
আজ রাজ্যে জমজমাট রবিবাসরীয় প্রচার। তৃণমূল বনাম বিজেপির প্রচার-যুদ্ধ তুঙ্গে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা রয়েছে। অন্যদিকে আজ শিলিগুড়িতে জনসভা করবেন মোদী। তৃণমূলনেত্রী মমতা তিনটি প্রচারসভা করবেন। তাঁর কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে বাঁকুড়ার ছাতনা ও ওন্দায় দু’টি জনসভা। এ ছাড়া দুর্গাপুর পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রেও একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা করার কথা রয়েছে তাঁর। অন্য দিকে, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক দু’টি জনসভায় অংশ নেবেন। তিনি পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ময়না এবং পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশবপুরে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগীও আজ বাংলায় ভোটপ্রচার করবেন।
শিলিগুড়ির সভা থেকে মোদী ডাক দিলেন, "পদ্ম ফোটাও। বাংলা থেকে অনুপ্রবেশ তাড়াও।" তিনি বলেন, "উত্তরবঙ্গে অনুপ্রবেশ এখন না থামালে, বড় সমস্যা হয়ে যাবে।"
উত্তরবঙ্গের সভা থেকে মহিলা ক্রিকেটার রিচা ঘোষের প্রশংসা করলেন PM নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, "রিচা লম্বা লম্বা ৬ হাঁকায়। এটা সত্যিই অভূতপূর্ব।"
TMC সরকার চা বাগান নষ্ট করছে। অথচ পাশের রাজ্য অসমে চা বাগানের উন্নতি হচ্ছে, উত্তরবঙ্গে এসে এমনটাই দাবি করলেন নরেন্দ্র মোদী।
এদিন নরেন্দ্র মোদী বলেন, "দেশে টুকরে টুকরে গ্যাং হ্যায়, এই গ্যাং নর্থ ইস্টকে দেশ থেকে আলাদা করার হুমকি দিয়েছে। TMC এই লোকেদের রাস্তা ও সংসদে সমর্থন করে। ভোটব্যাঙ্কের জন্য তৃণমূল এই লোকেদের সাহায্য করে। কিন্তু শিলিগুড়ি করিডোর সুরক্ষা ও সমৃদ্ধির করিডোর এই করিডোর সুরক্ষিত করতে কাজ করছে কেন্দ্র।"
উত্তরবঙ্গে বিস্ফোরক দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, "TMC অ্যান্টি নর্থ বেঙ্গল পার্টি, TMC চা বাগান বিরোধী পার্টি, TMC আদিবাসী বিরোধী পার্টি।"
TMC উত্তরবঙ্গের পরিকাঠামোকে জেনে বুঝে অবহেলা করেছে। ট্যুরিজম থেকে শুরু করে শিল্প- সব খাতেই উত্তরবঙ্গকে অবহেলা করা হয়েছে। কেন্দ্র সরকার টাকা পাঠিয়েছে, কিন্তু রাজ্য কাজ করেনি, এমনটাই অভিযোগ করলেন নরেন্দ্র মোদী।
১৪০ কোটি দেশবাসী, বাংলার প্রতিটি নাগরিক আমাকে এত আশীর্বাদ দিচ্ছে। আমিও প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, আমি আপনাদের জন্য নিজেকে বিকিয়ে দেব। আপনাদের জন্য লড়াই করব, শিলিগুড়ি থেকে এমনটাই দাবি করলেন নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, আজ শিলিগুড়ির ভিড় TMC-র ঘুম উড়িয়ে দেবে।
PM মোদী শিলিগুড়িতে সভা শুরুর আগে নিজেই সামলালেন 'বিশৃঙ্খলা'। কয়েকজন অত্যুৎসাহী দর্শক মঞ্চের সামনেই দাঁড়িয়ে ছিলেন। তাঁদের সামান্য সরে যেতে অনুরোধ করেন নমো। তিনি বলেন, "আপনারা আমাকে ভালোবাসেন।"
রবিবাসরীয় বাংলায় ফের নির্বাচনী প্রচারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বেলা ১টার সময় শিলিগুড়ির কাওয়াখালি মাঠের মঞ্চে এসে পৌঁছলেন তিনি।
মমতার অভিযোগ, 'মেয়েদের গায়ে হাত দেওয়া হচ্ছে। নাকা চেকিং এর নামে। মেয়েদের ব্যাগ খুলে চেক করছে, লজ্জা করে না। কাঞ্চন মল্লিকের বউকে হ্যারাস করা হয়েছে চেক করার নামে। মেয়েদের ব্যাগ খুলে সব টেনে বের করে অসম্মান করছে।'
মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, 'আজকে আমার মিটিং-এর পার্মিশন দিচ্ছিল না। মোদীর সভার পারমিশন দিতে পারো অল্প সময়ে। আর মাঠ খালি থাকলেও তোমরা আমার মিটিং-এর পারমিশন দাওনা। কেন? তোমাদের নতুন করে এখানে কাজে আনা হয়েছে বলে?'
যারা পাননি তাঁদের যুবসাথী দেওয়া হবে, চাকরিও মিলবে সরকারের তরফে, বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আলুচাষিদের জন্য ক্রপ ইনসিওরেন্স করেছি। আলু নষ্ট হলে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়। কৃষকবন্ধু ১০ হাজার টাকা পান। যার এক একর জমি আছে। এ বার থেকে ক্ষেতমজুরদেরও বছরে চার হাজার টাকা দেওয়া হবে।
আমার মিটিংয়ে পারমিশন দিচ্ছিল না, বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তুমি যা যা কঠোর আইন করেছ, সব বদলে দেব, বদলা নেব। গণতন্ত্রে ভোটের মাধ্যমে।
বাংলায় ২কোটি লোকের চাকরি হয়েছে। ৪০ শতাংশ বেকারি কমেছে। খন্ডঘোষের লোদনা ফুটবল গ্রাউন্ডের জনসভায় বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
খণ্ডঘোষে মমতা: 'বলছে এখানে নাকি চাকরি হয় না। তাহলে ডিফেন্সে, রেলে এত শূন্যপদ, সেখানে কেন লোক নিচ্ছ না?'
অন্ডাল বিমানবন্দরে নামলেন যোগী আদিত্যনাথ। একাধিক জনসভায় ভাষণ দেবেন। শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে রোড শোও করবেন।
পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোটের প্রচারে রবিবার রাজ্যে আসছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। বাঁকুড়ার সোনামুখী, পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দকুমার এবং কাথিঁতে জনসভা রয়েছে যোগীর।
তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক দু’টি জনসভায় অংশ নেবেন। তিনি পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ময়না এবং পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশবপুরে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে ভাষণ দেবেন।
তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তিনটি প্রচারসভা করবেন। তাঁর কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে বাঁকুড়ার ছাতনা ও ওন্দায় দু’টি জনসভা। এ ছাড়া দুর্গাপুর পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রেও একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা করার কথা রয়েছে তাঁর।