শীতকাল আসলেই বাজারে রকমারি সবজির ছড়াছড়ি থাকে। যার মধ্যে অন্যতম কড়াইশুঁটি। নানা খাবারে কড়াইশুঁটি দিয়ে রান্না করলে, স্বাদ পাল্টে স্বুসাদু হয়।
শীত যাবো যাবো করছে। জানুন কীভাবে কড়াইশুঁটি রাখলে খাওয়া যাবে বছরভর। এই কৌশল জানলে, গ্রীষ্ম বা বর্ষাকালেও শীতের স্বাদ পাবেন।
সঠিক কৌশল এবং পদ্ধতি অবলম্বন করে আপনি কড়াইশুঁটি অনেক মাস তাজা এবং সবুজ রাখা যায়।
৬-১২ মাস কড়াইশুঁটি সংরক্ষণ করার জন্য ব্লাঞ্চিং হল সেরা পদ্ধতি। প্রথমে, তাজা, শক্ত এবং গাঢ় সবুজ কড়াইশুঁটি বেছে নিন। খেয়াল রাখবেন কড়াইশুঁটি যেন খুব শক্ত বা হলুদ না হয়।
এরপর, কড়াইশুঁটি খোসা ছাড়িয়ে দানাগুলো আলাদা করুন। কোনও নষ্ট, ছোট বা ক্ষতিগ্রস্ত দানা থাকলে তা সরিয়ে ফেলুন, যাতে বাকিগুলো নষ্ট না হয়।
এবার একটি বড় পাত্রে জল ফুটিয়ে তাতে ১ চা চামচ চিনি দিন (চিনি কড়াইশুঁটির সবুজ রং বজায় রাখতে সাহায্য করে)। জল ফুটতে শুরু করলে কড়াইশুঁটিগুলো দিয়ে মাত্র ২ মিনিট রান্না করুন।
কড়াইশুঁটি জলের উপরে ভেসে উঠলেই সঙ্গে সঙ্গে জল ঝরিয়ে বরফ-ঠান্ডা জলে ডুবিয়ে দিন। এটি রান্নার প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেয়।
কড়াইশুঁটি পুরোপুরি শুকিয়ে গেলে জিপ-লক ব্যাগ বা বায়ুরোধী পাত্রে ভরে রাখুন। এই প্যাকেটগুলো ফ্রিজারে সংরক্ষণ করুন। প্রয়োজন অনুযায়ী বের করে ব্যবহার করুন।
কড়াইশুঁটি পুরোপুরি শুকিয়ে গেলে জিপ-লক ব্যাগ বা বায়ুরোধী পাত্রে ভরে রাখুন। এই প্যাকেটগুলো ফ্রিজারে সংরক্ষণ করুন। প্রয়োজন অনুযায়ী বের করে ব্যবহার করুন।
আপনি সর্ষের তেল ব্যবহার করেও কড়াইশুঁটি দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করতে পারেন। সবুজ কড়াইশুঁটিতে সর্ষের তেল মাখিয়ে একটি জিপার ব্যাগে ভরে ফ্রিজে রাখুন।
তেল কড়াইশুঁটির উপর একটি স্তর তৈরি করে যা, একটি প্রতিবন্ধক হিসেবে কাজ করে এবং আর্দ্রতা বাষ্পীভূত হতে বাধা দেয়। ফলে কড়াইশুঁটি শুকিয়ে যাওয়া বা জলশূন্য হওয়া থেকে রক্ষা পায়।
এছাড়া বাজার থেকে কিনে এনে কড়াইশুঁটি সরাসরি ফ্রিজে না রেখে আগে খোসা ছাড়িয়ে নিন। খোসা ছাড়িয়ে শুকনো কড়াইশুঁটি বেশিদিন সংরক্ষণ করা সম্ভব।