
কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন লোকসভায় ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করছেন। টানা নবম বাজেট এবং বিজেপি-নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারের তৃতীয় মেয়াদের তৃতীয় বাজেট। এর আগে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষের বাজেট নথির অনুমোদন দেয়। এই বাজেট এমন এক সময়ে পেশ করা হচ্ছে, যখন বিশ্ব অর্থনীতি নানা অনিশ্চয়তার মুখে। নানা টালমাটাল পরিস্থিতি। বিশেষ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভারতীয় রফতানির ওপর ট্যারিফ আরোপের সিদ্ধান্ত বিশ্বে অস্থিরতা আরও বাড়িয়েছে। অর্থমন্ত্রী তাঁর হাতে বোনা গোলাপি রঙের কাঞ্চীপুরম সিল্ক শাড়ি দিয়ে নজর কাড়েন। এই শাড়ির মাধ্যমে তিনি তামিলনাড়ুর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সম্মান জানান। এটি একটি কাট্টম কাঞ্চীপুরম শাড়ি, যেখানে হালকা সোনালি-বাদামি চেকের নকশা রয়েছে এবং কফি-বাদামি রঙের বর্ডারে সূক্ষ্ম সুতোয় কাজ করা হয়েছে। ২০১৯ সালে তাঁর প্রথম বাজেটেই তিনি বাজেট নথি বহনের জন্য প্রচলিত চামড়ার ব্রিফকেসের বদলে লাল কাপড়ে মোড়া ঐতিহ্যবাহী বহি খাতা চালু করেছিলেন। চলতি বছরেও বাজেট সম্পূর্ণ কাগজবিহীন (পেপারলেস) ভাবে পেশ করা হয়েছে।
বাজেট ২০২৬-২০২৭-এর ভূয়সী প্রশংসা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি জানান, এই বাজেটে শিল্পখাতে জোর দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, কেন্দ্রীয় বাজেটে 'সানরাইস' সেক্টরকে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। সানরাইজ সেক্টরের অর্থ সেই খাতগুলি, যেগুলি ধীরে ধীরে ব্যবসার খাতে উন্নতি করছে।
রবিবার বাজেটে ভারতীয় প্রতিরক্ষা খাতে বিরাট অঙ্কের অর্থ বরাদ্দ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। গতবারের তুলনায় বাজেট বাড়ল প্রতিরক্ষা খাতে। ২০২৫-২৬ সালের বাজেটে প্রতিরক্ষা খাতের জন্য অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছিল ৬.৮১ লক্ষ কোটি টাকা। ২০২৬-২৭ কেন্দ্রীয় বাজেটে সেই বরাদ্দ বেড়ে হল ৭.৮৫ লক্ষ কোটি টাকা। অর্থাৎ ১ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি বেড়েছে বরাদ্দের পরিমাণ। অঙ্কের বিচারে যা কিনা ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি।
বাজেটে মহিলা ক্ষমতায়নে জোর দেওয়া হল। লাখপতি দিদি স্কিমকে আরও শক্তিশালী করার কথা ঘোষণা করলেন নির্মলা সীতারামন। একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, কমিউনিটি পরিচালিত শি-মার্ট সম্প্রসারণ করা হবে। অর্থাৎ আরও বেশি সংখ্যক মহিলাকে লাখপতি করার উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। আরও পড়ুন
জামা-কাপড়, চামড়ার জিনিসপত্র, সিন্থেটিক ফুটওয়্যার, চামড়ার পণ্য, ক্যান্সার এবং ডায়াবেটিসের ১৭টি ওষুধ শুল্কমুক্ত, লিথিয়াম-আয়ন সেল, মোবাইল ব্যাটারি, সৌর গ্লাস,
মিশ্র গ্যাস (সিএনজি), ইভি, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, বিদেশ ভ্রমণ হবে সস্তা।
কী দামি হবে?
