Advertisement

দেশ

Rammandir Gold: রামমন্দিরের দানের গয়না গলিয়ে সোনার বিস্কুট? সন্দেহ SIT-র

Aajtak Bangla
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 04 Jul 2026,
  • Updated 1:57 PM IST
  • 1/10

অযোধ্যার রামমন্দিরে দান কেলেঙ্কারির তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে নতুন নতুন তথ্য। তদন্তকারী বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT)-এর সন্দেহ, মন্দির থেকে চুরি হওয়া মূল্যবান গয়নাগুলি গলিয়ে সোনার বিস্কুট তৈরি করা হয়ে থাকতে পারে। তদন্তে উঠে আসা এই সম্ভাবনাকে ঘিরেই এখন জোর তৎপরতা শুরু হয়েছে।

  • 2/10

তদন্তকারী সংস্থার অনুমান, চুরি হওয়া গয়নাগুলির পরিচয় মুছে ফেলতেই সেগুলি গলিয়ে সোনার বিস্কুটে পরিণত করা হয়ে থাকতে পারে। কারণ, অভিযুক্তদের বিভিন্ন ঠিকানায় তল্লাশি চালিয়েও এখনও পর্যন্ত চুরি যাওয়া গয়নাগুলি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

  • 3/10

গয়নাগুলির কোনও হদিস না মেলায় SIT-এর সন্দেহ আরও জোরালো হয়েছে। তদন্তকারীদের ধারণা, প্রমাণ লোপাট করা এবং সহজে সোনা বিক্রি করার উদ্দেশ্যেই এমন পরিকল্পনা করা হয়ে থাকতে পারে। এদিকে, রামললার দর্শন সেরে তদন্তকারী আধিকারিকেরা দায়িত্বপ্রাপ্ত কেডি বাবুর সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন। গয়না, দানের মূল্যবান সামগ্রী এবং সেগুলির সংরক্ষণ ব্যবস্থা নিয়েও বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

  • 4/10

তদন্তকারী দল গয়নার নথিপত্রের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থা প্রিন্টিং অ্যান্ড মিন্টিং কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া (মিন্ট)-র সঙ্গে হওয়া সমস্ত লেনদেনের নথিও তলব করেছে। ব্যাঙ্ক এবং মিন্টে পাঠানো সোনা-রুপোর সম্পূর্ণ হিসাবও চাওয়া হয়েছে।

  • 5/10

তদন্তে মন্দির ট্রাস্টের কাজের ধরন নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে। জানা গিয়েছে, শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট-এর প্রতি তিন মাস অন্তর হওয়া বৈঠকে নগদ দান এবং আয়ের হিসাব নিয়মিত পেশ করা হলেও, মূল্যবান ধাতুর বিস্তারিত তথ্য সব সময় আলোচনার অংশ ছিল না।

  • 6/10

ভক্তদের দেওয়া সোনা, রুপো এবং অন্যান্য মূল্যবান রত্নের পরিমাণ, মূল্যায়ন এবং মজুতের পূর্ণাঙ্গ হিসাব নিয়মিতভাবে রাখা হত না বলেই তদন্তে জানা গিয়েছে। SIT-এর মতে, এই ফাঁকফোকরই কাজে লাগিয়ে থাকতে পারেন অভিযুক্তরা।

  • 7/10

তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, ভক্তদের দেওয়া সোনা-রুপোর বিশুদ্ধতা এবং পরিমাণ নির্ধারণের জন্য ট্রাস্ট প্রথম পর্যায়ে ৯.৪৪ কুইন্টাল (৯৪৪ কেজি) রুপো পরীক্ষার জন্য এবং গলানোর উদ্দেশ্যে কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থা মিন্টে পাঠিয়েছিল।

  • 8/10

এর আগে ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রায় জানিয়েছিলেন, রামমন্দিরে দান হিসেবে প্রায় ১৩ কুইন্টাল রুপো এবং ২০ কেজি সোনা জমা পড়েছে। এখন SIT সেই হিসাবের সঙ্গে মিন্টের নথি মিলিয়ে দেখছে। এর মাধ্যমে কত পরিমাণ সোনা বা গয়না নিখোঁজ হয়েছে এবং সেগুলি গলিয়ে সোনার বিস্কুট তৈরির অভিযোগে কতটা সত্যতা রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

  • 9/10

এই বিতর্কের মধ্যেই রামমন্দিরের দান গণনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করা হয়েছে। স্বচ্ছতা বাড়াতে কাউন্টিং হলে কর্মীদের প্রবেশের আগে কঠোর নিরাপত্তা এবং ডাবল চেকিং চালু করা হয়েছে।

  • 10/10

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কাউন্টিং হলে কর্মীদের  পকেটহীন গাঢ় নীল রঙের পোশাক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। প্রবেশের আগে প্রত্যেককে দু'দফা নিরাপত্তা পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে। পাশাপাশি, টেবিল-চেয়ারে নয়, মাটিতে বসেই দানের অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী গণনার কাজ করা হবে।

Advertisement
Advertisement