
উত্তরপ্রদেশ থেকে ফেরার সময় বিমান 'বিভ্রাট'-এর কারণ জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন বিধানসভা অধিবেশনে তিনি জানান, সেদিন পাইলটের দক্ষতায় রক্ষা পেয়েছেন। আর ১০ সেকেন্ড হলেই বিমান ক্র্যাশ করত।
গত ৪ তারিখ বারাণসী থেকে ফিরছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। কলকাতায় বিমান নামার আগে প্রচণ্ড ঝাঁকুনি হয়। তা নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়। এই ঘটনায় ডিজিসিএ'র কাছে রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। ডিজিসিএ পৃথকভাবে তদন্ত করছে।
এদিন বিধানসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, সেদিন পাইলটের দক্ষতায় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছেন।
প্রায় ৮ হাজার ফুট থেকে নিচে নামানো হয় বিমান। আর ১০ সেকেন্ড হলে ক্র্যাশ করত বিমান। মুখ্যমন্ত্রীর আরও সংযোজন, এখন পর্যন্ত বিমানের ওই ঘটনার কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাঁর কোমরে ও বুকে ব্যথা রয়েছে।
শুক্রবারের এই বিমান 'বিভ্রাট'-এর পর মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। সোমবার এই সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী নিজেই। পাইলটের কারণে প্রাণ বেঁচেছে বলে দাবি করেন তিনি।
প্রসঙ্গত, সেদিন হঠাৎ বিমান নেমে আসায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন যাত্রীরা। মুখ্যমন্ত্রীর বিমান বিভ্রাট নিয়ে সামনে আসে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের বিবৃতিও। তাদের তরফে জানানো হয়, রুট ক্লিয়ারেন্স ছিল, আবহাওয়ার হঠাৎ পরিবর্তনের কারণে এই বিভ্রাট। যদিও উত্তরে খুশি হয়নি তৃণমূল। তাদের তরফে একাধিক প্রশ্ন তোলা হয়। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় মঙ্গলবার দমদম বিমানবন্দরে বিক্ষোভ দেখানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে INTTUC।