এছাড়াও, যেসব ক্ষেত্রে কাস্টম শুল্ক বৃদ্ধি করা হয়েছে, অর্থাৎ সেই জিনিসপত্রের দাম আরও বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে মদ, স্ক্র্যাপ এবং খনিজ পদার্থ।
কেন্দ্রীয় বাজেটে বিদেশি নাগরিক, NRI ও প্রযুক্তি সংস্থাগুলির জন্য একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কর সংক্রান্ত প্রস্তাবের কথা জানানো হল। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য, ভারতে টানা পাঁচ বছর পর্যন্ত বসবাসকারী বিদেশি নাগরিকদের ক্ষেত্রে ভারতের বাইরে অর্জিত আয়ের ওপর কোনও কর ধার্য করা হবে না। এছাড়া, প্রিভেন্টিভ ভিত্তিতে কর পরিশোধকারী NRI-দের জন্য ন্যূনতম বিকল্প কর (MAT) থেকে ছাড় দেওয়ার প্রস্তাব বিবেচনাধীন রয়েছে, যা তাঁদের জন্য বড় স্বস্তি আনতে পারে। উৎপাদন খাতকে উৎসাহ দিতে সরকার টোল নির্মাণ বা অবকাঠামো প্রকল্পে ব্যবহৃত ক্যাপিটাল গুডস সরবরাহকারীদের কর ছাড় দেওয়ার প্রস্তাব করেছে। ইলেকট্রনিক্স উৎপাদন খাতে স্থিতিশীলতা ও কর সংক্রান্ত নিশ্চয়তা দিতে ইলেকট্রনিক নির্মাতাদের জন্য ২ শতাংশ মুনাফার হারে ‘সেফ হারবার’ সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। ভারতীয় সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ডেটা সেন্টার সংক্রান্ত কোম্পানিগুলির জন্য ১৫ শতাংশ সেফ হারবার হার প্রস্তাব করা হয়েছে।
বাজেট ২০২৬-এ ৩টি সর্বভারতীয় আয়ুর্বেদ ইনস্টিটিউট স্থাপন করার ঘোষণা করলেন নির্মলা সীতারামন। পাশাপাশি আয়ুষ ফার্মেসিগুলি নিয়েও ঘোষণা রয়েছে বাজেটে। ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা ব্যবস্থার পরিকাঠামো শক্তিশালী করার লক্ষ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। আরও পড়ুন
পূর্ব ভারতের পাঁচটি রাজ্যে পাঁচটি পর্যটন কেন্দ্র তৈরির ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। ৪,০০০টি ইলেকট্রিক বাসের প্রস্তাব দিয়েছেন।
পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা যাতে ভিডিও, পডকাস্ট এবং গ্রাফিক্সের মতো ডিজিটাল মিডিয়া কন্টেন্ট তৈরিতেও দক্ষ হয়ে ওঠে, ক্যামেরা, সফটওয়্যার-সহ নানা প্রযুক্তির সাহায্য পড়ুয়ারা যাতে সৃজনশীল কাজ করতে পারে, তার প্রাথমিক পাঠ দিতেই স্কুলে কন্টেন্ট ক্রিয়েশন ল্যাব চালু করার পরিকল্পনা সরকারের। বাজেটে বড় ঘোষণা করলেন নির্মলা সীতারামন।
আয়করের স্তরে কোনও রকম বদল এই বাজেটে ঘোষণা করা হল না। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জানালেন, নতুন আয়কর আইন ২০২৬ সালের ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে। তবে তিনি স্পষ্ট করে দিলেন, বর্তমানে আয়কর হারে কোনও পরিবর্তন করা হয়নি। নতুন আইনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নিয়মাবলি ও আয়কর রিটার্ন (ITR) ফর্ম খুব শিগগিরই বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করা হবে। অর্থমন্ত্রী আরও ঘোষণা, পথদুর্ঘটনায় ক্ষতিপূরণ ট্রাইবুনাল (Motor Accident Claims Tribunal) কর্তৃক প্রদত্ত যে কোনও সুদের অর্থ আয়কর ও টিডিএস,উভয় থেকেই সম্পূর্ণ অব্যাহতি পাবে। এই সিদ্ধান্তে দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও তাঁদের পরিবার আর্থিক স্বস্তি পাবেন।
কেন্দ্রীয় সরকার আয়কর আইনের আওতায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের প্রস্তাব করল বাজেটে। এর মধ্যে অন্যতম হল,Books of Accounts পেশ করতে ব্যর্থ হলে সেই অপরাধকে ফৌজদারি অপরাধের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া, অর্থাৎ এ বিষয়ে অপরাধমুক্ত করার প্রস্তাব। একই সঙ্গে আয়কর আইনের অধীনে মামলার কাঠামোকে যুক্তিসংগত ও সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যাতে অপ্রয়োজনীয় আইনি জটিলতা কমে এবং করদাতারা স্বস্তি পান। করদাতাদের জন্য আরও বড় স্বস্তি হিসেবে মোট কর দাবির ক্ষেত্রে ন্যূনতম পরিশোধের হার ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। অ্যাসেসমেন্ট ও পেনাল্টি সংক্রান্ত কার্যক্রমকে একত্রিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যাতে পুরো কর নির্ধারণ প্রক্রিয়া আরও দ্রুত ও কার্যকর হয়।
