প্রথম স্থানে অম্বানির সম্পত্তির অঙ্ক দাঁড়িয়েছে ১০৪.৬ বিলিয়ন ডলার। ব্যবসার দুনিয়ায় প্রযুক্তি, পেট্রোকেমিক্যাল, রিটেল ও টেলিকম। সব ক্ষেত্রেই রিলায়েন্সের বৃদ্ধি তাঁকে অনন্য উচ্চতায় বসিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী দিনেও তাঁর সম্পত্তি বাড়ার সম্ভাবনা প্রবল।
দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন আদানি গ্রুপের কর্ণধার গৌতম আদানি। তালিকা অনুযায়ী, তাঁর সম্পদের পরিমাণ ৬২.৩ বিলিয়ন ডলার। গ্রুপের একাধিক কোম্পানি শেয়ারবাজারে ভাল পারফরম্যান্স করায় আদানির অবস্থান স্থিতিশীল রয়েছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
তৃতীয় স্থানে রয়েছেন দেশের সবচেয়ে ধনী মহিলা সাবিত্রী জিন্দাল। তাঁর মোট সম্পদ ৩৬.৪ বিলিয়ন ডলার। ২০০৫ সাল থেকে ও.পি. জিন্দাল গ্রুপ পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই শিল্পজগতে তাঁর প্রভাব দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। মহিলা শিল্পোদ্যোগীদের মধ্যে তিনিই ভারতের সবচেয়ে শক্তিশালী মুখ।
চতুর্থ স্থানে থাকা শিব নাদার বর্তমানে শুধু প্রযুক্তি ক্ষেত্রেই নয়, দান-ধ্যানে নাম করেছেন সবচেয়ে বেশি। হুরুন ইন্ডিয়া ফিলানথ্রপি লিস্ট ২০২৫ অনুযায়ী, গত বছর তিনি ₹২,৭০৮ কোটি দান করেছেন। তাঁর মোট সম্পদ ৩৫.৮ বিলিয়ন ডলার হিসেবে তালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে।
শীর্ষ দশে আরও রয়েছেন দিলীপ সাংঘভি (২৫.৫), লক্ষ্মী মিত্তল (২৪.২), কুমার মঙ্গলম বিড়লা (২১.১), সাইরাস পুনাওয়ালা (২০.২), রাধাকিশন দামানি (১৫.৫) এবং ব্যাঙ্কার উদয় কোঠারি (১৪.৮)। এই তালিকা থেকে স্পষ্ট, দীর্ঘ সময় ধরে ভারতের ধনীদের শীর্ষস্থানে অম্বানিৃআদানি যুগলই আধিপত্য বজায় রেখেছেন।
ভারতের সার্বিক অর্থনীতির বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বিলিয়নিয়ারের সংখ্যাও বেড়ে চলেছে। বিনিয়োগ, প্রযুক্তি উন্নয়ন, উৎপাদন বৃদ্ধি ও বৈশ্বিক বাজারে ভারতীয় কোম্পানিগুলির অবস্থান মজবুত হওয়ায় আগামী দিনে এই তালিকায় আরও নাম যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা বিশেষজ্ঞরা উড়িয়ে দিচ্ছেন না।