
পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নেতৃত্বে আজ বৈঠকে বসেন বিজেপির জয়ী প্রার্থীরা। সেই বৈঠকের বিধায়ক দলের প্রধান ও মুখ্যমন্ত্রীর নাম নির্বাচিত করা হয়। আগামিকাল অর্থাত্ ৯ মে ব্রিগেডে শপথ নেবেন পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী। অনেকেই মনে করেছিলেন, শুভেন্দু অধিকারী পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী করা হবে। দিনের শেষে দেখা গেল, শেষ হাসি হাসলেন শুভেন্দুই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবানীপুরে হারিয়েছেন শুভেন্দু। অন্যদিকে নন্দীগ্রামে জিতেছেন তিনি। ২৯৩ আসনের নির্বাচনে ২০৭টিআসন নিয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে রাজ্যে সরকার গড়ছে বিজেপি। স্বাধীনতার পর থেকে এই প্রথমবার পশ্চিমবঙ্গ দেখবে বিজেপি সরকার। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পশ্চিমবঙ্গের এই নির্বাচনে বিজেপি লড়াই করেছে শমীক ভট্টাচার্যর নেতৃত্বে। তাঁর রাজ্য় সভাপতিত্বেই প্রথমবার পশ্চিমবঙ্গের মসনদে ফুটেছে পদ্ম।
পশ্চিববঙ্গে প্রথম বিজেপি সরকারের নয়া মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপির শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্বের সূত্রের খবর, আগামী মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারী। সূত্রের খবর, সব বিধায়কের সহমতেই মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিতে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারী।
বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে পৌঁছেছেন শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার। এখনও বৈঠক করছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-শমীক ভট্টাচার্য। আর কিছুক্ষণের মধ্যে হবে মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণা।
এখনও পর্যন্ত সূত্রের খবর, শুভেন্দু অধিকারীই হতে পারেন পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকারের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন শুভেন্দু অধিকারী। এখনও চর্চা চলছে। তবে যে সব চর্চায় রয়েছে,তার মধ্যে এগিয়ে শুভেন্দুই।
শুভেন্দু অধিকারীর সমর্থনে নিশীথ প্রমাণিক বলেন, "বাংলায় এমন একজন মুখ্যমন্ত্রী চাই যিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দু'বার পরাজিত করেছেন।" নিশীথের এই প্রকাশ্য সমর্থনকে শুভেন্দু অধিকারীর মুখ্যমন্ত্রী হওয়ারই ইঙ্গিত দিচ্ছে।
কোন কোন রাস্তায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে?
কে হবেন মুখ্যমন্ত্রী? প্রশ্নে সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো বলেন, পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে এই প্রথমবার একজন 'হিন্দু হৃদয় সম্রাট' রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন। তিনি বলেন, "তৃণমূল সরকার বাংলাকে পাকিস্তানের মতো পরিস্থিতিতে নামিয়ে এনেছিল। বাংলার মানুষ এখন মুক্তি পাবে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বাংলায় এক নতুন সূর্যের উদয় হবে।"
বিজেপি সরকারের শপথগ্রহণে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আগামিকাল অর্থাত্ শনিবার সকালে কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর নিরাপত্তার জন্য কলকাতায় ট্র্যাফিক অ্যাডভাইজারি জারি করল পুলিশ। দেখে নিন কোন রাস্তা বন্ধ ও কোনটি খোলা।
ব্রিগেডে কেমন হচ্ছে বিজেপি সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের মঞ্চ? আগামিকাল সকাল ১১টা নাগাদ এই মঞ্চে শপথ নেবেন বিজেপি-র নতুন মুখ্যমন্ত্রী। আর কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘোষণা করা হবে।
সূত্রের খবর, বাংলায় দু'জন উপমুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন। তাঁদের মধ্যে একজন মহিলা হতে পারেন বলে জানা যাচ্ছে।
নিউটাউনের একটি হোটেলে মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়েছে। বিজেপির হবু বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকের আগে ওই অনুষ্ঠানে থাকতে পারেন অমিত শাহ। ওই হোটেলেই রাত্রিবাস করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। শনিবার সেখান থেকে সোজা চলে যাবেন ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে। সেখানেই শপথে নেবেন রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী।
West Bengal New CM: 'প্রথমবার পশ্চিমবঙ্গে একজন হিন্দু হৃদয় সম্রাট মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন। দীর্ঘদিন ধরে মুসলিম তোষণের রাজনীতি চলেছে। তৃণমূল সরকারের আমলে বাংলার পরিস্থিতি পাকিস্তানের মতো হয়ে গিয়েছিল। বাংলার মানুষ এবার মুক্তি পাবে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বাংলায় নতুন সূর্যোদয় হবে,' সংবাদ সংস্থা ANI-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনই দাবি করেন বিজেপি সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো।