কেন্দ্রীয় বাজেটে আয়কর ব্যবস্থায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের ঘোষণা করা হল। নতুন আয়কর আইন (New Income Tax Act) ২০২৬ সালের ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে। এই আইনের অধীনে প্রয়োজনীয় নতুন আয়কর ফর্ম খুব শিগগিরই বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করা হবে বলে জানালেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। ছোট করদাতাদের সুবিধার জন্য সরকার বিশেষ একটি প্রকল্প (স্কিম) চালুর প্রস্তাব দিয়েছে, যার লক্ষ্য কর পরিশোধ প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও স্বচ্ছ করা। এছাড়া, মানবসম্পদ পরিষেবা (Manpower services)-কে টিডিএস (Tax Deducted at Source)-এর আওতায় আনার প্রস্তাব করা হয়েছে, যাতে কর সংগ্রহ আরও কার্যকর হয়। বিদেশে অর্থ পাঠানোর ক্ষেত্রে বড় স্বস্তির খবর, লিবারালাইজড রেমিট্যান্স স্কিম (LRS)-এর আওতায় শিক্ষা ও চিকিৎসা সংক্রান্ত খরচের জন্য টিসিএস (TCS) হার কমিয়ে ২ শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
ITR-1, ITR-2-র অধীনে আয়কর রিটার্ন করতে পারবেন। আয়কর রিটার্নের সময়সীমা বেড়ে হল ৩১ জুলাই। নতুন আয়কর আইন (New Income Tax Act) ২০২৬ সালের ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে।
প্রত্যক্ষ করের ক্ষেত্রে, নতুন আয়কর অধিনিয়মে ঘোষণা করেছিলাম, ১৯৬১ সালের আইনে আমরা সংশোধন করেছি। প্রত্যক্ষ করে যে সরলীকরণ করা হয়েছে, তা আমরা খুব শীঘ্রই ঘোষণা করব। যাতে সাধারণ মানুষ সহজেই বুঝতে পারেন।
বাজেটে বাংলার জন্য আরও এক বড় ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। দুর্গাপুরে শিল্প করিডর গড়ে তোলার প্রস্তাবের কথা ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী।
নির্মলা জানালেন, শিক্ষা থেকে কর্মসংস্থানে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন স্থায়ী কমিটি গঠনের পরিকল্পনা করছে সরকার। এই কমিটি পরিষেবা ক্ষেত্রের বৃদ্ধির সম্ভাবনাকে সর্বোত্তম করার জন্য ক্ষেত্রগুলিকে অগ্রাধিকার দেবে এবং পরিষেবা খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো নতুন প্রযুক্তির প্রভাব পর্যালোচনা করবে।
ভারতের বাইরে বসবাসকারী ব্যক্তিদের পোর্টফোলিয়ো বিনিয়োগ প্রকল্পের মাধ্যমে ইকুইটিতে বিনিয়োগ করার অনুমতি দেওয়া হবে। ব্যক্তিগত সীমা ৫% থেকে বাড়িয়ে ১০% করার প্রস্তাব করা হয়েছে, যেখানে এই ধরনের সমস্ত বিনিয়োগকারীদের জন্য সম্মিলিত সীমা ১০% থেকে বাড়িয়ে ২৪% করার প্রস্তাব করা হয়েছে। জানালেন নির্মলা।
রাঁচি এবং তেজপুরে তৈরি হবে মানসিক স্বাস্থ্যের চিকিৎসা ইনস্টিটিউট। বাজেটে ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন।
গ্রামের দিকে পশুপালনে আরও গুরুত্ব দেওয়া হবে। সেজন্য সরকার ভর্তুকি দেবে। যাতে পশুপালন ও পোল্ট্রি থেকে বেশি উৎপাদন হয়, সেজন্য বিশেষ সেক্টরল তৈরি করা হবে- জানালেন নির্মলা
