Advertisement

লাইফস্টাইল

Birth Rate in India: জন্মহার উদ্বেগজনক ভাবে কমছে ভারতে, পরিস্থিতি শোচনীয় একাধিক দেশে, কেন?

Aajtak Bangla
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 18 May 2026,
  • Updated 11:51 AM IST
  • 1/10

ভারতের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার এবার কমতে শুরু করেছে। কয়েক দশক আগে, ভারতে মহিলাদের গড়ে সন্তান ছিল ৩.৪। বর্তমানে তা কমে দু'য়ে নেমে গিয়েছে। এখানেই সিঁদুরে মেঘ। সরকারি সমীক্ষার তথ্য বলছে, জনসংখ্যা বৃদ্ধির এই হার স্বাভাবিকের চেয়ে কম।

  • 2/10

কিন্তু এই পরিস্থিতি শুধু ভারতেরই নয়। জন্মের হার অন্যান্য দেশেও ব্যাপক ভাবে হ্রাস পাচ্ছে। অনেক দেশে মহিলা পিছু সন্তানের হার গড়ে একেও নেমে গিয়েছে। কিছু কিছু জায়গায় তো তা শূন্যে পৌঁছে গিয়েছে। 

  • 3/10

অর্থাত্‍ সন্তান নেওয়াতে অনীহা। অনেক বছর ধরেই বিশেষজ্ঞরা এই অবস্থার জন্য সন্তান উত্‍পাদন ক্ষমতার হ্রাস, জিনিসের দাম বৃদ্ধি, জীবনধারণে খরচ বৃদ্ধি, দেরিতে বিয়ে, পেশাগত চাপ ও সামাজিক রীতির বদলকে দায়ী করছেন। কিন্তু গবেষকরা আরও একটি ফ্যাক্টর লক্ষ্য করেছেন। তা হল স্মার্টফোন ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। 
 

  • 4/10

রিপোর্ট অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিনসিনাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা বলছে,  আমেরিকা ও ব্রিটেনে 4G মোবাইল ইন্টারনেট চালু হওয়ার পর থেকেই জন্মহার বেশি মাত্রায় কমতে শুরু করে দেয়। 
 

  • 5/10

মোবাইলে হাই স্পিডে ইন্টারনেট যত বেশি হচ্ছে, তত দ্রুত জন্মহারও কমছে। গবেষকরা স্পষ্ট জানাচ্ছেন, স্মার্টফোনের জন্য জন্মহার দ্রুত কছে। বেশির ভাগ দম্পতিই নিজেদের মধ্যে অন্তরঙ্গ মুহূর্ত কাটাচ্ছেন না, স্মার্টফোন, সোশ্যাল মিডিয়ায় মজে থাকছেন। 
 

  • 6/10

আমেরিকা, ব্রিটেন ও অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশগুলিতে ২০০০-এর দশকের শুরুর দিকে কিশোর-কিশোরী ও তরুণদের মধ্যে জন্মহার মোটামুটি স্থিতিশীল ছিল। 
 

  • 7/10

তবে ২০০৭ সালের পর থেকে সেই হার স্পষ্টভাবে কমতে শুরু করে, ঠিক সেই সময় থেকেই স্মার্টফোন ও মোবাইল অ্যাপ সাধারণ মানুষের জীবনে দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। সবচেয়ে বেশি হারে জন্ম কমেছে কমবয়সি গোষ্ঠীগুলির মধ্যে, যারা আবার স্মার্টফোন ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সবচেয়ে এগিয়ে।
 

  • 8/10

গবেষকরা জানাচ্ছেন, পুরুষ ও নারীর দৈহিক মিলন কমে গিয়েছে। অবসর সময়ে ঘনিষ্ঠ না হয়ে তাঁরা সোশ্যাল মিডিয়াতেই সময় কাটাচ্ছেন। জন্মহার কমার ক্ষেত্রে মূলত স্মার্টফোনকেই কাঠগড়ায় তুলছেন তাঁরা। আগের বিভিন্ন গবেষণাতেই দেখা গিয়েছে, মিডিয়া মানুষের পরিবার পরিকল্পনার সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে। 
 

  • 9/10

টেলিভিশনের ধারাবাহিকে ছোট পরিবারকে ইতিবাচকভাবে দেখানোর ফলে বহু নারী কম সন্তান নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। আবার অন্য একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যেসব দম্পতির বাড়িতে টেলিভিশন ছিল, তাঁদের মধ্যে যৌন সম্পর্কের হার তুলনামূলকভাবে কম ছিল। 
 

  • 10/10

গবেষকদের মতে, স্মার্টফোনের প্রভাব টেলিভিশনের থেকেও অনেক বেশি হতে পারে। কারণ স্মার্টফোন অনেক বেশি ব্যক্তিগত, আকর্ষণীয় এবং সময়সাপেক্ষ, যা মানুষের দৈনন্দিন জীবন ও সম্পর্কের উপর আরও গভীর প্রভাব ফেলতে সক্ষম।

Advertisement

লেটেস্ট ফটো

Advertisement