ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি আর সঙ্গে এক কাপ ধোয়া ওঠা গরম চা মানেই বাঙালির চেনা আড্ডা। মেঘলা দিনে চায়ের সঙ্গে একটু মুচমুচে ভাজাভুজি না হলে যেন ঠিক জমে না। তবে ফ্রিজে মাছ বা মাংস না থাকলে মন খারাপের কিছু নেই। হাতের কাছে থাকা সামান্য কিছু ঘরোয়া উপকরণ দিয়েই এবার বানিয়ে নিতে পারেন জিভে জল আনা দই কাটলেট।
এই পদটি বাইরে থেকে যেমন কুড়মুড়ে হয় ভেতর থেকে তেমনই নরম। বিকেলের জলখাবার হোক কিংবা বাড়িতে হঠাৎ আসা অতিথিদের আপ্যায়ন সব কিছুতেই দশে দশ পাবে এই রান্নাটি।
রসনা তৃপ্তির এই দারুণ রেসিপিটি তৈরি করতে আপনার লাগবে এক কাপ জল ঝরানো টক দই দুটি সেদ্ধ আলু এবং আধ কাপ সুজি। এর সঙ্গে রাখুন এক চতুর্থাংশ কাপ কর্নফ্লাওয়ার আধ কাপ বিস্কুটের গুঁড়ো এক টেবিল চামচ আদা ও কাঁচা লঙ্কা বাটা এক চা চামচ লঙ্কা গুঁড়ো এবং আধা চা চামচ গরম মশলা গুঁড়ো।
স্বাদ বাড়াতে নিন পরিমাণমতো নুন ও দুই টেবিল চামচ ধনেপাতা কুচি। কাটলেটের কোটিং বা প্রলেপের জন্য লাগবে ২৫০ গ্রাম মিহি সেমাই আধ কাপ ময়দা আর ভাজার জন্য পর্যাপ্ত সাদা তেল।
বানানোর পদ্ধতি অত্যন্ত সহজ। প্রথমে একটি বড় পাত্রে জল ঝরানো টক দইয়ের সঙ্গে সেদ্ধ আলু কর্নফ্লাওয়ার সুজি বিস্কুটের গুঁড়ো আদা ও কাঁচা লঙ্কা বাটা লঙ্কা গুঁড়ো গরম মশলা গুঁড়ো নুন এবং ধনেপাতা কুচি একসঙ্গে নিয়ে খুব ভালো করে মেখে নিন।
মাখা হয়ে গেলে মিশ্রণটি থেকে অল্প অল্প করে অংশ নিয়ে নিজের পছন্দমতো কাটলেটের আকারে গড়ে নিন। এবার অন্য একটি পাত্রে সামান্য নুন ও জল দিয়ে ময়দার একটি ঘন গোলা বা ব্যাটার তৈরি করুন।
গড়া কাটলেটগুলি প্রথমে ময়দার গোলায় ডুবিয়ে তারপর মিহি সেমাইতে ভালো করে গড়িয়ে নিন। এই সেমাই ব্যবহারের কারণেই কাটলেটটি অতিরিক্ত মুচমুচে ও সুস্বাদু হয়।
সবশেষে কড়াইতে সাদা তেল গরম করে কাটলেটগুলি ডুবো তেলে লালচে ও মুচমুচে করে ভেজে তুলে নিন। কাসুন্দি বা ধনেপাতার চাটনির সঙ্গে গরম গরম পরিবেশন করুন এই সুস্বাদু দই কাটলেট।