কলকাতায় পৌঁছে পশ্চিমবঙ্গবাসীকে ধন্যবাদ জানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। অন্যদিকে রাজ্য বিধানসভায় অস্থায়ী ভাবে তৈরি হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়। নতুন সরকারকে স্বাগত জানাতে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে বিধানসভা ভবন। বিধানসভা চত্বরে চলছে রং ও সংস্কারের কাজ। চেয়ার-টেবিল পালিশ করা হচ্ছে, বিভিন্ন কক্ষ পরিষ্কার ও সংস্কার করা হচ্ছে দ্রুতগতিতে। মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে শুরু করে স্পিকার ও মন্ত্রীদের কক্ষ, সর্বত্রই চলছে সাজসজ্জা ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ। বিধানসভা প্রশাসন সূত্রে খবর, শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান ঘিরে সমস্ত প্রস্তুতিকে চূড়ান্ত রূপ দেওয়ার কাজ চলছে। নিরাপত্তা, অতিথি আপ্যায়ন এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনাতেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নতুন সরকারের আগমনের আগে ঐতিহাসিক বিধানসভা ভবনকে নতুন রূপে তুলে ধরতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
শনিবার ব্রিগেডে নিরাপত্তার জন্য প্রায় চার হাজার পুলিশ মোতায়েন থাকবে। ব্রিগেডকে ৩০টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকছেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার, যুগ্ম পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার পুলিশকর্তারা।
শুক্রবার কলকাতায় এসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বঙ্গবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন। তিনি X হ্যান্ডেলে লেখেন, "বাংলা, বিজেপিকে যে অপরিসীম স্নেহ, বিশ্বাস ও সমর্থন দিয়েছে, তার জন্য আমি সমগ্র বঙ্গবাসীকে প্রণাম জানাই।"
ব্রিগেড ময়দান কঠোর নিরাপত্তায় মুড়ছে। ব্রিগেডে পর্যাপ্ত সংখ্যক ডোরফ্রেম মেটাল ডিটেক্টর রয়েছে। পুলিশকর্মীদের হাতে থাকবে হ্যান্ড মেটাল ডিটেক্টর। ড্রোনে নজরদারি চলবে। একাধিক বহুতলের ছাদ থেকে বাইনোকুলার নিয়ে কড়া নজরদারি চলছে। পর্যাপ্ত সংখ্যক সিসিটিভির ক্যামেরা বসানো হয়েছে।
দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো দিয়ে ফিরলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিন এয়ারপোর্ট থেকে দক্ষিণেশ্বর ও দক্ষিণেশ্বর থেকে হোটেল যাওয়ার পথে একই গাড়িতে ছিলেন অমিত শাহ, শুভেন্দু অধিকারী ও শমীক ভট্টাচার্য। রাস্তায় তাঁদের একাধিক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জল্পনা রয়েছে।
'একজন জননেতা মুখ্যমন্ত্রী হবেন। যার মাধ্যমে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্বপ্ন পূরণ হবে। সাংবিধানিক নিয়ম মেনেই মন্ত্রিসভা ভেঙে দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিনের সংগ্রাম অবশেষে সফল হয়েছে,' ANI-র শেয়ার করা X পোস্টে এমনই মন্তব্য করেন সৌমিত্র খাঁ।
দক্ষিণেশ্বর কালীমন্দিরে মা ভবতারিণী দর্শন করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেখানে পুজো দিলেন। এরপর একাধিক ঘরোয়া বৈঠক সারবেন শাহ।
ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝি জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি বিধায়কদলের নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় তিনি কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্বে থাকা অমিত শাহের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবেন। মাঝির ঘনিষ্ঠ এক নেতার বক্তব্য, এই দায়িত্ব তাঁর কাছে “একটি বড় সুযোগ”। কারণ, এই প্রথম ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তিনি জাতীয় স্তরের রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় এত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। বিজেপির অন্দরে বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েই দেখা হচ্ছে। সূত্রের খবর, নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গে অন্তত তিনবার সফর করেছিলেন মোহনচরণ মাঝি। বিশেষ করে ওড়িয়া ভাষাভাষী ভোটারদের প্রভাব রয়েছে এমন বিধানসভা কেন্দ্রগুলিতে বিজেপি প্রার্থীদের হয়ে প্রচারেও অংশ নেন তিনি। বিজেপি নেতৃত্বের মতে, সীমান্তবর্তী ও ওড়িশা-সংলগ্ন এলাকাগুলিতে তাঁর প্রচার দলের পক্ষে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল।
আজ জানা যাবে বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রীর নাম। কিন্তু প্রশ্ন হল, সেটা কতক্ষণে পরিষ্কার হবে? আর সেই উত্তরটা দিয়েছেন বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা। তিনি জানিয়েছেন, আজ সন্ধে ৬টার মধ্যে জানা যাবে কে হতে চলছেন বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী। তাই এই সময়টুকু অপেক্ষা করুন।