প্রতিটি জেলায় একটি করে মেয়েদের হস্টেল গড়ে তোলার ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। ভেটেরিনারি কলেজগুলির জন্য ঋণ-সংযুক্ত মূলধনী ভর্তুকি (Loan-linked capital subsidy) প্রকল্প চালু করা হবে। আগামী পাঁচ বছরে ১০টি ভিন্ন ক্ষেত্রে ১ লক্ষ অ্যালাইড হেলথ প্রফেশনাল (AHP) তৈরি করা হবে। এর মধ্যে অপটোমেট্রি, রেডিওলজি, অ্যানাস্থেশিয়া প্রভৃতি শাখা অন্তর্ভুক্ত। বয়স্কদের (Geriatric care) জন্য এবং NSQF-সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আওতায় ১.৫ লক্ষ কেয়ার গিভার তৈরি করা হবে। দেশের সমস্ত আধ্যাত্মিক ও ঐতিহ্যবাহী গুরুত্বপূর্ণ স্থান ডকুমেন্টেশন করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
নির্মলা জানালেন, তিনটে ‘অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ আয়ুর্বেদ’ তৈরি হবে দেশে। সারা দেশে ১৬ হাজার নতুন সেকেন্ডারি স্কুল তৈরি হবে। প্রতি জেলায় একটি করে মহিলাদের হস্টেল তৈরি করা হবে।
আমাদের সরকার ৫ রাজ্যকে বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করতে সাহায্য করবে। ন্যাশনাল ইনস্টিটউট হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের- জানালেন নির্মলা
ডানকুনি থেকে সুরাটের মধ্যে ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর তৈরির প্রস্তাব। ওড়িশা থেকে তালচের, কলিঙ্গনগর থেকে পারাদ্বীপ পর্যন্ত জলপথে বাণিজ্যে জোর। এই সব জলপথে কাজের জন্য কর্মী সংখ্যা বাড়াতে ট্রেনিং সেন্টার তৈরি করা হবে।
সিল্ক, উল ও জুটের জন্য ন্যাশনাল ফাইবার স্কিম আনার প্রস্তাব দেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। ন্যাশনাল হ্যান্ডলুম ও হ্যান্ডিক্রাফ্ট প্রোগ্রামে পোশাক শিল্পীদের সাহায্যের প্রস্তাব। মেগা টেক্সটাইল পাথ তৈরি হবে। খাদি ও হ্যান্ডলুমের জন্য গান্ধীজির নামাঙ্কিত স্কিম হবে। বস্ত্রশিল্পে দেশীয় উৎপাদ জোর দেওয়া হবে।
বেনারস থেকে বাংলার মধ্যে হাইস্পিড রেল করিডোরের ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। বেনারস থেকে শিলিগুড়ি পর্যন্ত এই হাইস্পিড রেল করিডোর তৈরি করা হবে। এছাড়াও, অপর একটি হাইস্পিড রেল করিডোর তৈরি করা হবে দিল্লি-বেনারস রুটেও। তিনি জানা, দেশজুড়ে মোট ৭টি হাইস্পিড রেল করিডোর তৈরি করা হবে। সেগুলি কোন কোন রুট? পড়ুন এখানে ক্লিক করে।
কাঠামোগত সংস্কারের গতি বজায় রাখা, শক্তিশালী এবং স্থিতিশীল আর্থিক সেক্টর গঠন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)-সহ অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে বাড়তি বিনিয়োগ।
বাজেটে বাংলার জন্য বড় ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। ডানকুনিতে তৈরি হবে পণ্য পরিবহণের বিশেষ ফ্রেট করিডর। একই রকম করিডর তৈরি হবে গুজরাতের সুরতেও। সাতটি হাইস্পিড রেল করিডরও তৈরি হবে।
সিল্ক, উল ও জুটের জন্য ন্যাশনাল ফাইবার স্কিম আনার প্রস্তাব। ন্যাশনাল হ্যান্ডলুম ও হ্যান্ডিক্রাফ্ট প্রোগ্রামে পোশাক শিল্পীদের সাহায্যের প্রস্তাব। মেগা টেক্সটাইল পাথ তৈরি হবে। টেকনিক্যাস টেক্সটাইলে জোর। খাদি ও হ্যান্ডলুমের জন্য গান্ধীজির নামাঙ্কিত স্কিম। বস্ত্রশিল্পে দেশীয় উৎপাদনে নজর বাজেটে।
ডানকুনিতে তৈরি হবে পণ্য পরিবহণের বিশেষ করিডর। এছাড়াও বারাণসী থেকে শিলিগুড়ির মধ্যে তৈরি হবে হাইস্পিড রেল করিডর।
২০২৬–২৭ অর্থবর্ষে (FY27) মূলধনী ব্যয় (ক্যাপেক্স) বাড়িয়ে ১২.২ লক্ষ কোটি টাকা করা হয়েছে বলে জানালেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। দেশের পরিকাঠামো উন্নয়ন ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার ত্বরান্বিত করতেই এই বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন নিজের বাজেট বক্তৃতায় ১০,০০০ কোটি টাকার এসএমই গ্রোথ ফান্ড ঘোষণা করেছেন। সরকার টেক্সটাইল সেক্টরকেও উৎসাহিত করবে। এছাড়াও ৫০০,০০০ এর বেশি জনসংখ্যার শহরগুলিতে অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হবে।
