Advertisement

BJP ক্ষমতায় এলে বিহারের মতো বাংলাতে প্রকাশ্যে মাছ, মাংস বিক্রি বন্ধ হবে?

প্রকাশ্যে মাছ, মাংস বিক্রি বন্ধ করেছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। আর সেই খবর সামনে আসার পরই উত্তপ্ত হয়েছে বঙ্গ রাজনীতি। এই ইস্যুকে সামনে রেখে পশ্চিমবঙ্গ বিজেপিকে আক্রমণ করতে ছাড়েনি শাসক দল তৃণমূল। বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলে যে পশ্চিমবঙ্গেও মাছ, মাংস খাওয়ার চল বন্ধ হয়ে যাবে, এমনটাই দাবি করা হচ্ছে TMC-এর পক্ষ থেকে। 

বাংলায় বিজেপি এলে মাছ, মাংস বিক্রি বন্ধ হবে?বাংলায় বিজেপি এলে মাছ, মাংস বিক্রি বন্ধ হবে?
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 04 Mar 2026,
  • अपडेटेड 3:08 PM IST
  • প্রকাশ্যে মাছ, মাংস বিক্রি বন্ধ করেছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার
  • সেই খবর সামনে আসার পরই উত্তপ্ত হয়েছে বঙ্গ রাজনীতি
  • এই ইস্যুকে সামনে রেখে পশ্চিমবঙ্গ বিজেপিকে আক্রমণ করতে ছাড়েনি শাসক দল তৃণমূল

প্রকাশ্যে মাছ, মাংস বিক্রি বন্ধ করেছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। আর সেই খবর সামনে আসার পরই উত্তপ্ত হয়েছে বঙ্গ রাজনীতি। এই ইস্যুকে সামনে রেখে পশ্চিমবঙ্গ বিজেপিকে আক্রমণ করতে ছাড়েনি শাসক দল তৃণমূল। বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলে যে পশ্চিমবঙ্গেও মাছ, মাংস খাওয়ার চল বন্ধ হয়ে যাবে, এমনটাই দাবি করা হচ্ছে TMC-এর পক্ষ থেকে। 

মাথায় রাখতে হবে, বিহারে নীতীশের সঙ্গে জোট করে সরকার গড়েছে বিজেপি। আর সেই কারণেই মাছ, মাংস প্রকাশ্যে বিক্রির দায় গেরুয়া বাহিনীর দিকে ঠেলতে ব্যস্ত হয়েছে রাজ্যের শাসক দল। এই ইস্যুতে তারা সরাসরি বিজেপির দিকে তোপ দাগছে। 

আর শুধু সাধারণ নেতা কর্মীরা নন, দলের সর্বোচ্চ স্তর থেকেই বিজেপিকে 'বাংলা বিরোধী', মাছ-মাংস বিরোধী দল বলে দাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। 

এই যেমন ইতিমধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক এবং সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও বিজেপিকে এই ইস্যুতে আক্রমণ করতে ছাড়েননি। 

তিনি প্রকাশ্য জনসভায় বলেন, 'বিহারের বিজেপি উপমুখ্যমন্ত্রী বলছেন, মাছ-মাংস খাওয়া যাবে না। আপনাদের এলাকা দিয়ে যখন এরা পরিবর্তন যাত্রা করবে, তখন একটু মাছ-মাংস-ডিম রান্না করে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে। না খেলে না খাবেন।' পাশাপাশি তাঁর আরও বক্তব্য, 'বাংলায় কে মাছ-মাংস খাবে তা বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী ঠিক করে দেবেন? এ শুধু ভোট চাওয়া নয়, ভোটের পর মানুষ কী খাবে তাও ঠিক করে দিচ্ছে সেই রাজনৈতিক দল। গণতন্ত্রে এটা কখনও মেনে নেওয়া যায় না।'

উড়িয়ে দিয়েছে বিজেপি
যদিও তৃণমূলের এই ন্যারেটিভকে প্রথম থেকেই উড়িয়ে দিয়েছে বিজেপি। বঙ্গ বিজেপির একাধিক বাঘা বাঘা নেতা বাংলায় মাছ, মাংস খাওয়ার সংস্কৃতির পক্ষে সওয়াল করেছেন। 

এই যখন হাওড়া-কামাক্ষা বন্দে ভারত স্লিপারে খাবারের তালিকায় আমিষ ছিল না, তখন সরব হয়েছিলেন স্বয়ং রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, 'বাঙালি মাছ, মাংস খাবে না এটা হতে পারে।' আর তাঁর বক্তব্যের পর কিছুদিনের মধ্যেই সেই ট্রেনে আমিষ মেন্যু জুড়ে যায়। তবে সেই সময়ও বিজেপিকে 'মাছ-মাংস বিরোধী' বলে দাগিয়ে দেওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করেনি তৃণমূল।

Advertisement

আর সেই ধারা ধরেই আবার মাছ-মাংস ইস্যুকেই হাতিয়ার করছে বিজেপি। যদিও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই দাবিকেও উড়িয়ে দিয়েছেন বিজেপি নেতা রাজর্ষি লাহিড়ি। তিনি আমাদের বলেন, 'বিজেপি এমন কাজ করবে না। বরং তৃণমূলের লোকজনই মাছ, মাংস বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে। এই তো তৃণমূলের এক কাউন্সিলর নবদ্বীপে মাছ-মাংস বিক্রি বন্ধের নিদান দেন। এমন আরও হাজার উদাহরণ রয়েছে।'

এখানেই শেষ না করে তাঁর আরও প্রশ্ন, 'অভিষেক নিজে কতগুলো মাছের নাম শুনেছে? ও ধুতি পরতে জানে? কিছুই জানে না। ওর কাছ থেকে বাঙালি অস্মিতা শিখতে হবে না।'

পাশাপাশি তাঁর পরামর্শ, 'অভিষেক নিজের কেন্দ্রের উন্নয়নে নজর দিক। মহেশতলা, বজবজে নজর দিক।'

সেই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, তৃণমূল ইচ্ছাকৃতভাবে মাছ-মাংসের ইস্যুকে হাতিয়ার করতে চাইছে। তাতে কোনও লাভ হবে না। বাঙালি জানা যে বিজেপি ক্ষমতায় এলেও মাছ-মাংস অনায়াসে খাওয়া যাবে।

 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement