
এই আসনে এগিয়ে থেকেই ছাব্বিশের ভোটে লড়বে তৃণমূল। তবে তাদের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি করতে পারে বিজেপি। এখন দেখার এখানে শেষ হাসি কে হাসে। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার একটি জেনারেল ক্যাটাগোরির বিধানসভা কেন্দ্র হল নোয়াপাড়া। এটি বারাকপুর লোকসভা আসনের সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে একটি। এটি উত্তর বারাকপুর পৌরসভা, গারুলিয়া পৌরসভা, ইছাপুর ডিফেন্স এস্টেট, বারাকপুর ক্যান্টনমেন্ট এবং বারাকপুর ২ ব্লকের মোহনপুর ও স্বেলী গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে তৈরি হয়েছে। নোয়াপাড়া বিধানসভা কেন্দ্র ১৯৫৭ সালে তৈরি হয়। এখনও পর্যন্ত ১৭ বার নির্বাচন হয়েছে নোয়াপাড়া কেন্দ্রে। এখানে ২০১৮ সালে একবার উপনির্বাচনও হয়েছে। এই কেন্দ্রে কমিউনিস্ট পার্টি অফ ইন্ডিয়া (মার্কসবাদী) বা CPIM আটবার জিতেছে। ত...
এই আসনে এগিয়ে থেকেই ছাব্বিশের ভোটে লড়বে তৃণমূল। তবে তাদের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি করতে পারে বিজেপি। এখন দেখার এখানে শেষ হাসি কে হাসে। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার একটি জেনারেল ক্যাটাগোরির বিধানসভা কেন্দ্র হল নোয়াপাড়া। এটি বারাকপুর লোকসভা আসনের সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে একটি। এটি উত্তর বারাকপুর পৌরসভা, গারুলিয়া পৌরসভা, ইছাপুর ডিফেন্স এস্টেট, বারাকপুর ক্যান্টনমেন্ট এবং বারাকপুর ২ ব্লকের মোহনপুর ও স্বেলী গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে তৈরি হয়েছে। নোয়াপাড়া বিধানসভা কেন্দ্র ১৯৫৭ সালে তৈরি হয়। এখনও পর্যন্ত ১৭ বার নির্বাচন হয়েছে নোয়াপাড়া কেন্দ্রে। এখানে ২০১৮ সালে একবার উপনির্বাচনও হয়েছে। এই কেন্দ্রে কমিউনিস্ট পার্টি অফ ইন্ডিয়া (মার্কসবাদী) বা CPIM আটবার জিতেছে। তৃণমূল কংগ্রেস জিতেছে চারবার। আর কংগ্রেস তিনবার জিতেছে। এছাড়া প্রজা সমাজতান্ত্রিক পার্টি ও অবিভক্ত কমিউনিস্ট পার্টি অফ ইন্ডিয়া প্রথম দুই নির্বাচনে, যথাক্রমে ১৯৫৭ ও ১৯৬২ সালে জিতেছিল। ২০০১ সালে প্রথম নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে তৃণমূল কংগ্রেস জিতে যায় এই আসন। তারা সিপিআইএম-এর ৫ বারের জেতার ধারাবাহিকতা ভেঙে দেয়। এই ভোটে মঞ্জু বসু প্রথমবার তৃণমূলের হয়ে জিতেছিলেন। তবে ২০০৬ সালে এখানে জেতে সিপিআই(এম)। ২০০৬ সালে মঞ্জু বসু পরাজিত হন। যদিও ২০১১ সালে মঞ্জু বসু আবার সিটটা সিপিআই(এম)-এর কুসাধ্বজ ঘোষকে ৪১,১৪৮ ভোটে পরাজিত করে। যদিও ২০১৬ সালে তিনি কংগ্রেসের মধুসূদন ঘোষের কাছে হেরে যান। তবে ২০১৮ সালের উপনির্বাচনে তৃণমূল সুনীল সিংকে প্রার্থী করেন। তিনি বিজেপির সন্দীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে ৬৩,০১৮ ভোটে পরাজিত করেন। ২০২১ সালে মঞ্জু বসু আবার প্রার্থী হন। কারণ, সুনীল সিং বিজেপিতে যোগ দেন। আর সেই ভোটে মঞ্জু বসু আবার ২৬,৭১০ ভোটের ব্যবধানে জেতেন। লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস নোয়াপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রে ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে থেকেছে। ২০০৯ সালে সিপিআই(এম)-এর থেকে ১৩,৯৫২ ভোটে এগিয়ে ছিল তৃণমূল। ২০১৪ সালে ২০,৫৫৮ ভোটের লিড ছিল তাদের। যদিও ২০১৯ সালে বিজেপি তৃণমূলকে কঠিন লড়াইতে ফেলে দিয়েছিল। সেই ভোটে তৃণমূল মাত্র ৫২৬ ভোটে এগিয়ে ছিল। তবে ২০২৪ সালে TMC ১১,৮৫৯ ভোট ব্যবধানে এগিয়ে যায় এই আসনে। ২০২৪ সালে নোয়াপাড়ায় ভোটার সংখ্যা ছিল ২,৬৪,৬০১। এখানে SC ভোটারের সংখ্যা ১৮.২৪ শতাংশ, মুসলিম ভোটার প্রায় ১১.১০ শতাংশ এবং ST ভোটার ১.৫১ শতাংশ। এখানে শহুরে ভোটার সংখ্যা ৯৪.৫৫ শতাংশ। আর গ্রামীণ ভোটার ৫.৪৫ শতাংশ। তবে তাৎপর্যপূর্ণভাবে ভোটারের উপস্থিতি ২০১১ সালে ৮২.৯০ শতাংশ থেকে ২০২১ সালে ৭৩.৫০ শতাংশ নেমে গিয়েছে। এই এলাকাটি বারাকপুর শিল্পাঞ্চলের কাছাকাছি অবস্থিত। পাশাপাশি এখানকার সড়ক যোগাযোগ এবং ট্রেন যোগাযোগও ভাল। মাথায় রাখতে হবে ২০০৯ সালের পর থেকে ভোটের ফলাফলের ভিত্তিতে তৃণমূল কংগ্রেস নোয়াপাড়ায় অনেকটাই এগিয়ে। এমনকী ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তাদের প্রার্থী জিততে পারে। এখানে বাম-কংগ্রেসের ভোট খুবই খুবই কম। এখানে তাদের ভোট শতাংশ ১২–১৩ শতাংশের মতো। তাই এখানে মূল লড়াই রয়েছে বিজেপির বিরুদ্ধে। তারাই তৃণমূলের প্রধান প্রতিপক্ষ। এখান দেখার তারা এখানে কতটা সফল হয়। তারা কোনওভাবে তৃণমূলকে চাপে ফেলতে পারে কি না। তবে সেই সত্যটা জানতে চাইলে ২০২৬-এর ভোটের ফলাফল পর্যন্ত অপেক্ষা করা মাস্ট।
Sunil singh
BJP
Subhankar sarkar
INC
Nota
NOTA
Rajendra choudhary
BSP
Rabishankar paul
IND
Ranjit biswas
GMM
Rabindra nath biswas
IND
Swapan kumar debnath
IND
Anand pandey
IND
Amit kumar shaw
IND
Manju basu
AITC
Amiya sarkar
BJP
Nota
NOTA
Bulu sarkar
BSP
Uday veer choudhury
IND