২০২৬ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট: অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জানালেন, বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হওয়ার পথে ভারত। আর সেই উদ্যোগে সাধারণ মানুষের সহযোগিতার জন্য সরকার কৃতজ্ঞ। অর্থনৈতিক বৃদ্ধি বাড়ানো, সাসটেনিবিলিটি বজায় রাখা, মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ এবং কারিগরি দক্ষতা গড়ে তোলাই সরকারের প্রধান কর্তব্য হিসেবে তুলে ধরেন। 'সবকা সাথ, সবকা বিকাশ'-এর নীতি অনুযায়ী কর্মসংস্থান সৃষ্টি, এমএসএমই খাতকে শক্তিশালী করা এবং বায়োফার্মা-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে বাজেটে।
ভারতের ‘সেমিকন্ডাক্টর মিশন ২.০’ সেমিকন্ডাক্টরের জন্য শিল্প-নেতৃত্বাধীন গবেষণা এবং প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলিতে মনোনিবেশ করবে। জানালেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। সেমিকন্ডাক্টর মিশনের গতিকে পুঁজি করে ব্যয় করা হবে ৪০,০০০ কোটি টাকা। বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃত্রিম মেধা বা এআইয়ের ব্যবহার বাড়ানো হবে।
বস্ত্রশিল্পে বিশেষ নজর দেওয়ার কথা জানালেন নির্মলা সীতারামন। খাদি বস্ত্রের ব্যবসা বৃদ্ধির জন্য মহাত্মা গান্ধী গ্রাম স্বরাজ প্রকল্প চালু করার ঘোষণা কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী।
বাজেটে অর্থমন্ত্রী ১০,০০০ কোটি টাকার SME গ্রোথ ফান্ড ঘোষণা করেছেন। সরকার টেক্সটাইল সেক্টরকেও উৎসাহিত করবে। সরকার ৫,০০,০০০ এরও বেশি জনসংখ্যার শহরগুলিতে পরিকাঠামোগত উন্নয়ন করবে।
ওড়িশা, কেরল, অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ুতে বিরল ধাতুর হাব তৈরি হবে। খনিতে জোর দেওয়ার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে বলে জানালেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, "আমরা সুদূরপ্রসারী কাঠামোগত সংস্কার, আর্থিক বিচক্ষণতা এবং আর্থিক স্থিতিশীলতা অনুসরণ করেছি। পাশাপাশি জনসাধারণের বিনিয়োগের উপর জোর দিয়েছি। স্বনির্ভরতাকে আমাদের পথপ্রদর্শক নীতি হিসেবে রেখে, দেশীয় উৎপাদন ক্ষমতা জোরদার করা হয়েছে, জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ আমদানির উপর নির্ভরতা কমানো হয়েছে। আমরা নিশ্চিত করেছি যে প্রতিটি সরকারি উদ্যোগের সুবিধা সাধারণ নাগরিকের কাছে পৌঁছাবে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কৃষি উৎপাদনশীলতা, দেশীয় ক্রয়ক্ষমতা এবং পরিষেবাগুলি উন্নত করার জন্য সংস্কার করা হয়েছে। এই পদক্ষেপগুলির ফলে প্রায় ৭ শতাংশ বৃদ্ধি ঘটেছে।
ভারতকে বায়ো ফার্মার হাবে পরিণত করতে তৈরি হবে ‘বায়োফার্মা শক্তি’ প্রকল্প, বরাদ্দ ১০ হাজার কোটি। জানালেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী।
বায়ো ফার্মা গবেষণার জন্য তিনটি প্রতিষ্ঠান তৈরি হবে। সেমি কনডাক্টর সেক্টরে নজর মোদী সরকারের। তৈরি হবে রিসার্চ ও ট্রেনিং সেন্টার। রেয়ার আর্থ করিডর তৈরির প্রস্তাব ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, কেরলে।
সংসদে নির্মলা সীতারামন বলেন, নতুন প্রযুক্তি উৎপাদন ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ খনিজ চাহিদা বৃদ্ধি করেছে, এক্ষেত্রে ভারতকে বিশ্ব বাজারের সঙ্গে জুড়তে হবে। এক্ষেত্রে ভারত নিজেদের আত্মবিশ্বাসী পদক্ষেপ গ্রহণ অব্যাহত রাখবে। আমদানি নির্ভরতা অনেকাংশে কমিয়ে আনা হয়েছে।
বাজেট ২০২৬-২৭-এর ঘোষণায় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন বলেন, "ওড়িশা, কেরল, অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ুতে বিরল ধাতুর হাব তৈরি করা হবে। খনিতে জোর দেওয়ার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।"
