেন, 'নন্দীগ্রামে হারিয়েছি, এবার ভবানীপুরেও হারাব। ২০ হাজার ভোটে হারিয়ে ওঁকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী করব।'  

ভবানীপুরে প্রার্থী ঠিক হওয়ার আগে থেকেই দেওয়ালে পদ্মফুল এঁকে প্রচার শুরু করে দিয়েছিল বিজেপি। শুভেন্দু অধিকারীর প্রার্থী হওয়া নিয়ে সুকান্ত মজুমদারের বলেছিলেন, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি ভবানীপুর কেন্দ্রের ভোটে দাঁড়ান, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে কে প্রার্থী হবে দলই ঠিক করবে। দল যদি মনে করে শুভেন্দুদা এখানে যোগ্য প্রার্থী, তাহলে তিনিই দাঁডাবেন।' 

Read more!
Advertisement
Advertisement