Advertisement

শহুরে ভোটে খারাপ ফল TMC-র, কাউন্সিলররা টিকিট পাবেন প্রার্থীর চিঠির ভিত্তিতে?

সূত্রে জানা যাচ্ছে, বিধানসভা ভোটে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডে দলীয় প্রার্থী কতটা এগিয়ে থাকছেন, তার সঙ্গে কাউন্সিলারদের ভূমিকা সরাসরি বিচার করা হবে। কে কতটা সময় প্রচারে দিচ্ছেন, কীভাবে সংগঠনকে সক্রিয় রাখছেন, সবকিছুই নজরে রাখা হচ্ছে।

মমতা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।-ফাইল ছবিমমতা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।-ফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 31 Mar 2026,
  • अपडेटेड 11:29 AM IST
  • ভোটের ময়দানে কাউন্সিলারদের সক্রিয়তা কতটা, তার ওপর কড়া নজর রাখছে তৃণমূল নেতৃত্ব।
  • স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে, দলের পরিচয়ই সবার আগে, পদ নয়।

ভোটের ময়দানে কাউন্সিলারদের সক্রিয়তা কতটা, তার ওপর কড়া নজর রাখছে তৃণমূল নেতৃত্ব। স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে, দলের পরিচয়ই সবার আগে, পদ নয়। ফলে মেয়র বা কাউন্সিলার, যেই হোন না কেন, বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়া বাধ্যতামূলক। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দু’জনেই জানিয়ে দিয়েছেন, প্রত্যেকের কাজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক কয়েকটি নির্বাচনে শহরাঞ্চলে তৃণমূলের ফল আশানুরূপ না হওয়ায় এই কড়া অবস্থান। কলকাতা-সহ একাধিক পুরসভায় ফল খারাপ হওয়ায় এবার কাউন্সিলারদের জনসংযোগ বাড়ানোর উপর জোর দিচ্ছে দল।

উল্লেখ্য, বরানগরে কর্মিসভা থেকে মন্ত্রী ব্রাত্য বসু স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন, গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মেনে নেওয়া হবে না এবং বিধানসভা ভোটের ফলের ভিত্তিতেই ভবিষ্যৎ পুরভোটের টিকিট নির্ধারণ হবে। দক্ষিণ দমদমের কয়েকটি ওয়ার্ডে কর্মিসভায় তিনি কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান এবং বুথভিত্তিক ফলাফলের রিপোর্ট কার্ড তৈরির কথা বলেন। 

ব্রাত্যর সতর্কবার্তা, ‘২০২৭ সালের পুরভোটের টিকিট দেওয়ার আগে রিপোর্ট কার্ড তৈরি করা হবে। প্রতিটি বুথে কী রেজাল্ট হয়েছে,  তা দেখে দলনেত্রীকে চিঠি লিখব। চিঠিতে জানাব, ২০২৭-এ এখান থেকে কাকে কাকে পুরপ্রতিনিধি করা যেতে পারে।’

সূত্রে জানা যাচ্ছে, বিধানসভা ভোটে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডে দলীয় প্রার্থী কতটা এগিয়ে থাকছেন, তার সঙ্গে কাউন্সিলারদের ভূমিকা সরাসরি বিচার করা হবে। কে কতটা সময় প্রচারে দিচ্ছেন, কীভাবে সংগঠনকে সক্রিয় রাখছেন, সবকিছুই নজরে রাখা হচ্ছে।

একই সঙ্গে সতর্কবার্তা, দলীয় প্রার্থী নিয়ে আপত্তি তুলে প্রচার এড়ালে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শহরের মানুষের আস্থা পুনরুদ্ধার করাই এখন তৃণমূলের প্রধান লক্ষ্য। যারা ভালো ফল এনে দিতে পারবেন, ভবিষ্যতে তারাই দলের কাছ থেকে বাড়তি গুরুত্ব পাবেন বলেও স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।

 

TAGS:
Read more!
Advertisement
Advertisement