স্থিতি এসেছে অর্থনীতিতে, কমেছে আমদানি, বেড়েছে কৃষি উৎপাদন এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা- বললেন নির্মলা
নির্মলা সীতারামন জানালেন, সরকারের লক্ষ্য হল, দেশের দেশীয় উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি করা এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এই সরকার জনতুষ্টিবাদের পরিবর্তে জনগণকে অগ্রাধিকার দিয়েছে, বক্তৃতার বদলে বাস্তব সংস্কারকে বেছে নিয়েছে এবং দ্বিধার জায়গায় দৃঢ় ও সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ভারতের অগ্রগতির পথ চিহ্নিত হচ্ছে নিরবচ্ছিন্ন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও নিয়ন্ত্রিত মুদ্রাস্ফীতির মাধ্যমে। নীতিগত সিদ্ধান্তের ফলে দেশে শক্তিশালী সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) উন্নয়নের গতি বহুগুণ বাড়াতে সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করতে পারে। সঞ্চয়কে উৎপাদনমুখী বিনিয়োগে রূপান্তর করার জন্য একটি শক্তিশালী আর্থিক খাত গড়ে তোলা জরুরি। পাশাপাশি গঠনমূলক সংস্কারের গতি বজায় রাখা অত্যন্ত প্রয়োজন। উন্নয়নের তিনস্তরীয় কৌশল সফল করতে হলে একটি সহায়ক ও অনুকূল পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। এই বাজেটের তৃতীয় ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হল, অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখা। জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করাই সরকারের প্রধান কর্তব্য। অস্থির ও অনিশ্চিত বৈশ্বিক পরিস্থিতির মধ্যে অর্থনীতিকে আরও শক্তপোক্ত ও সহনশীল করে তোলার দিকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
আমাদের মনোযোগ জৈব-ঔষধের উপর থাকবে। আমরা ১০,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করছি। তিনটি প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা হবে। বর্তমানে আমাদের সাতটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেগুলো আরও সম্প্রসারিত করা হবে।
ওড়িশা, তামিলনাড়ুর মতো রাজ্যে খনন হবে। রাসায়নিক উত্তোলণের কাজ হব। যাতে স্বনির্ভর হওয়া যায় - অর্থমন্ত্রী
বর্তমানে ভারত বিকাশ, সংস্কার ও স্থিতিশীলতার পথে। রবিবার সংসদে বাজেট বক্তৃতার শুরুতেই একথা বললেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তিনি বলেন, দেশের উৎপাদন খাত শক্তিশালী হয়েছে। জ্বালানির খাতে সিকিউরিটি জোরদার করা হয়েছে। সরকার জনপ্রিয়তার তুলনায় সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করছে। সরকার বাগাড়ম্বরপূর্ণ কথার চেয়ে সংস্কারকে বেছে নিয়েছে। কোনও দ্বিধা না রেখে মোদী সরকার সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে।
অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন বলেন, 'আমাদের প্রথম কর্তব্য হলো অর্থনীতির দ্রুত বৃদ্ধি করা। এই অস্থির বৈশ্বিক পরিবেশে আমাদের স্থিতিশীল থাকতে হবে। বাজেটের মাধ্যমে প্রতিটি দরিদ্র মানুষের উপকার হওয়া উচিত। সংস্কারের এই ধারা দ্রুত এগিয়ে চলেছে এবং এর গতি বজায় রাখবে। কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যগুলির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে।'
কৃষক, তফশিলি, দরিদ্র, মহিলাদের জন্য বাজেট পেশ করাই লক্ষ্য। আমাদের লক্ষ্য প্রতিটি পরিবারের আয় বৃদ্ধি করা। জিএসটি থেকে শুরু করে লেবার কোড, শতাধিক সংস্কারের কাজ হয়েছে : অর্থমন্ত্রী।
নির্মলার কথায়, 'আমাদের সরকার ব্যাপক সংস্কার করেছে। এসবই বিকাশকে বাড়ানোর জন্য করা হয়েছে। একাধিক সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আমরা সংস্কার এক্সপ্রেসে সওয়ারি হয়েছি। এই এক্সপ্রেস নিজের গতি বাড়াচ্ছে। আমাদের প্রথম কর্তব্য, আর্থিক বৃদ্ধি বজায় রাখা।'
