Advertisement

বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন কত দিন থাকবে? শাহ জানালেন

বাংলার ভোটারদের আশ্বস্ত করার জন্য বড় বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সোমবার বেহালা থেকে শাহ বলেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলেও নির্বাচনের পর কেন্দ্রীয় বাহিনী অন্তত আরও সাত দিন রাজ্যে মোতায়েন থাকবে। ভোটারদের নির্ভয়ে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

বিজেপি ক্ষমতায় এলেও ভোটের পর ৭ দিন বাংলায় থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনীবিজেপি ক্ষমতায় এলেও ভোটের পর ৭ দিন বাংলায় থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী
Aajtak Bangla
  • বর্ধমান,
  • 27 Apr 2026,
  • अपडेटेड 2:10 PM IST
  • বাংলার ভোটারদের আশ্বস্ত করার জন্য বড় বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
  • নির্বাচনের পর কেন্দ্রীয় বাহিনী অন্তত আরও সাত দিন রাজ্যে মোতায়েন থাকবে।
  • ভোটারদের নির্ভয়ে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

বাংলার ভোটারদের আশ্বস্ত করার জন্য বড় বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সোমবার বেহালা থেকে শাহ বলেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলেও নির্বাচনের পর কেন্দ্রীয় বাহিনী অন্তত আরও সাত দিন রাজ্যে মোতায়েন থাকবে। ভোটারদের নির্ভয়ে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

উল্লেখ্য, আগামী ২৯ এপ্রিল বুধবার বাংলায় রয়েছে দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ। এই দফায় অশান্তির আশঙ্কা করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। যদিও কড়া হাতে এখন পর্যন্ত ব্যাটন সামলাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। প্রথম দফার ভোটে বড় রকম অশান্তির ঘটনা ঘটেনি। তাই দ্বিতীয় দফাতেও সাধারণ ভোটারদের আশ্বস্ত করে ভোট দেওয়ার বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

বেহালায় রোড শো করার পর একটি জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে অমিত শাহ বলেন,"আমার সব ভাই ও বোনেরা ২৯ তারিখে গিয়ে ভোট দিন। গুন্ডাদের নিয়ে কোনও চিন্তা করতে হবে না। নির্বাচন কমিশন যাবতীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নিয়েছে। আর আমিও আপনাদের আশ্বস্ত করে বলছি, BJP ক্ষমতায় আসলেও কেন্দ্রীয় বাহিনী সাত দিন এখানে মোতায়েন থাকবে।"

উল্লেখ্য, ছাব্বিশের নির্বাচনী প্রচারের শেষ দিনে বেহালা পূর্ববেহালা পশ্চিমের বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থনে রোড-শো করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। স্থানীয় সূত্রে খবর, জনসভা ও রোড শো-তে ব্যাপক জনসমাগম দেখা গিয়েছে। 'জয় শ্রীরাম ও ভারত মাতা কি জয়'শ্লোগানে এদিন মুখরিত ছিল ওই এলাকা।

রোড শো শেষ করার পর শাহ বলেন,"বিজেপি সরকার গঠন করতে চলেছে। আমরা ইউসিসি বাস্তবায়ন করব। আমাদের এজেন্ডা হলো, ভারতে চারটি বিয়ে হতে পারে না। এখনও পর্যন্ত হিংসার কোনও বড় ঘটনা ঘটেনি। একটিও মৃত্যু হয়নি। নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।"


 

Read more!
Advertisement
Advertisement