অ্যাপল যখন তাদের প্রো সিরিজের ফোন থেকে কালো রঙ সরিয়ে দিয়েছে, ঠিক তখনই সেই ‘কালো নস্টালজিয়া’ ফিরিয়ে আনল বিলাসবহুল কাস্টম ফোন নির্মাতা Caviar। iPhone 17 Pro Max-এর জন্য তারা লঞ্চ করল নতুন Black Edition লাইনআপ, যেখানে কালো মানে শুধু রং নয়, একেবারে রাজকীয় বিলাস।
এই বিশেষ সংস্করণের সব মডেলেই ব্যবহার করা হয়েছে এয়ারোস্পেস-গ্রেড টাইটেনিয়াম। ম্যাট ব্ল্যাক ফিনিশের চ্যাসিসের সঙ্গে রয়েছে কালো টাইটেনিয়াম ফ্রেম, যা দেখতে অনেকটাই অ্যাপলের আগের ব্ল্যাক টাইটেনিয়াম আইফোনের মতো। ফলে অ্যাপলের কালো রঙের অভাব অনেকটাই মেটাতে চাইছে Caviar।
ফোনের পিছনের অংশে সবচেয়ে নজরকাড়া সংযোজন হল ক্রোকোডাইল লেদারের প্যানেল। এই লেদারের উপর অ্যানোডাইজড ও PVD কোটিং ব্যবহার করা হয়েছে, যার ফলে গভীর, ঘন কালো রং আরও বেশি প্রিমিয়াম লুক তৈরি করেছে। ডিজাইনে রাখা হয়েছে ক্লাসিক ও মিনিমালিস্ট ছোঁয়া।
Caviar-এর Black Edition সিরিজে মোট চারটি ভ্যারিয়েন্ট রয়েছে, Black, Shadow, Spark এবং Obsidian Black। প্রত্যেকটির ডিজাইন আলাদা হলেও কালো রঙই এই সিরিজের মূল থিম।
এর মধ্যে Shadow Edition রাখা হয়েছে একেবারে মনোক্রোম স্টাইলে। কালো স্ক্রু, সংযত ফিনিশ। সব মিলিয়ে এটি সবচেয়ে সিম্পল ও পরিমিত ডিজাইনের ভ্যারিয়েন্ট বলে মনে করা হচ্ছে।
অন্যদিকে Spark Edition একটু বেশি চোখে পড়ার মতো। এতে ব্যবহার করা হয়েছে ২৪ ক্যারেট সোনায় মোড়া স্ক্রু, যা কালো রঙের সঙ্গে কনট্রাস্ট তৈরি করে ফোনটিকে আরও সাহসী ও এক্সপ্রেসিভ লুক দিয়েছে।
সবচেয়ে বিরল ভ্যারিয়েন্ট হল Obsidian Black। এই সংস্করণ মাত্র ৯৯টি ইউনিটে সীমাবদ্ধ। বাকি Black, Shadow ও Spark ভ্যারিয়েন্ট প্রতিটিই মাত্র ১৯টি করে ইউনিটে বাজারে আসছে। যা একে সংগ্রাহকদের কাছে আরও মূল্যবান করে তুলছে।
দামের দিক থেকেও এই ফোন যে সাধারণ ব্যবহারকারীর জন্য নয়, তা স্পষ্ট। Black Edition সিরিজের শুরু দাম ৯,১৩০ ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ₹৮.৩৭ লক্ষ)। Spark Edition-এর দাম শুরু ৯,৮৪০ ডলার, আর Shadow ও Obsidian Black সংস্করণের দাম শুরু ১০,৪১০ ডলার থেকে।