আমাদের প্রথম কর্তব্য হল আর্থিক বিকাশ ঠিক রাখা। সেজন্য ছটা বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। MSME সেক্টরের জন্য নীতি তৈরি, আর্থিক স্থিতাবস্থার পরিকাঠামো তৈরি সেজন্য গুরুত্বপূর্ণ - নির্মলা
অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন বলেন, আমাদের সরকার গত ১২ বছর ধরে বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য কাজ করে যাচ্ছে।
আমাদের প্রথম কর্তব্য হল আর্থিক বিকাশ। যাতে সাধারণ মানুষের আকাঙ্খা পূর্ণ হয় ও সবার বিকাশ সম্ভব হয়। আমাদের বিকাশ যাতে অব্যাহত থাকে সেদিকে নজর থাকবে- নির্মলা
২০২৬-’২৭ অর্থবর্ষের বাজেট পেশ করতে শুরু করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। নির্মলা বলেন, ‘‘আমরা এখন অনেক কম আমদানি নির্ভর। কৃষি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে। মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে।’’
আমাদের সরকারের আমলে আমরর মধ্যবিত্ত ও গরিব মানুষের জীবনের মান উন্নত করার চেষ্টা করেছি। আমাদের পরিকল্পনা এমন হওয়া দরকার যেখানে বিশ্বের বাজারে ভারত তাদের জায়গা করে নিতে পারে- নির্মলা সীতারামন
জানুয়ারি মাসে ভারতে মোট জিএসটি আদায় ৬.২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১.৯৩ লক্ষ কোটি টাকার বেশি। মূলত আমদানি থেকে বেশি রাজস্ব আসার কারণেই এই বৃদ্ধি হয়েছে বলে কেন্দ্রীয় সূত্রের খবর। এই সময়ে মোট রিফান্ডের পরিমাণ ৩.১ শতাংশ কমে ২২,৬৬৫ কোটি টাকা হয়েছে। রিফান্ড বাদ দেওয়ার পর নিট জিএসটি আয় ৭.৬ শতাংশ বেড়ে প্রায় ১.৭১ লক্ষ কোটি টাকা হয়েছে জানুয়ারি মাসে। জানুয়ারিতে তামাকজাত পণ্য থেকে সেস আদায় হয়েছে ৫,৭৬৮ কোটি টাকা। এর তুলনায় গত বছর জানুয়ারিতে সেস আদায় হয়েছিল ১৩,০০৯ কোটি টাকা। তখন গাড়ি, তামাকসহ বিভিন্ন লাক্সারি, ‘সিন’ ও ডিমেরিট পণ্যের ওপর সেস আরোপ করা হত।
সংসদে শুরু হল বাজেট পেশ পর্ব। শুরুতেই বক্তব্য রাখছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন।
বাজেটের আগেই চাঙ্গা শেয়ারবাজার। সেনসেক্স উঠে গিয়েছে ২৪০ পয়েন্ট। ওদিকে লাফিয়েছে নিফটিও। এটি ৫৪ পয়েন্ট বেড়েছে। আজ কোন কোন স্টকে লক্ষ্মীলাভ হতে পারে? জানতে ক্লিক করুন।
বাজেট ২০২৬-এ অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা। রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে সংসদে ফিরে, মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন নির্মলা। এরপর কিছুক্ষণের মধ্যেই বাজেট ২০২৬-এ অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা।
বাজেট ২০২৬ থেকে কোনও দিশা পাওয়া যাবে না, এমনটাই দাবি বিরোধীদের। কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী দাবি করেন, "বাজেট থেকে আমার খুব বেশি আশা নেই।" সপা সাংসদ রাম গোপাল যাদব বলেন, "বাজেট থেকে কোনও আশা নেই।"
যে সরকারের থেকেই কোনও আশা নেই, সেই সরকারের বাজেটের থেকে আর কী আশা করব? গত বাজেটগুলিতে দেখা গিয়েছে, এই সরকার গুটিকয়েক কিছু ব্যক্তির জন্য বাজেট তৈরি করে। ৫ শতাংশের লোকের জন্য বাজেট তৈরি করে।
সকাল ১১ টায় সংসদে বাজেট পেশ করতে চলেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তার আগে রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে সংসদে ফিরে, মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে বসলেন তিনি।
সোনা এবং রুপোর দামে শুক্রবারই ক্র্যাশ এসেছিল। একদিনে রুপোর দাম পড়েছিল ৩০ শতাংশ। আর সোনা সস্তা হয়েছিল ১৭ শতাংশ। সেই ধারা অব্যাহত রইল বাজেটের দিনও। এ দিন বাজেটের আগে কমোডিটি মার্কেট MCX-এ কমে গেল সোনা এবং রুপোর দাম। এখন কী অবস্থা? জানতে ক্লিক করুন।
