Advertisement

Bhabanipur: 'নোংরা খেলা,' ভবানীপুরের শেষ রাউন্ড গণনা নিয়ে বিস্ফোরক মমতা,ফোন রেকর্ডিং করলেন কল্যাণ

ফাইনাল রাউন্ড গণনার সময়েই ভবানীপুরের কাউন্টিং সেন্টারে ভোট লুট হয়েছে? বিস্ফোরক মন্তব্য করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কাউন্টিং সেন্টার থেকে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করে একাধিক অভিযোগ করেন। সেই ফোন রেকর্ডিংই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করলেন কল্যাণ।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 05 May 2026,
  • अपडेटेड 1:02 PM IST
  • ভবানীপুরের কাউন্টিং সেন্টারে ভোট লুট?
  • কল্যাণকে ফোন করে একাধিক অভিযোগ মমতার
  • ফোন রেকর্ডিংই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট

ভবানীপুরে ভোট লুট করে জেতা হয়েছে! সোমবার সন্ধ্যায় শাখাওয়াত মেমোরিয়াল হাইস্কুলের কাউন্টিং সেন্টার থেকে বেরিয়ে এমনই অভিযোগ করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই মর্মে একটি টেলিফোনিক কথোপকথন প্রকাশ্যে এসে বিস্ফোরক কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। 

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিজের একটি ফোন কল ফেসবুকে পোস্ট করেছেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। যেখানে ফোনের একপ্রান্তে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলা শোনা যাচ্ছে। কীভাবে ভবানীপুরে 'অনৈতিক নোংরা খেলা' খেলল নির্বাচন কমিশন, তা ব্যাখ্যা করতে শোনা দিয়েছে তৃণমূল নেত্রীকে। যদিও এই ফোন কলের সত্যতা যাচাই করেনি bangla.aajtak.in। 

কল্যাণের প্রকাশ করা ওই অডিও কলে শোনা গিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করছেন, তিনি ১৬ রাউন্ড পর্যন্ত শুভেন্দু অধিকারীর থেকে এগিয়ে ছিলেন। দুষ্কৃতীরা ভোট লুট করেছে বলেও ক্ষোভে ফেটে পড়েন তিনি। জোর করে কাউন্টিং সেন্টারে ঢুকে এজেন্টদের মারধর করার অভিযোগও রয়েছে। 

নির্বাচন কমিশন, CRPF এবং DEO ও RO-র বিরুদ্ধে দিল্লির অঙ্গুলিহেলনে চলার অভিযোগও করেন মমতা। 

ভবানীপুরের গণনায় সোমবার সকাল থেকেই চমকপ্রদ ছিল। টানটান উত্তেজনার মুহূর্ত কেটেছে প্রতিটি রাউন্ডের গণনায়। সোমবার সকাল ৮টায় পোস্টাল ব্যালট খোলার পর ২ হাজার ভোটে প্রথমে এগিয়ে ছিলেন মমতা। এরপর দ্বিতীয় রাউন্ড থেকে এগোতে শুরু করেন শুভেন্দু। লিড পান দেড় হাজার ভোটের। ফের পাশা পাল্টে যায়। তৃতীয় রাউন্ডে মমতা এগিয়ে যান ৮৯৮ ভোটে। এরপর সপ্তম রাউন্ড পর্যন্ত এগিয়ে চলেন মমতা। লিড বাড়িয়ে নেন ১৭ হাজারের। তাঁর বাড়ির সামনে রীতিমতো জোড়াফুল সমর্থকদের আবির খেলাও শুরু হয়ে যায়। 

এরপর আরও ৫ রাউন্ড হয়। ভোটের ব্যবধান কমে দাঁড়ায় ৭ হাজার ১৮৪তে। ১৪ রাউন্ড শেষে সেই ব্যবধান আরও কমে দাঁড়ায় ৪ হাজারে। কিন্তু ফটো ফিনিশ হওয়ার আগে কাউন্টিং থমকে যায়। TMC এজেন্টকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠতে থাকে। 

সোমবার ২০২১ সালের নন্দীগ্রামের হারের একটি 'দেজা ভ্যু' মোমেন্ট তৈরি হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। এবারও তিনি গণনাকেন্দ্রে ছুটে গেলেন, সেই লোডশেডিংয়ের অভিযোগ তুললেন এবং সেখানে শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতেই গণনাকেন্দ্র ছাড়লেন। 

Advertisement

ভবানীপুরের কাউন্টিংয়ের একদম শেষ পর্বে এসে টুইস্ট আসে গল্পে। ৩ রাউন্ড তখনও বাকি, ৫৬৪ ভোটে পিছিয়ে পড়েন মমতা। তারপর ক্রমশই বাড়তে থাকে ব্যবধান।  

তৃণমূলের এজেন্টদের সরিয়ে বিরোধী পক্ষের এজেন্টরা কাউন্টিং সেন্টারে জায়গা দখল করে নেয়। এটাই মূলত অভিযোগ মমতার। তিনি বলেন, 'যে এলাকাগুলির ভোট কাউন্টিং বাকি ছিল, সেগুলি সম্পূর্ণ আমাদের এলাকা। কিছু দুষ্কৃতী কাউন্টিং সেন্টারে ঢুকে পড়ে। সঙ্গে ছিল নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরাও। CRPF-এর সামেনই তারা আমাকে মারধর করে, আমার এজেন্টকে মারধর করে বের করে দেয়।' তিনি আরও বলেন, 'ফাইনাল রাউন্ডের কাউন্টিংয়ের সময়ে আমার দলের কোনও এজেন্ট ভিতরে ছিল না। সিল ছাড়াই EVM নিয়ে যাওয়া হয়েছিল স্ট্রংরুমে। আমি বাইরে ছিলাম। আমাকে ভিতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।'

এই পরিস্থিতিতে 'টর্চার' বলে উল্লেখ করেন মমতা। বলেন, 'প্রথমে SIR করে ভোটার বাদ দেওয়া হল তারপর জোর করে ভোটচুরি করা হল।' BJP-র জয়কে 'অনৈতিক নোংরা খেলা' বলে উল্লেখ করেন। তিনি এ-ও জানান, সমস্ত কিছু তথ্যপ্রমাণ রয়েছে এবং আইনি পথে চ্যালেঞ্জ করা হবে। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে আইনজীবী হিসেবে সেই সমস্ত তথ্য তুলে দেবেন বলেও জানান মমতা। 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement