Advertisement

দেশ

Zojila Tunnel: জয় হিন্দ! বিশ্বের দীর্ঘতম টানেল সড়ক গড়ল ভারত, জোজিলা জুড়ছে কাশ্মীর-লাদাখ

Aajtak Bangla
Aajtak Bangla
  • শ্রীনগর,
  • 09 Jun 2026,
  • Updated 5:47 PM IST
  • 1/9

কাশ্মীর ও লাদাখের মধ্যে বছরভর যোগাযোগ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নির্মীয়মাণ জোজিলা টানেল প্রকল্পে বড় সাফল্য এল। আজ অর্থাত্‍ মঙ্গলবার টানেলের ভিতরে শেষ ২.৫ মিটার পাথরের অংশ বিস্ফোরণের মাধ্যমে সরিয়ে দেওয়া হল। এই টানেল নির্মাণে বড় সাফল্য। 
 

  • 2/9

এর ফলে টানেলের দুই প্রান্ত প্রথমবারের মতো একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হল। এই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের সূচনা করেন কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রী নিতিন গড়করি। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জম্ম-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ এবং মনোজ সিনহা।
 

  • 3/9

১৩.১৫৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এই টানেলটি বালতাল ও মিনামার্গকে যুক্ত করবে। বর্তমানে জোজিলা পাস প্রতি বছর প্রায় ৬ মাস তুষারপাতের কারণে বন্ধ থাকে। ফলে শীতকালে কাশ্মীর ও লাদাখের মধ্যে সড়ক যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। টানেলটি চালু হলে সেই সমস্যা অনেকটাই দূর হবে। সাধারণ মানুষ, পর্যটক এবং সেনাবাহিনী, সকলের জন্যই এটি হবে বড় স্বস্তির খবর।
 

  • 4/9

সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১১,৫৭৮ ফুট উচ্চতায় নির্মিত এই টানেল বিশ্বের দীর্ঘতম দ্বিমুখী একক-টিউব সড়ক টানেল হিসেবে স্বীকৃতি পেতে চলেছে। এটি ৩০.৮৯৪ কিলোমিটার দীর্ঘ জোজিলা প্রকল্পের মূল অংশ, যার মধ্যে রয়েছে একাধিক রাস্তা, সেতু এবং সংযোগকারী পরিকাঠামো।
 

  • 5/9

২০২০ সালের অক্টোবর মাসে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। অত্যন্ত প্রতিকূল আবহাওয়া, হিমালয়ের ভঙ্গুর ভূতাত্ত্বিক গঠন, মাইনাস ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং তুষারধসের মতো নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেই কাজ এগিয়েছে। একবার তুষারধসে প্রায় ১৭০ জন শ্রমিক আটকে পড়লেও পরে তাঁদের নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।

  • 6/9

প্রকল্পে ব্যবহার করা হয়েছে নিউ অস্ট্রিয়ান টানেলিং মেথড (NATM)। এই পদ্ধতিতে ধাপে ধাপে পাথর কেটে এগোনোর পাশাপাশি সঙ্গে সঙ্গে টানেলের দেওয়ালকে শক্তিশালী করা হয়। মঙ্গলবারের বিস্ফোরণের মাধ্যমে টানেলের দুই প্রান্তের সংযোগ সম্পূর্ণ হয়।

  • 7/9

তবে এখনও অনেক কাজ বাকি। প্রকল্পের মোট কাজের প্রায় ৬৮.৫৫ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। টানেলের চূড়ান্ত লাইনিং, জরুরি নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং সংযোগকারী রাস্তার কাজ শেষ করতে আরও সময় লাগবে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, ২০২৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে সাধারণ মানুষের জন্য টানেলটি খুলে দেওয়ার লক্ষ্য রাখা হয়েছে। যদিও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গডকরি ইঙ্গিত দিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে।

  • 8/9

প্রায় ৬,৮০৮.৬৯ কোটি টাকার এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে মেঘা ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড। গডকরির মতে, এই টানেল ভবিষ্যতে কাশ্মীর, লাদাখ ও লেহ অঞ্চলের অর্থনীতি, পর্যটন এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অন্যতম প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠবে। তাঁর দাবি, প্রকল্পে কর্মরত শ্রমিকদের প্রায় ৮০ শতাংশই স্থানীয় বাসিন্দা, ফলে কর্মসংস্থানও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
 

  • 9/9

মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাও এই সাফল্যকে ঐতিহাসিক বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁর মতে, জোজিলা টানেল চালু হলে শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থাই উন্নত হবে না, পর্যটন, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং স্থানীয় অর্থনীতিতেও নতুন গতি আসবে। 

Advertisement
Advertisement