সংসদে পৌঁছলেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, কিছুক্ষণের মধ্যেই বাজেট পেশ করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন।
রাষ্ট্রপতি ভবনে পৌঁছে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে বাজেটের বিষয়ে অবহিত করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। পাশাপাশি, রাষ্ট্রপতিকে বাজেটের একটি কপিও তুলে দেন তিনি। আলোচনার পর রীতি মেনে নির্মলা সীতারামনকে দই, চিনি খাইয়ে দেন রাষ্ট্রপতি। এরপরই রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে বেরিয়ে সংসদে ফেরত আসেন অর্থমন্ত্রী।
রাষ্ট্রপতি ভবনে পৌঁছলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে বাজেটের বিষয়ে অবহিত করার পর, সংসদে এসে বাজেট পেশ করবেন নির্মলা।
বাজেটের আগেই পড়ে গেল সোনা, রুপোর দাম। সেনসেক্স, নিফটিতেও বড় ধস। বিনিয়োগকারীরা তাকিয়ে রয়েছেন অর্থমন্ত্রী সীতারমনের দিকে। তিনি কোনও ঘোষণা করলেই দাম মোড় নিতে পারে।
বাড়ি থেকে বেরিয়ে অর্থমন্ত্রক হয়ে রাষ্ট্রপতি ভবনের উদ্দেশে রওনা দিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। বেলা ১১টায় সংসদে বাজেট পেশ করবেন তিনি।
আজ লোকসভায় কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন ফিনান্স বিল ২০২৬ পেশ করার অনুমতিও চাইবেন। তারপর এই বিল পেশ করা হবে বলেই জানা যাচ্ছে। এছাড়া আরও কিছু বিল নির্মলা এ দিন পেশ করতে পারেন।
রবিবার সকাল সাড়ে ৮টায় বাড়ি থেকে বেরিয়ে সোজা কর্তব্য ভবনে পৌঁছলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এরপর তিনি যাবেন অর্থমন্ত্রক হয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে।
২০২৬-এ এবার টানা নবম বারের জন্য বাজেট পেশ করছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এই পরিসংখ্যানের মাধ্যমে নতুন রেকর্ড তৈরি করছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মোরারজী দেশাইয়কে ছোঁয়ার দোরগোড়ায় চলে এসেছেন নির্মলা। যখন তিনি আগামী আর্থিক বছরে বাজেট পেশ করবেন, তখন তিনি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মোরারজি দেশাইয়ের রেকর্ড স্পর্শ করবেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মোরারজি দেশাই মোট ১০ বার বাজেট পেশ করেছেন।
সকাল ৮টা ৩০ নাগাদ বাড়ি থেকে বেরবেন নির্মলা। ৮টা ৪৫ মিনিট নাগাদ পৌঁছে যাবেন অর্থমন্ত্রক। তারপর রাষ্ট্রপতির কাছে যেতে পারেন বলে খবর। সকাল ১১টা নাদাগ শুরু হবে তাঁর বাজেট বক্তৃতা।
রবিবার সংসদে কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। সকাল ১১টা নাগাদ তিনি সংসদে পেশ করবেন। লাইভ স্ট্রিম করা হবে সংসদের বাজেট উপস্থাপনা। সাধারণত বাজেট ভাষণ এক ঘণ্টা থেকে দেড় ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হয়।
এবারের কেন্দ্রীয় বাজেটে ভাঙতে চলেছে ৭৫ বছরের ঐতিহ্য। কারণ, জানা যাচ্ছে, ভারতের অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের বিস্তারিত দৃষ্টিভঙ্গি এবার পার্ট B-তে তুলে ধরবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। গত ৭৫ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম এমনটা হতে চলেছে। এতদিন পার্ট A-তে বাজেট বক্তৃতার বিস্তারিত তথ্য থাকত। আর পার্ট B-তে উল্লেখ থাকত, কয়েকটি ঘোষণার কথা। কিন্তু এবার যাবতীয় ভোলবদল করা হচ্ছে। পার্ট-B-তে বিশ্ব মঞ্চে ভারতের স্থানীয় শক্তি প্রদর্শনের জন্য রোডম্যাপও উপস্থাপন করা হবে। পাশাপাশি এই অংশ ভারতের বর্তমান শক্তি এবং ভবিষ্যতের সম্ভাবনাও প্রদর্শন করবে।