শহর কলকাতা তো বটেই রাজ্যের অন্য শহরেও বিপুল সংখ্যক মানুষ এসি ব্যবহার করেন। গ্রামেও সংখ্যাটা খুব বেশি কম নয়। সারা দেশের চিত্রটাও কম বেশি একই। দেশের অনেক শহরেও মানুষ গরম থেকে স্বস্তি পেতে এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহার করেন। তবে, এসি চালানোর ফলে বিরাট পরিমাণে ইলেকট্রিসিটিও খরচও হয়। (ছবি - পিক্সেলস)
কিন্তু এসি চালানোর সময় অনেকেই সাধারণ ভুল করে থাকেন। এর ফলে শুধু যে বিদ্যুতের বিল বেশি আসে তাই নয়, এসি-রও ক্ষতি হতে পারে। (ছবি - পিক্সেলস)
এসি সবসময় সঠিক তাপমাত্রায় সেট করা উচিত, যা আদতে ২৪-২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে সেট করবেন না। এটি বিদ্যুৎ বিল এবং এসি উভয়ের উপরই প্রভাব ফেলে। (ছবি: পিক্সেলস)
এসির নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা জরুরি। বাড়িতে একজন এসি মেকানিককে ডেকে এসি পরিষ্কার করিয়ে নিন। প্রতি দুই মাসে একবার এসি পরিষ্কার করা উচিত। (ছবি: পিক্সেলস)
নিয়মিত এসির ওয়্যারিং পরীক্ষা করুন। যদি কোনও তার ক্ষতিগ্রস্ত, বা কাটা থাকে, তবে তা বদলানোর জন্য অবিলম্বে একজন মেকানিককে ডাকুন। নিশ্চিত করুন, এসির ওয়্যারিংটি একটিই রয়েছে। কখনও কখনও, দুটি তার একসঙ্গে জুড়ে দিয়ে টেপ দিয়ে আটকানো থাকে। (ছবি: পিক্সেলস)
এসি থেকে আরও ভালো ঠান্ডা ও হাওয়া কমফার্ম করতে, এয়ার ফিল্টারটি নিয়মিত পরিষ্কার করুন। এটি প্রতি সপ্তাহে পরিষ্কার করা উচিত। এতে এসির উপর চাপ কমবে এবং আরও ভালো ঠান্ডা পাওয়া যাবে। (ছবি: পিক্সেলস)
এসির হাওয়া ঘরে দ্রুত ছড়াতে পারে না। তাই এসি চালানোর সময় সিলিং ফ্যানটি কম স্পিডে চালানো উচিত। এভাবে ঘরের তাপমাত্রা কম থাকে (ছবি: পিক্সেলস)