Advertisement

Noapara VVPAT Row: মধ্যমগ্রামের রাস্তায় নোয়াপাড়ার VVPAT স্লিপ, কমিশন জানাল,'ওগুলো মক পোলের'

Noapara VVPAT Row: ভোটগণনার ঠিক আগের সন্ধ্যা। রাস্তায় ছড়িয়ে VVPAT স্লিপ। এমনই ঘটনার সাক্ষী থাকলেন উত্তর ২৪ পরগনার নোয়াপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রের বাসিন্দারা। রবিবার বারাসত-বারাকপুর রোডের নীলগঞ্জ সুভাষনগর বাসস্ট্যান্ডের কাছে রাস্তার ধারে পড়ে থাকতে দেখা গেল একাধিক ভিভিপ্যাট (VVPAT) স্লিপ।

রবিবার বারাসত-বারাকপুর রোডের নীলগঞ্জ সুভাষনগর বাসস্ট্যান্ডের কাছে রাস্তার ধারে পড়ে থাকতে দেখা গেল একাধিক ভিভিপ্যাট (VVPAT) স্লিপ। রবিবার বারাসত-বারাকপুর রোডের নীলগঞ্জ সুভাষনগর বাসস্ট্যান্ডের কাছে রাস্তার ধারে পড়ে থাকতে দেখা গেল একাধিক ভিভিপ্যাট (VVPAT) স্লিপ।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 03 May 2026,
  • अपडेटेड 10:00 PM IST
  • ভোটগণনার ঠিক আগের সন্ধ্যায় রাস্তায় ছড়িয়ে VVPAT স্লিপ।
  • এমনই ঘটনার সাক্ষী থাকলেন উত্তর ২৪ পরগনার নোয়াপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রের বাসিন্দারা।
  • পড়ে থাকতে দেখা গেল একাধিক ভিভিপ্যাট (VVPAT) স্লিপ।

Noapara VVPAT Row: ভোটগণনার ঠিক আগের সন্ধ্যা। রাস্তায় ছড়িয়ে VVPAT স্লিপ। এমনই ঘটনার সাক্ষী থাকলেন উত্তর ২৪ পরগনার নোয়াপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রের বাসিন্দারা। রবিবার বারাসত-বারাকপুর রোডের নীলগঞ্জ সুভাষনগর বাসস্ট্যান্ডের কাছে রাস্তার ধারে পড়ে থাকতে দেখা গেল একাধিক ভিভিপ্যাট (VVPAT) স্লিপ। উদ্ধার হওয়া স্লিপগুলির কোনওটিতে সিপিএম প্রার্থী গার্গী চট্টোপাধ্যায়ের নাম। আবার কোনওটায় তৃণমূল প্রার্থী তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য। বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিংয়ের নামও রয়েছে। ভোটগণনার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে জোর তরজা শুরু হয়েছে।  নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ভিভিপ্যাট স্লিপগুলি মক পোলের।

স্থানীয়রাই প্রথম বিষয়টি নজরে আনেন। তাঁদের দাবি, বাসস্ট্যান্ডের পাশের রাস্তায় হঠাৎ করেই কয়েকটি কাগজ উড়তে দেখা যায়। পরে কাছে গিয়ে তাঁরা বুঝতে পারেন, সেগুলি আসলে ভিভিপ্যাটের স্লিপ। খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় ভিড় জমে যায়। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশও। পরে সেখান থেকে একাধিক স্লিপ উদ্ধার করা হয়।

তবে পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, উদ্ধার হওয়া স্লিপগুলি ঘিরে স্থানীয়দের সঙ্গে পুলিশের বচসা হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছন বারাসত ১ ব্লকের বিডিও। তাঁকে ঘিরেও বিক্ষোভ দেখানো হয়। স্থানীয়দের একাংশের প্রশ্ন, একটি বিধানসভা কেন্দ্রের ভিভিপ্যাট স্লিপ কীভাবে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে এসে পড়ল? তা-ও আবার গণনার আগের দিন!

এই ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে বিরোধীরা। সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম সমাজমাধ্যমে কমিশনকে কটাক্ষ করে লেখেন, 'বজ্র আটুনি-ফস্কা গেরো!' তাঁর দাবি, নোয়াপাড়া কেন্দ্রের ভিভিপ্যাট স্লিপ রাস্তায় পড়ে থাকা অত্যন্ত উদ্বেগের। তিনি এও বলেন যে, উদ্ধার হওয়া স্লিপগুলির বড় অংশ নাকি সিপিএম-এর ভোট।

 নির্বাচন কমিশন কী জানাল?

এই স্লিপগুলি মকপোলের বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তবে নিয়ম বলছে, মক পোলিংয়ের স্লিপগুলিও সুরক্ষিত রাখা হয়।।
 

রাজনৈতিক তরজা

নোয়াপাড়া কেন্দ্রের সিপিএম প্রার্থী গার্গী চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, এগুলি কোনও ‘মক পোল’-এর স্লিপ নয়। তাঁর বক্তব্য, 'এগুলি গারুলিয়া হিন্দি ফ্রি প্রাইমারি স্কুল বুথের ভিভিপ্যাট স্লিপ।'  

Advertisement

অন্য দিকে বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং জানিয়েছেন, গোটা বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের নজরে আনা হবে। এর পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি তুলেছেন অর্জুন।

তৃণমূল প্রার্থী তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য-ও এই ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, 'উদ্ধার হওয়া স্লিপগুলির বেশিরভাগই আমার নামে। তার পরেই রয়েছে সিপিএমের স্লিপ। কীভাবে এগুলি এত দূরে এল, তা তদন্ত করে দেখা উচিত।'

উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসক শিল্পা গৌরিসারিয়া জানিয়েছেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এলাকায় পুলিশ পাঠানো হয়েছে। উদ্ধার হওয়া স্লিপগুলি পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। কীভাবে সেগুলি সেখানে পৌঁছল, তা খতিয়ে দেখা হবে। পাশাপাশি পুরো বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকেও জানানো হয়েছে।

রাজ্যে ইতিমধ্যেই EVM, পোস্টাল ব্যালট এবং স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে। তারই মধ্যে রাস্তায় ভিভিপ্যাট স্লিপ উদ্ধারের ঘটনায় নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। 
 

Read more!
Advertisement
Advertisement