Advertisement

Debasish Kumar: বড় খবর, TMC-র দেবাশিস কুমারের বাড়ি থেকে উদ্ধার ১.৭৫ কোটির হিরে-গয়না; চাঞ্চল্য

দেবাশিস কুমারের সম্পত্তির সঙ্গে হলফনামায় পেশ করা অর্থের অসঙ্গতি পেল আয়কর বিভাগ। ১৫ ঘণ্টার ম্যারাথন তল্লাশিতে তৃণমূল প্রার্থীর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে কোটির টাকার উপর হিরে, সোনার বাট। স্ত্রীর আয়েও অসঙ্গতি।

দেবাশিস কুমারদেবাশিস কুমার
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 21 Apr 2026,
  • अपडेटेड 7:51 PM IST
  • দেবাশিস কুমারের সম্পত্তিতে অসঙ্গতি পেল IT
  • তৃণমূল প্রার্থীর বাড়ি থেকে উদ্ধার কোটি টাকার উপর গয়না
  • স্ত্রীর আয়েও অসঙ্গতি পাওয়া গিয়েছে

আয়কর তল্লাশিতে দেবাশিস কুমারের বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া সম্পত্তির সঙ্গে তাঁর হলফনামায় পেশ করা সম্পত্তির অসঙ্গতি মিলল। তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে ১ কোটি ৭৫ লক্ষের হিরে, সোনা সহ মূল্যবান সামগ্রী। সূত্র মারফত খবর এমনটাই। 

আয়কর দফতর গত ১৭ এপ্রিল দীর্ঘ প্রায় ১৫ ঘণ্টা তল্লাশি চালায় তৃণমূল কংগ্রেসের রাসবিহারী কেন্দ্রের প্রার্থী দেবাশিস কুমারের বাড়ি ও নির্বাচনী কর্যালয়ে। সেখানেই বাজেয়াপ্ত হওয়া সামগ্রীর সঙ্গে তাঁর সম্পত্তির গরমিল পাওয়া গিয়েছে বলে সূত্রের খবর। 

আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ এবং অঘোষিত লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে বিদায়ী বিধায়কের বিরুদ্ধে। হয়েছে। এই তল্লাশি অভিযানে প্রায় ১ কোটি ৭৫ লক্ষের হিরের গয়না, সোনার গয়না ও সোনার বাট বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এ ছাড়াও একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান থেকে ৬ লক্ষ নগদ টাকা নগদ পাওয়া গিয়েছে, যার অংশীদার দেবাশিস কুমার। 

প্রাথমিক তদন্তে দেখা যাচ্ছে, নির্বাচনী হলফনামায় ঘোষিত সম্পদের সঙ্গে তল্লাশিতে পাওয়া সম্পত্তির মিল নেই। বিশেষ করে হিরের গয়না ও সোনার বারের মতো কিছু মূল্যবান সামগ্রী হলফনামায় উল্লেখই করেননি তৃণমূল প্রার্থী। এ ছাড়াও ঘোষিত ও উদ্ধার হওয়া সোনার পরিমাণের মধ্যেও উল্লেখযোগ্য পার্থক্য লক্ষ্য করা গিয়েছে।  

আরও জানা গিয়েছে, আর্থিক নথিপত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গিয়েছে, বিধায়কের স্ত্রী আয়কর রিটার্নে যে আয় দেখিয়েছিলেন, তার সঙ্গে হলফনামায় দেখানো আয়ের অসঙ্গতি রয়েছে। আগের নির্বাচনী হলফনামার তুলনায় মোট সম্পদের বৃদ্ধির বিষয়েও ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে তাঁর স্ত্রীর থেকে। 

বাজেয়াপ্ত হওয়া সম্পদের মালিকানা ও উৎস সম্পর্কে ব্যাখ্যা চেয়ে আয়কর দফতর নোটিশ জারি করেছে। পাশাপাশি নগদ লেনদেন ও বিনিয়োগে কিছু সহযোগীর ভূমিকা নিয়েও তদন্ত চলছে। 

এই সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট নির্বাচন কমিশন এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত এখনও চলছে। 

দেবাশিস কুমারের এক সহযোগী মিরাজ ডি শাহের প্রপার্টিতেও তল্লাশি চালানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, এর আগেও মিরাজ ডি শাহের ক্ষেত্রে তল্লাশির সময়ে তাঁর বাড়ি থেকে গয়না ও সোনার বাট বাজেয়াপ্ত হয়েছিল। আইনি জটিলতা কাটিয়ে হাইকোর্টে রিট পিটশন দায়ের করার পর স্ট্রং রুমে রাখা সেই বাজেয়াপ্ত করা সোনার বাট পরীক্ষা করা হয়েছে। পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ৮.০৮ কেজি বাটে বিদেশি হলমার্ক রয়েছে। এই তথ্য DRI-এর সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার জন্য বোর্ডের নোডাল অফিসারের কাছে পাঠানো হয়েছে। যাতে শুল্ক আইন লঙ্ঘিত হয়েছে কি না, খতিয়ে দেখা যায়। আগের মূল্যায়ন পুনর্বিবেচনাক কাজও চলছে এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। 

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement